আদর্শ প্রশ্ন/আদ্য পরীক্ষা


বাংলাভাষা ও সাহিত্য
(ক) গদ্য
বিচিত্র প্রবন্ধ
ছোটোনাগপুর

এ লেখাকে ঠিক-মতো ভ্রমণবৃত্তান্ত বলা চলে না, কেননা এতে নূতন-পরিচিত স্থান সম্বন্ধে কোনো খবর দেওয়া হয় নি, কেবল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পর পর ছবি দেওয়া হয়েছে। এই ছবিতে দেখা যায় বাংলাদেশের দৃশ্যের সঙ্গে এর তফাৎ। বাংলাদেশে তোমাদের পরিচিত কোনো পল্লীর ভিতর দিয়ে গোরুর গাড়িতে ক’রে যাত্রা এমন ভাবে বর্ণনা করো যাতে এই লেখার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।

অসম্ভব কথা

এই গল্পটার মানে একটু ভেবে দেখা যাক। মানুষ চিরকাল গল্প শুনে আসছে, কত রূপকথা, কত কাব্যকথা, তার সংখ্যা নেই। এ রকম প্রশ্ন তার মনে যদি প্রবল হোত যে ঠিক এ রকম ঘটনাটি সংসারে ঘটে কি না, তবে সাহিত্যের বড়ো বড়ো মহাকাব্যগুলির একটিও টিঁকতে পারত না। রাবণের দশমুণ্ড অসম্ভব, হনুমানের এক লম্ফে লঙ্কা পার হওয়া কাল্পনিক, সীতার দুঃখে ধরণী বিদীর্ণ হওয়া অদ্ভুত অত্যুক্তি, এই অপবাদ দিয়ে মানুষ গল্প শোনা বন্ধ করে নি। মানুষের কল্পনা এ সমস্ত অপ্রাকৃত বিবরণ পার হয়ে পৌঁচেছে সেইখানে গিয়ে যেখানে আছে মানুষের সুখদুঃখ। গল্পের ভিতর দিয়ে যদি তার হৃদয়ের সাড়া পাওয়া যায় তা হলে মানুষ নালিশ করে না।
অসম্ভব গল্প ব’লে যে গল্পটা পড়েছ তার মধ্যে কোন্‌টুকু অসম্ভব এবং তৎসত্ত্বেও এ গল্পে কৌতূহল ও বেদনা সত্য হয়ে উঠেছে কেন বুঝিয়ে দাও। এবং যদি পারো এ গল্পটিকে বদল ক’রে দিয়ে সম্ভবপর ক’রে দিয়ে লেখো। বাপের অনুপস্থিতিতে মেয়েটি অরক্ষণীয়া হয়েছে এবং তাড়াতাড়ি কুলরক্ষার উপযোগী পাত্রে বিয়ে দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটল এটাকে বাস্তবের রূপ দিয়ে লেখার চেষ্টা করো।

গল্প শোনা সম্বন্ধে প্রাচীন কালের সঙ্গে আধুনিক কালের রুচির কী প্রভেদ হয়েছে তাও জানিয়ে দাও।

কেকাধ্বনি

কেকাধ্বনি বস্তুত কর্কশ অথচ বর্ষার সংগীতের সঙ্গে মিলিয়ে কবিরা তাকে প্রশংসা করেছেন, লেখক এর কারণ যা বিশ্লেষণ ক’রে বলেছেন তোমার ভাষায় তা সহজ ক’রে বলো।

বাজে কথা

সাহিত্যে দুটি বিভাগ আছে। এক দরকারী কথার, আর এক অপ্রয়োজনীয় কথার। লেখক এই দুই বিভাগের লেখার কী রকম বিচার করেছেন জানতে চাই। যে যে বাক্যে তাঁর বক্তব্য বিষয়ের অর্থ ফুটে উঠেছে বই থেকে তা উদ্ধৃত ক’রে দিলে ক্ষতি হবে না।

