আদর্শ প্রশ্ন/প্রবেশিকা-পরীক্ষা


বাংলাভাষা ও সাহিত্য
ক) গদ্য
পাঠপ্রচয়
তৃতীয় ভাগ
রোগশত্রু

১। প্রাণ আছে যারই আয়ু ফুরোলেই সে মারা যায়। সেই মৃতবস্তু খেয়ে ফেলে সরিয়ে দেয় দুই দল জীবাণু। তাদের খবর কী জানো বলো।

২। জলে স্থলে বাস করে ছোটো বড়ো জীবজন্তু, সেই সঙ্গে থাকে অসংখ্য জীবাণু। তা ছাড়া তারা থাকে বাতাসে। বিখ্যাত রসায়নবিৎ প্যাস্টুর তাদের সম্বন্ধে কী তথ্য সন্ধান ক’রে বের করেছিলেন বিবৃত করো।

৩। শ্বেতকণা ও লোহিতকণা এই দুই কণার যোগে আমাদের রক্তপ্রবাহ। শরীরে তারা কোন্‌ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করে।

৪। বায়ুবিহারী রোগের আকর জীবাণুগুলি শরীরে প্রবেশ ক’রে রক্তবিহারী জীবাণুদের সঙ্গে কী রকম দ্বন্দ্ব বাধিয়ে দেয় তার বর্ণনা করো।

আমেরিকার একটি বিদ্যালয়

১। য়ুনাইটেড স্টেট্‌সের ‘পোসাম ট্রট’ নামে এক গ্রাম আছে। তাদের বাসিন্দারা ছিল অশিক্ষিত এবং শিক্ষার জন্য তাদের উৎসাহ ছিল না। মিস মার্থা বেরি নগর থেকে সেখানে বাস করতে এসেছিলেন, পর্বতের শোভা ভোগ ক’রে সেখানে আরাম করবেন এই ছিল তাঁর অভিপ্রায়। কিন্তু নিজের আরাম ভুলে পাহাড়িয়া ছেলেদের শিক্ষাদানব্রতে কেমন ক’রে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তার ইতিহাস বর্ণনা করো।

প্রথমে কী কাজ আরম্ভ করলেন। গ্রাম্য ছেলেদের শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্বন্ধে তিনি কী বিচার করেছিলেন। তাঁর কাজ কী রকম ক’রে চলল। য়ুনাইটেড স্টেট্‌সের দাক্ষিণাত্যে কাফ্রিরাই হাতের কাজ করে ব’লে শ্বেতকায়রা সে সব কাজ ঘৃণার বিষয় ব’লে মনে করে। মিস মার্থা সেই আপত্তির বিরুদ্ধে কী রকমে কৃতকার্য হয়েছিলেন। যাঁরা এই বিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের ভার নিয়েছিলেন তাঁরা কী রকম ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। এই দৃষ্টান্তের প্রসঙ্গে লেখক আমাদের দেশের লোকের ঔদাসীন্য ও সংকল্পের দুর্বলতা সম্বন্ধে কী বলেছেন জানাও।

কাবুলিওয়ালা

বাঙালী মেয়ের সহিত কাবুলিওয়ালার স্নেহসম্বন্ধের ভিত্তিটি কোন্‌খানে।

কাবুলিওয়ালার সঙ্গে কখন কী রকমে মিনির পরিচয় আরম্ভ হোলো।
মাঝখানে বাধা ঘটল কিসের। মিনির বিবাহ-দিনে জেল-ফেরৎ রহমতের উপস্থিতিতে মিনির বাপের অপ্রসন্নতা কেমন ক’রে মিলিয়ে গেল, কী মনে হোলো তাঁর। গল্পের শেষ ভাগে কী বেদনা জেগে উঠল কাবুলীর মনে।

সমস্ত গল্পের মর্মকথাটা কী।

বাগান

বাড়ির চারিদিকে একখানি বাগান তৈরি ক’রে তোলা যে বিলাসিতার আড়ম্বর নয়, চরিত্রগঠনের পক্ষে তার যে একটা প্রয়োজন আছে, তার প্রতি অবহেলায় নিজেকে এবং অন্য সকলকে অসম্মান করা হয় সে কথা বুঝিয়ে বলো।

