প্রধান মেনু খুলুন

===ੱਕੇ। গত ফাঙ্কনের ( ১৩১৯ ) সাহিত্যে’ শ্ৰীযুক্ত ঋতেন্দ্রবাবুর 'কানকাটা ঐতিহাসিক তথ্য নির্ণীত হইয়াছে। তথ্যটি সত্য কিংবা অসত্য আলোচিত হইবার পূৰ্ব্বে একটা সন্দেহ স্বতঃই মনে উঠে, ঠাকুরমশাই প্রবন্ধটি হাসাইবার অভিপ্রায়ে লেখেন নাই ত ? কেন না, ইহা সত্যসত্যই সত্য আবিষ্কারের চেষ্টা এবং যথার্থই সত্য, তাহা মনে করিলেও দুঃখ হয় । তবে যদি হাসাইবার অভিপ্রায়ে লিখিয়া থাকেন, তাহ হইলে প্রবন্ধটি নিশ্চয়ই সার্থক হইয়াছে। কিন্তু, আর কোন উদ্দেশু থাকিলে বোধ করি ব্যর্থ হইয়াছে এবং হওয়াই মঙ্গল যাহা হউক, উক্ত প্রবন্ধে ঠাকুরমশাই বলিয়াছেন, “কানকাটা, কন্দকাটা, বা উড়িষ্যার থোন জাতিরা বাইবেল-কথিত কানানাইট জাতি ভিন্ন আর কিছুই নয়।” এই ‘কিছুই নয়’টি প্রমাণ করিবার জন্ম তিনি এই উভয় জাতির মধ্যে অনেক সাদৃত লক্ষ্য করিয়াছেন এবং তিতত্ব আবিষ্কার করিয়াছেন। তামার এক আত্মীয় সেদিন বলিতেছিল, আজকাল বাঙ্গলাদেশে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বর লেখক সবাই । কেবল ঝগড়া করিতে চায়— সুমের আঁতুড়-ঘর পশ্চিমমুখো, কিংবা পুৰ্ব্বমুখো ছিল । কথাটা তাহার নিতান্ত মিথ্যা নয় দেখিতেছি । কিন্তু জাতিতত্ত্ব জিনিসটি শুধু যদি খেলনার জিনিস হইত, কিংবা সখ করিয়া খান-দুই এ-ও-তা বই নাড়াচাড়া করিলেই ইহাতে ব্যুৎপত্তি জন্মিত, তাহা হইলে আমার এ প্রতিবাদের আবশ্বকতা ছিল না। কিন্তু তাহা নহে। সত্য-উদঘাটন —চুটুকি গল্প লেখা নহে। অতএব, জাতিতত্ত্ববিং বলিয়া প্রবন্ধ লিখিয়া খ্যাতি অর্জন করিবার পূৰ্ব্বে কিছু সলিড পরিশ্রমের আবশ্বক। সুতরাং, যে দুর্ভাগার অনেকদিন ধরিয়া গায়ের অনেক রক্ত জল করিয়া নীরস বইগুলি ঘাটিয়া মরিয়াছে, এ ভার তাহাদের উপর দিয়া নিশ্চিন্ত-মনে সরস কবিতা এবং রসাল সাহিত্যিক প্রবন্ধে বা গল্পে মনোনিবেশ করাই বুদ্ধির কাজ। খান দুই বই প্রাসা ভাসা রকম দেখিয়ালইয়া এবং গোটা দুই সাদৃশু উপরে উপরে মিলাইয়া দিয়া একটা অভিনব সত্য প্রচার করিতে পারা সাহসের পরিচয় সন্দেহ নাই; কিন্তু এ-সাহসে কাজ হয় না, শুধু অকাজ বাড়ে। যেমন, র্তাহার দেখা-দেখি আমার অকাজ বাড়িয়া গিয়াছে এবং যে হতভাগ্যেরা এগুলো পড়িবে, তাহাদের ত কথাই নাই। অবশু, পুরুষমাছুষের সাহস Vi:: শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ থাকা ভাল, কিন্তু একটু কম থাকাও আবার ভাল। বী হউক, কথাটা এই – ঠাকুরমশাই উড়িষ্কার (কলিঙ্গ ) খোদ এবং বাইবেলের কানানাইটের মধ্যে গুটি পাঁচ-ছয় মিল দেখিয়াই উভয়কেই সহোদর ভাই বলিয়া স্থির করিয়াছেন, কিন্তু গরমিলের ধার দিয়াও