মাভৈঃ

এই প্রবন্ধে সহমরণের প্রসঙ্গ গৌণভাবে এসেছে কিন্তু এর মুখ্য কথাটা কী।

পরনিন্দা

এই প্রবন্ধে পরনিন্দার প্রশংসাচ্ছলে কিছু আছে তার প্রতি ব্যঙ্গ, কিছু আছে তার উপযোগিতা সম্বন্ধে প্রশংসা। এই কথাটার আলোচনা করো।

পনেরো আনা

‘বাজে কথা’ প্রবন্ধে যে কথা বলা হয়েছে “পনেরো আনা” প্রবন্ধে সেই কথাটা আর এক প্রসঙ্গে বলা হয়েছে। দুইয়ের মধ্যে মিল কোথায় ব্যাখ্যা করো।

আদ্য পরীক্ষা
বাংলাভাষা ও সাহিত্য
(খ) পদ্য
বাংলা কাব্যপরিচয়
রামায়ণ : অযোধ্যাকাণ্ড

রামনির্বাসন গদ্য ভাষায় যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত ক’রে লেখো। নমুনা –

অযোধ্যার রাজা দশরথ একদা পাত্রমিত্রগণকে ডেকে বললেন, স্থির করেছি কাল রামের রাজ্যাভিষেক হবে; আজ তার আয়োজন করা আবশ্যক।

কৈকেয়ীর এক চেড়ী ছিল তার নাম মন্থরা, সে ভরতের ধাত্রীমাতা। সে ঈর্ষান্বিতা হয়ে কৈকেয়ীকে গিয়ে বললে, ভরতকে এড়িয়ে রামকে যদি রাজা করা যায় তা হলে অপমানে দুঃখের সাগরে ডুবে মরবি, এর প্রতিবিধান করতে হবে।

প্রথমে কৈকেয়ী এ কথায় কান দেন নি কিন্তু বারবার তাঁকে উত্তেজিত করাতে তাঁর মন বিগড়ে গেল, তিনি মন্থরাকে জিজ্ঞাসা করলেন কী উপায় করা যেতে পারে।

মন্থরা তাঁকে মনে করিয়ে দিলে, এক সময় তাঁর ব্রণক্ষতের শুশ্রূষায় সন্তুষ্ট হয়ে দশরথ কৈকেয়ীকে দুটি বর দিতে প্রতিশ্রুত হয়েছিলেন। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পালন-উপলক্ষ্যে এক বরে রামের চোদ্দো বৎসর নির্বাসন, আর এক বরে ভরতকে রাজ্যদান প্রার্থনা করতে হবে।

বাকি অংশের সূচি—

কৈকেয়ী সম্ভাষণে কৈকেয়ীর ঘরে দশরথের গমন।

ভূতলশায়িনী কৈকেয়ীর ক্ষুব্ধ অবস্থায় দশরথ যখন তাঁকে সান্ত্বনা দেবার উপলক্ষ্যে তাঁর ক্ষোভের কারণ দূর করতে স্বীকৃত হলেন, তখন শুশ্রূষাকালীন পূর্ব প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে কৈকেয়ীর দুই বর প্রার্থনা। শুনে রাজার দুঃখবিহ্বল অবস্থা।

এ দিকে অভিষেক সভার বিলম্ব দেখে অন্তঃপুরে এসে দশরথের কাছে সারথি সুমন্ত্রের কারণ জিজ্ঞাসা।

কৈকেয়ী-কর্তৃক সমস্ত ঘটনা বিবৃতি ও রাজার কাছ থেকে সত্যপালনের দাবি।

সুমন্ত্রের কাছ থেকে সমস্ত বিবরণ শুনে অন্তঃপুরে গিয়ে পিতার সত্যরক্ষার জন্য রামের কথা দেওয়া।