বিদ্যাসাগরের ছাত্রজীবন এই লেখায় বিদ্যাসাগরের চরিত্রের যে যে বিশেষত্বের কথা পড়েছ তার উল্লেখ ক’রে লেখো।

সাক্ষী

সহজ ক’রে সরল ভাষায় এই গল্পটি লেখো। এই কথাটি মনে রেখো যে ধর্ম রক্ষা করতে গিয়ে কেবল যে রামকানাইয়ের শাস্তি হোলো তা নয়, তাঁর নিজের সাধুতার খ্যাতি হোলো না। বুদ্ধিমানেরা তাঁকে নির্বোধ ও চতুর লোকেরা তাঁকে দুর্বল ভীরুব’লে অবজ্ঞা করল, এতেই তাঁর চরিত্রগৌরব আপনার ভিতর থেকে যথার্থ মূল্য পেয়েছে।

ইংলন্ডের পল্লীগ্রাম

বাগান প্রবন্ধে যে তত্ত্বটি আছে এই প্রবন্ধে তারই দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়েছে। গরিব চাষী, কঠিন পরিশ্রমে তাকে দিন কাটাতে হয়, তবু সন্ধ্যাবেলা ঘরে ফিরে এসে বাসস্থানকে সুন্দর ক’রে তোলবার জন্যে এই যে উৎসাহ তাকে দেওয়া হয় ভেবে দেখতে গেলে এটা সমস্ত দেশের প্রতি কর্তব্যসাধন। দেশকে শ্রীসম্পন্ন ক’রে তোলবার দায়িত্ব ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেক লোকের স্বীকার ক’রে নেওয়া উচিত। এই অধ্যাবসায়ের অভাবে দেশের পল্লীগ্রামের কী রকম দুরবস্থা তোমার অভিজ্ঞতা থেকে তার বর্ণনা করো।

জাহাজের খোল

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ স্বদেশের যে হিতসাধনায় নিজের সর্বস্ব ক্ষয় করেছিলেন এই লেখায় তারি কিঞ্চিৎ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এই জাহাজ-চালানো অবলম্বন ক’রে অনেকে এমন ব্যবসায় ক’রে থাকেন যাতে তাঁদের অর্থলাভ হোতে পারে কিন্তু জ্যোতিরিন্দ্রের ব্যবসায় যে সিদ্ধি-লাভের অভিমুখে ছিল তা অর্থলাভের বিপরীত দিকে। তাঁর সেই দেউলে হওয়া অধ্যবসায়ের বিবরণ আপন ভাষায় লেখো। যে উৎসাহের উৎস তাঁর মনের মধ্যে অক্ষয় হয়ে ছিল ব’লে এত বড়ো ক্ষতির মধ্যে তাঁকে অবসাদগ্রস্ত করতে পারে নি সেইটিই এই প্রবন্ধের মূল কথা।

উদ্যোগশিক্ষা

দেহে ও মনে, জ্ঞানে ও কর্মে, মানুষকে সম্পূর্ণভাবে বেঁচে থাকতে হবে—তাকে শিক্ষাদান করার উদ্দেশ্য এই। পুঁথিগত বিদ্যায় আমরা এমন অভ্যস্ত যে এই সর্বাঙ্গীণ শিক্ষাকে আমরা অনায়াসে উপেক্ষা করি। চারি দিকের প্রতি আমাদের ঔৎসুক্য চ’লে গেছে। নানা প্রয়োজনের দাবি আমাদের চার দিকে অথচ মনের জড়ত্ববশত সে দাবি আপন বুদ্ধিতে মেটাবার প্রতি উৎসাহ নেই, বহুকেলে বাঁধা প্রণালীর প্রতি ভর দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকি। এ সম্বন্ধে শান্তিনিকেতন আশ্রমে লেখক যে সব ব্যর্থতার লক্ষণ দেখেছেন তারি উল্লেখ ক’রে প্রসঙ্গটির আলোচনা করো।

দেবীর বলি

এই গল্পাংশের মধ্যে যে কয়টি বর্ণনা আছে তাদের কী রকম ক’রে ফলিয়ে তোলা হয়েছে তা বুঝিয়ে বলবার চেষ্টা করো। প্রথমে জনশূন্য রাত্রি, দ্বিতীয় জয়সিংহের চরম আত্মনিবেদনের সংকল্প, তৃতীয় মন্দিরে রঘুপতির অপেক্ষা, চতুর্থ জয়সিংহের আত্মহনন।
আহারের অভ্যাস

বাংলাদেশের আহার অত্যন্ত অপথ্য, এ কথা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণ হয়ে গেছে। অথচ ভোজনে আমাদের রুচি এতই অত্যন্ত সংস্কারগত যে স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ রেখে তার পরিবর্তন দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। বিষয়টার গুরুত্ব ব্যক্তিগত ভালো-লাগা মন্দ-লাগা নিয়ে নয় এই কথা মনে রেখে, সমস্ত বাংলাদেশের কল্যাণের প্রতি লক্ষ রেখে, আহার সম্বন্ধে আমাদের রুচি ও অভ্যাসের পরিবর্তন করাই চাই—এ সম্বন্ধে আলোচনা করো।

দান প্রতিদান

এই গল্পে রাধামুকুন্দের যে ব্যবহার বর্ণিত হয়েছে তাকে নিন্দা করা যায় কি না এবং যদি করা যায় তবে তা কেন নিন্দনীয় বুঝিয়ে বলো।

বলাই

গাছপালার উপরে বলাইয়ের ভালোবাসা অসামান্য। তাদের প্রাণের নিগূঢ় আনন্দ ও বেদনা ও যেন আপন ক’রে বুঝতে পারত। গল্পের আরম্ভ অংশে তার যে বর্ণনা আছে সেটা ভালো ক’রে প’ড়ে বোঝবার চেষ্টা করো। গাছপালার সঙ্গে ওর প্রকৃতির সাদৃশ্য দেখানো হয়েছে, কেননা ওর স্বভাবটা স্তব্ধ, ওর ভাবনাগুলো অন্তর্মুখী; মেঘের ছায়া, অরণ্যের গন্ধ, বৃষ্টির শব্দ, বিকেল বেলার রোদ্‌দুর গাছেদের মতোই ও যেন সমস্ত দেহ দিয়ে অনুভব করে; আমের বোল ধরবার সময় আমগাছের মজ্জার ভিতরকার চাঞ্চল্য ও যেন নিজের রক্তের মধ্যে জানতে পারত; মাটির ভিতর থেকে গাছের অঙ্কুরগুলো ওর সঙ্গে যেন কথা কইত।

তরুলতা প্রাণের প্রকাশ এনেছিল পৃথিবীতে বহুকোটি বছর আগে। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত দ্যুলোক থেকে আলোক দোহন ক’রে নিয়েছে, পৃথিবী থেকে নিয়েছে প্রাণের রস। লেখক বলছেন এই ছেলেটি যেন সেই কোটি বছর আগের বালক, যেন সেই প্রথম প্রাণবিকাশের সমবয়সী। একটি শিমূল গাছের সঙ্গে কী রকম ক’রে আত্মীয়সম্বন্ধ বেড়ে উঠেছিল এবং তার পরে কী ঘটল তাই বলো।



কবিতা
কাঙালিনী

ধনীর ঘরে পূজোর আয়োজন ও সমারোহ আর দরোজায় দাঁড়িয়ে আছে কাঙালিনী—বিস্তারিত ক’রে এই দৃশ্যের বর্ণনা করো। পুজোবাড়িতে তোমরা যে দৃশ্য দেখেছ সেইটি মনে রেখো।

ফাল্গুন

জ্যোৎস্নারাত্রে ছেলেটি একলা বিছানায় শুয়ে শুয়ে কী কল্পনা করেছে, আর তার চারি দিকের দৃশ্যটি কী রকম, তোমাদের ভাষায় বলো। এই কবিতার ছন্দের বিশেষত্ব কী।