অন্যায় সত্য-লঙ্ঘনের জন্য ক্রুদ্ধ লক্ষণের অনুরোধ। পিতৃসত্য-রক্ষায় রামের দৃঢ় সংকল্প। রামের বনযাত্রায় সীতা ও লক্ষণের অনুগমন।

মহাভারত

মহাভারতে দ্যূতক্রীড়ার বিবরণ পূর্বোক্ত রীতিতে যথাসম্ভব সংক্ষেপে লেখো।

বারমাস্যা

বৎসরের ভিন্ন ভিন্ন মাসে সিংহল-রাজকন্যা ধনপতিকে কী উপায়ে ও উপকরণে খুশী করবার প্রস্তাব করছে আপন ভাষায় তার বর্ণনা করো। যেমন –

বৈশাখ মাসে যখন প্রচণ্ড সূর্যের তাপ অসহ্য হয় তখন তোমাকে চন্দন মাখিয়ে সুগন্ধ জল দিয়ে স্নান করাব, শ্যামলবর্ণ গামছা দিয়ে তোমার গা মুছিয়ে দেব। আর নববর্ষে দান দক্ষিণা দেব ব্রাহ্মণকে।

দারুণ জ্যৈষ্ঠ মাসে তোমাকে আমের রস খাওয়াব তার সঙ্গে নবাৎ মিশিয়ে।

আষাঢ় মাসে যখন মেঘ গর্জন করে, ময়ূর নাচে, নববর্ষাধারায় মত্ত হয়ে দাদুরী ডাকতে থাকে তখন নৌকায় চোড়ো না, থেকো আমার মন্দিরে, ক্ষীরখণ্ডের সঙ্গে তোমাকে শালিধানের ভাত খাওয়াব। আষাঢ় মাস সুখের মাস, এর মধ্যে গ্রীষ্ম বর্ষা শীত তিন ঋতু একসঙ্গে মিশেছে। ইত্যাদি।

গোষ্ঠযাত্রা

গদ্যে লেখো। নমুনা –

সাজো সাজো ব’লে সাড়া প’ড়ে গেল। বলরামের শিঙ্গা বাজতেই রাখালবেশে প্রস্তুত হোলো গোয়ালপাড়া। ইত্যাদি।

বঙ্গভাষা

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজি লাটিন গ্রীক ফরাসি প্রভৃতি ভাষায় পণ্ডিত ছিলেন। তাঁর সাহিত্যরচনার প্রথম সাধনা হয় ইংরেজি ভাষায়। এই চতুর্দশপদী বাংলা কবিতায় তাঁর বলবার বিষয়টা কী।

চিত্রদর্শন

এই কবিতায় যে ছবিগুলির নির্দেশ আছে তাদের বর্ণনা করো।

গ্রাম্যছবি

এই কাব্যে বর্ণিত পল্লীচিত্র গদ্যে রূপান্তরিত করো।

এবার ফিরাও মোরে

এই কবিতায় যে ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে কী তার উপলক্ষ্য। কবি নিজেকে কোন্‌ সংকল্পে উদ্‌বোধিত করেছেন। তিনি যে-গান শোনাতে প্রস্তুত হলেন তার মর্মকথা কী। মানবলোকের মর্মস্থানে কবি যে-দেবতাকে উপলব্ধি করেছেন মানুষের ইতিহাসে তাঁর আহ্বান কী রকম কাজ করে। নমুনা –

লোকালয়ে কর্মের অন্ত নেই কোথাও বা প্রলয়ের আগুন লেগেছে, কোথাও বা যুদ্ধের শঙ্খ বেজেছে, কোথাও বা শোকের ক্রন্দনে আকাশ হয়েছে ধ্বনিত, অন্ধ কারাগারে বন্ধনজর্জর অনাথা সহায় প্রার্থনা করছে, স্ফীতকায় অপমানদানব লক্ষ মুখ দিয়ে অক্ষমের বক্ষ হ’তে রক্তশোষণ ক’রে পান করছে স্বার্থোদ্ধত অবিচার ব্যথিতের বেদনাকে পরিহাস করছে, ভীত ক্রীতদাস সংকোচে আত্মগোপন করেছে—ইত্যাদি—ইত্যাদি—কিন্তু তুমি কবি, পলাতক বালকের মতো, কেবল বিষণ্ন-তরুছায়ায় বনগন্ধবহ তপ্ত বাতাসে দিন কাটিয়ে দিলে একলা বাঁশি বাজিয়ে। ওঠো কবি, তোমার চিত্তের মধ্যে যদি প্রাণ থাকে তবে তাই তুমি দান করতে এসো। ইত্যাদি।

দেবতার গ্রাস

এই কবিতার গল্প-অংশ সংক্ষিপ্ত ক’রে লেখো, কেবল রস দিয়ে লেখো এর বর্ণনাগুলি। যেমন

মৈত্রমহাশয় সাগরসংগমে যেতে প্রস্তুত হোলে মোক্ষদা তাঁর সহযাত্রী হবার জন্য মিনতি জানালে। বললে তার নাবালক ছেলেটিকে তার মাসির কাছে রেখে যাবে। ব্রাহ্মণ রাজী হলেন। মোক্ষদা ঘাটে এসে দেখে তার ছেলে রাখাল নৌকাতে এসে ব’সে আছে। টানাটানি ক’রে কিছুতেই তাকে ফেরাতে যখন পারলে না তখন হঠাৎ রাগের মাথায় বললে, চল্‌, তোকে সাগরে দিয়ে আসি। ব’লেই অনুতপ্ত হয়ে অপরাধ-মোচনের জন্যে নারায়ণকে স্মরণ করলে। মৈত্রমহাশয় চুপিচুপি বললেন, ছি ছি এমন কথা বলবার নয়।

সাগর সংগমের মেলা শেষ হোলো, যাত্রীদের ফেরবার পথে জোয়ারের আশায় ঘাটে নৌকা বাঁধা। মাসির জন্য রাখালের মন ছট্‌ফট্‌ করছে।

চারি দিকে জল, কেবল জল। চিকন কালো কুটিল নিষ্ঠুর জল, সাপের মতো ক্রূর, খল সে ছল-ভরা, ফেনাগুলি তার লোলুপ, লক্‌লক্‌ করছে জিহ্বা, লক্ষ লক্ষ ঢেউয়ের ফণা তুলে সে ফুঁসে উঠছে, গর্জে উঠছে, লালায়িত মুখে মৃত্তিকার সন্তানদের কামনা করছে। কিন্তু আমাদের স্নেহময়ী মাটি সে মূক, সে ধ্রুব, সে পুরাতন, শ্যামলা সে কোমলা, সকল উপদ্রব সে সহ্য করে। যে কেউ যেখানেই থাকে তার অদৃশ্য বাহু নিয়ত তাকে টানছে আপন দিগন্তবিস্তৃত শান্ত বক্ষের দিকে। ইত্যাদি।

হতভাগ্যের গান

হতভাগার দল গাচ্ছে যে, আমরা দুরদৃষ্টকে হেসে পরিহাস ক’রে যাব। সুখের স্ফীতবুকের ছায়াতলে আমাদের আশ্রয় নয়। আমরা সেই রিক্ত সেই সর্বহারার দল, বিশ্বে যারা সর্বজয়ী, গর্বিতা ভাগ্যদেবীর যারা ক্রীতদাস নয়। এমনি ক’রে বাকি অংশটা সম্পূর্ণ ক’রে দাও।

বীরপুরুষ

বালক তার মাকে ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা করবার যে গল্প মনে মনে বানিয়ে তুলেছে সেটি রস দিয়ে ফলিয়ে লেখো।