দুই বিঘা জমি

এই কবিতার ভাবখানি কী বুঝিয়ে বলো। এই আখ্যানের প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বর্ণনার মধ্যে এমন ক’রে রস দেওয়া হয়েছে কেন।

পূজারিনী
অজাতশত্রু প্রাণদণ্ডের ভয় দেখিয়ে বুদ্ধের পূজা বন্ধ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সেই প্রাণদণ্ডই পূজার ব্যাঘাত না হয়ে পূজাকে কোন্‌ চরম মূল্য দ্বারা মূল্যবান ক’রে তুলেছিল সেই কথাটি প্রকাশ ক’রে লেখো।

দিদি

এ একটি ছবি। বালিকাবয়সী দিদি। তার মনে মাতৃস্নেহ রয়েছে বিকশিত। সে বাহিরে কাজকর্ম করতে যাওয়া আসা করে, সঙ্গে নিয়ে বেড়ায় শিশু ভাইটিকে। ছেলেটা খেলা করে আপন মনে, দিদি কাছাকাছি কোথাও আছে এইটি জানলেই সে নিশ্চিন্ত। এই অত্যন্ত সরল কবিতাটি যদি তোমাদের ভালো লাগে তবে কেন লাগে লেখো।

স্পর্শমণি

ভিক্ষুক ব্রাহ্মণ যখন দেখলে সনাতন স্পর্শমণিকে নিস্পৃহমনে উপেক্ষা করলেন তখন বুঝতে পারলে যে, লোভেই এই পাথরটাকে মিথ্যে দাম দিয়ে মনকে আসক্ত করে রেখেছে। লোভকে সরিয়ে নিলেই এটা হয় ঢেলা মাত্র। লোভ কখন চলে যায়?

বিবাহ

রাজপুতানার ইতিহাস থেকে এই গল্পটি নেওয়া। বিবাহসভায় মেত্রির রাজকুমারকে যুদ্ধে আহ্বান, বিবাহ অসমাপ্ত রেখে বরের যাত্রা রণক্ষেত্রে। তার অনতিকাল পরে বিবাহের সাজে চর্তুদোলায় চ’ড়ে বধূর গমন মেত্রিরাজপুরে, সেখানে যুদ্ধে নিহতকুমার তখন চিতাশয্যায়। সেইখানেই মৃত্যুর মিলনে বরকন্যার অসম্পূর্ণ বিবাহের পরিসমাপ্তি। কল্পনায় সমস্ত ব্যাপারটিকে আগাগোড়া উজ্জ্বল ক’রে মনের মধ্যে জাগিয়ে দেওয়াই এই কবিতার সার্থকতা।

বিবাহসভায় বরের প্রতি যুদ্ধের আহ্বান এবং বিবাহের প্রতিহত প্রত্যাশায় কন্যার মৃত্যুকে বরণ করে এই দুই আকস্মিকতার নিদারুণতায় এই কবিতার রস। এক দিকে করুণতা অন্য দিকে বীর্য মহিমালাভ করেছে তারি ব্যাখ্যা করো।

আষাঢ়

আষাঢ়ে বর্ষা নেমেছে। পল্লীজীবনের একটি উদ্‌বেগের চাঞ্চল্যের উপর এই ছবিটি ঘনিয়ে উঠেছে। সেই উদ্‌বেগের কী রকম বর্ণনা করা হয়েছে মনের মধ্যে এঁকে নিয়ে তোমাদের ভাষায় প্রকাশ করো।

নগরলক্ষী

শ্রাবস্তীপুরীতে দুর্ভিক্ষ যখন দেখা দিল, বুদ্ধদেব তাঁর শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করলেন এ নগরীর ক্ষুধা-নিবারণের ভার কে নেবে। তাদের প্রত্যেকের উত্তর শুনে বোঝা গেল স্বতন্ত্র ব্যক্তিগতভাবে কারো সাধ্য নেই এই গুরুতর কর্তব্য সম্পন্ন করা। তখন অনাথপিণ্ডদের কন্যা ভিক্ষুণী সুপ্রিয়া বললেন, এই ভার আমি নেব। ভিক্ষুণী আপন নিঃস্বতা সত্ত্বেও এই গুরুভার নিলেন কিসের জোরে।