সবলা

এই কবিতায় আপন শক্তিতে আপন ভাগ্যকে জয় করবার অধিকার পেতে চাচ্ছে নারী। দৈবের দিকে তাকিয়ে ক্লান্ত ধৈর্য নিয়ে সে পথপ্রান্তে জেগে থাকতে চায় না। নিজে চিনে নিতে চায় নিজের সার্থকতার পথ। সতেজে সে সন্ধানের রথ ছুটিয়ে দিতে চায় দুর্ধর্ষ অশ্বকে দৃঢ় বল্‌গায় বেঁধে। সমস্ত কবিতাটিকে এইরূপে গদ্যে ভাষান্তরিত করো।

প্রশ্ন

এই কবিতায় কী প্রশ্ন করা হয়েছে।

নতুন কাল

এই কাব্যে বিবৃত সে-কালের বর্ণনা করো।

সমুদ্রের প্রতি

এই কবিতাটির বিশেষত্ব এই যে, এর বিষয়টি গম্ভীর। অথচ সমস্তটা ব্যঙ্গের সুরে অবলীলায়িত ভঙ্গীতে লিখিত। অপবাদের ভাণ ক’রে কবি কী বলছেন সমুদ্রকে, উদ্ধৃত ক’রে দাও। যথা—

ধরণীর প্রতি তার ব্যবহার, কিংবা তার নিরর্থক অস্থিরতা। অবশেষে কী ব’লে তাকে প্রশংসা জানাচ্ছেন। যেমন—তার নূতন দেশসৃষ্টির উদ্যম, কিংবা মোক্ষকামী তপস্বীর মতো যোগাসনে তার ধ্যানমগ্নতা।

দেশের লোক

কবিকর্তৃক বর্ণিত সাধারণ দেশের লোকের দিনযাত্রা ও মনোভাবের ছবিটি আপন ভাষায় প্রকাশ করো।

চম্পা

বসন্ত যখন শেষ হয়েছে, বিষণ্ন বিশ্ব যখন নির্মম গ্রীষ্মের পদানত, তখন আধেক ভয়ে আধেক আনন্দে একলা এল চাঁপা, রুদ্রের তপোবনে সাহসিকা অপ্সরীর মতো।

এই কবিতাটির বাকি অংশটুকু এই রকম ক’রে গদ্যে লেখো।

হাট

লোকালয়ের মাঝখানে হাটের চালাগুলি, সন্ধ্যা বেলায় প্রদীপ জ্বলে না, সকাল বেলায় ঝাঁট পড়ে না, বেচাকেনা সারা হোলেই যে যার ঘরে চ’লে যায়। এক সময়ে সংসারে আবশ্যকের ভিড়, আর এক সময়ে প্রয়োজনের শেষে তার শূন্যতা ও উপেক্ষা।এই যে আছে বিপরীতের লীলা, হাটের প্রসঙ্গে কবি তার কী রকম বর্ণনা করেছেন জানাও।

দেখব এবার জগৎটাকে

জগৎকে সত্য ক’রে দেখতে গেলে কেমন ক’রে দেখতে হবে, তার ভিতরের রহস্য অবারিত হয় কিসের আঘাতে, এ সম্বন্ধে কবি নজরুল ইসলামের নির্দেশ কী জানাও।

সিন্ধু

কবি সমুদ্রকে নমস্কার করছেন। তিনি তার মধ্যে কী ভাব দেখেছেন। এক দিকে দেখছেন তার আত্মনিমগ্ন বিরাট ঔদাসীন্য, আর একদিকে তার দানের অবিশ্রাম অজস্রতা—সেইসঙ্গে তার হৃত ঐশ্বর্য, রিক্ততার শূন্যময়তা, তার গর্জিত ক্রন্দন। কবির ভাষা অনুসরণ ক’রে এই বিচিত্র ভাবের আলোড়নকে ব্যক্ত করো।