বিম্ববতী

সুন্দরকে যে নারী সৌন্দর্যে ছাড়িয়ে যেতে চায় সে কি সুন্দরের বিপরীত মনোভাব ও চেষ্টা দ্বারা জগতে কৃতকার্য হোতে পারে। সেই প্রয়াসে ফল হোলো কী।

কর্ম

কর্মের বিধান নিষ্ঠুর। মানুষের নিবিড়তম বেদনার উপর দিয়েও তার রথচক্র চ’লে যায়। এই কবিতায় যে ভৃত্যটির কথা আছে রাত্রে তার মেয়েটি মারা গেছে, তবু কাজের দাবি থেকে তার নিস্কৃতি নেই। কিন্তু এই কবিতায় যে সকরুণতাপ্রকাশ পেয়েছে সেটা কেবল এ নিয়ে নয়। সকাল বেলায় কয়েক ঘণ্টা কাজে যোগ দিতে তার দেরি হয়েছিল সেইজন্য মনিব যখন ক্রুদ্ধ ও অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছিলেন ঠিক সেই সময়ে মেয়েটির মৃত্যুসংবাদ পাবামাত্র মনিব লজ্জিত হলেন। প্রভু মনিবের ভেদের উপরেও কোন এক জায়গায় উভয়ের গভীরে ঐক্য প্রকাশ পেল?

সামান্য ক্ষতি

কাশীর রাজমহিষী যখন সামান্য এক ঘণ্টার কৌতুকে গরিব প্রজাদের কুটিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন, তখন তিনি অনুভব করতে পারেন নি ক্ষতিটা কতখানি। তার কারণ, তারা ওঁর কাছে এত ক্ষুদ্র যে ওদের ক্ষতিলাভকে নিজের ক্ষতিলাভের সঙ্গে এক মাপকাঠিতে মাপা তাঁর পক্ষে সহজ ছিল না। সামান্য ব্যক্তির সত্যকার দুঃখ ও রানীর দুঃখের পরিমাণ যে একই এইটি বুঝিয়ে দেবার জন্যে রাজা কী উপায় অবলম্বন করেছিলেন।

বঙ্গলক্ষী

এই কবিতা বাংলাদেশের মাতৃস্বরূপিণী মূর্তির বর্ণনা। মাতা আপন সন্তানের অযোগ্যতা ক্ষমা ক’রেও অকুণ্ঠিতভাবে ক্ষমাপূর্ণ কল্যাণ বিতরণ করেন, সেই মাতৃধর্ম বঙ্গপ্রকৃতির সঙ্গে কী রকম মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রকাশ ক’রে লেখো।

মূল্যপ্রাপ্তি

স্পর্শমণি কবিতার মধ্যে যে অর্থ পাওয়া গেছে এই কবিতার মধ্যেও সেই অর্থটি আর এক আকারে প্রকাশ পেয়েছে।

অকালে যে পদ্মটি ফুটেছিল সেইটি বুদ্ধদেবকে পুজোপহার দেবার জন্যে যখন দুই ক্রয়েচ্ছুক ভক্তের আগ্রহে তার মূল্য ক্রমশই বেড়ে চলেছিল তখন মালীর মনে হোলো, যাঁর জন্যে এই প্রতিযোগিতা, স্বয়ং তাঁর কাছে এই পদ্মটি নিয়ে গেলে না জানি কত স্বর্ণমুদ্রাই পাওয়া যাবে। ভগবান বুদ্ধের কাছে যাবামাত্র তার মনে মূল্যের স্বভাব কী রকম বদলে গেল। কেন গেল। সনাতনের কবিতাটি স্মরণ ক’রে সেটি বুঝিয়ে দাও।

মধ্যাহ্ন

মধ্যাহ্নে পল্লীপ্রকৃতির বিচিত্র বর্ণ গন্ধ শব্দ ও চঞ্চলতার সঙ্গে কবিচিত্তের একাত্মকতা এই কবিতার বর্ণনীয় বিষয়। সেটি গদ্য ভাষায় লেখো।

আদর্শ প্রশ্ন