গোঁফচুরি

এই কবিতাটির মজা কোন্‌খানে। আপিসের বড়োবাবু খেপে উঠে গোঁফ-চুরি ব্যাপারটাকে নিশ্চিত সত্য ব’লে মনে ক’রে প্রতিবাদকারীদেরকে নির্বোধ বলে তর্জন করছেন। এই অসম্ভব ব্যাপারকে কোনো উচ্চপদস্থ লোক সত্য মনে ক’রে আপন মর্যাদা নষ্ট করছে এইটেই কি কৌতুকের বিষয়, অথবা যেটা ঘটে নি, যেটা কেউ বিশ্বাস করে নি, সেটাকে বিশ্বাস করার চোখটেপা ভঙ্গীতে কবি গম্ভীর ভাবে ব’লে যাচ্ছেন সেইটেই হাসির কথা।

বঙ্গলক্ষ্মী

লক্ষ্মীর উদ্দেশে কবি কী কথা বলছেন।

বনভোজন

কবি কাকে বলছেন বনভোজন। কে ভোজন করাচ্ছে। কী রকম তার বর্ণনা।

প্রেমের দেবতা

যিশুখ্রীস্টকে উদ্দেশ ক’রে এই কবিতায় যে নিবেদন আছে তার ব্যাখ্যা করো।

বন্দী

কবি কারাবন্দী অবস্থায় পৃথিবীর নানা বন্ধনে বন্দীদের কথা স্মরণ করে কী বলছেন লেখো।

শুধু এক বেরসিকের তরে

এই কবিতায় বর্ণিত ঘটনাটি তোমার ভাষায় লেখো।

ময়নামতীর চর

ময়নামতীর চরের বর্ণনা গদ্য ভাষায় লেখো।







বাংলাভাষা ও সাহিত্য
(গ) ভাষাতত্ত্ব ও ব্যাকরণ
বাংলা ভাষাপরিচয়
একান্ত একলা মানুষ অসম্পূর্ণ, অশিক্ষিত, অসহায়। তাকে মানুষ হতে হয় দূরের এবং নিকটের, অতীতের এবং বর্তমানের বহুলোকের যোগে। তাকে জীবনযাত্রা নির্বাহ করতে হয় গোচর এবং অগোচর অসংখ্য লোকের সঙ্গে সম্বন্ধে জড়িত হয়ে। মানুষের সৃষ্ট কোন্‌ উপায় আছে প্রধানত যার দ্বারা এই যোগসাধন ঘটে।

বাইরের জগৎ নানা বস্তুতে তৈরি, যার রূপ আছে, আয়তন আছে, ভার আছে। মানুষের মনের মধ্যে আছে সেই জগতের একটি প্রতিরূপ, যার স্থূল আকৃতি নেই, বস্তু নেই, কিন্তু তা কী দিয়ে গড়া।

প্রতীক কাকে বলে।

“তিনটে সাদা গোরু” এর মধ্যে ‘তিন’ এবং ‘সাদা’ শব্দকে “নির্বস্তুক” নাম দেওয়া যায় কেন।

জ্ঞানের বিষয় ও ভাবের বিষয় প্রকাশের ভাষায় পার্থক্য কী। দৃষ্টান্ত দেখাও। ভাষা রচনায় কবিত্বের বিশেষত্ব কী।

ভাষার কাজ জ্ঞানের বিষয়ের সংবাদ দেওয়া, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা, হৃদয়ভাবকে প্রতীতিগোচর করা, ভাষার অন্য আর একটি কী কাজ আছে জানাও। কী দিয়ে তার মূল্য নির্ণয় করি।

প্রাকৃত জগতে যা দুঃখজনক সাহিত্যে তা আদর পায় কেন।

প্রাচীন সাহিত্যে কি ছন্দের একমাত্র প্রয়োজন ছিল কাব্যকে সৌন্দর্য দেওয়া।

কোন্‌ কোন্‌ অক্ষর-মাত্রা বাংলা ছন্দের মূলে। চলতি ভাষা ও সাধু ভাষার কবিতায় ছন্দোবিন্যাসের প্রভেদ কী।


আদর্শ প্রশ্ন