যান নাই। অবশ্য গরমিল দেখিতে যাইবার অসুবিধা আছে বটে, এবং এই অসুবিধা ভোগ না করিয়াও যা হউক একটা কিছু লেখা যায় সত্য, কিন্তু তাহাকে সত্য আবিষ্কার বলে না। যাহা বলে যাহা পিকউইক পেপারের আরম্ভটা । তা ছাড়া, শুধু সাদৃশ্য দেখিয়াই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যে কত বিপজ্জনক তাহার একটা সামান্ত দৃষ্টান্ত দিতেছি। এই সেদিন চন্দ্রগ্রহণ উপলক্ষে বাড়ির ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা থালায় জল লইয়ু ই করিয়া বসিয়াছিল। গ্রহণ লাগিলে তাহারা দেখিবে । হঠাৎ শাশুড়ী ঠাকরুণ বলিলেন, “ই বেীমা, কালীচরণ যে পাজি দেখে বলে গেল, সাতটার পূৰ্ব্বেই গেরণ লাগবে, সাতটা ত বেজে গেল, কৈ একবার ভাল করে পাজিট দেখ দেখি গা ।” দেখিলাম, পাজিতে লেখা আছে, দর্শনাভাব’ ! বলিলাম, “গেরণ হয়ত লাগবে, কিন্তু দেখা যাবে না।” ঠাকরুণ বিশ্বাস করিলেন না, বলিলেন, “সে কি কথা বোমা ? কালী যে বেশ করে দেখে বলে গেল, দশানা ভাব দেখা যাবে, আর তুমি বলছ একেবারেই দেখা যাবে না ? এ কি হয় ? দশানা না হউক আটান, আটানা না হউক চার আনাও ত দেখতে পাওয়া চাই।” কালীচরণকে ডাকানো হইলে আমি আড়ালে থাকিয়া বলিলাম, “সরকারমশায়, পাজিতে দর্শানাভাব লেখা আছে—গেরণ ত দেখতে পাওয়া যাবে না।” কালীচরণ হাসিয়া বলিল, “বেীমা, কৰ্ত্তা স্বর্গে গেছেন—তিনি বলতেন, গায়ের মধ্যে পাজি দেখতে যদি কেউ থাকে ত সে কালী। ঐ যার নাম দর্শনাভাব, তারই নাম দশানাভাব ! শুদ্ধ করে লিখতে গেলে ঐ রকম লিখতে হয় ! এ বড় শক্ত বিস্তে বেীমা, পাজি দেখে দেওয়া যে সে লোকের কাজ নয়।” আমি অবাক হইয়া গিয়া 'রেফের’ উল্লেখ করিয়া বলিলাম, “শ’য়ের মাথায় ঐ খোচাটার মত তবে কি রয়েচে ? ‘আ’কারটা এদিকে না থেকে ওদিকে কেন ?” কিন্তু আমার কোন কথাই খাটিল না। কালীচরণ সাদৃশ্য দেখিতে পাইয়াছে—সে হটিল না। বরং আরো হাসিয়া বলিল, “বেীমা, ওগুলো শুধু দেখবার বাহার। ছাপাড়েরা মনে করেছে, ঐগুলো দিলে বেশ দেখতে হবে । শোননি, লোকে কথায় বলে—যেন ছাপাড়ের বিস্তে । ওগুলো কিছুই নয়।” এই বলিয়া সে দর্শনাভাব’কে দশানা ভাবে স্বপ্রতিষ্ঠিত করিয়া জয়োল্লাসে হাদিতে হাসিতে বাহির হইয় গেল। তবু, সে বা ড়র গোমস্তা—ব্যাকরণ পড়ে নাই। সে-রাত্রে যদি সে ঠাকুরমশায়ের যত ‘য়-গ-ভ-গল্পোরভেদঃ শুনাইরা मिटङ नाब्रिङ, उांश श्रण आभांद्र बांद्र भूथ cमथाश्वाद्र *थ पाकिउ न । बाइ হউক, এ-সব ঘরের কথা,--না বলিলেও চলিত এবং কালীচরণ শুনিলে হয়ত দুঃখ père, কানকাটা করিযে, কিন্তু সামান্ত ‘রেফ’টাকে তুচ্ছ করিয়া, দর্শনাভাব’টাও যে দশানাভাবে দাড়ায়, এমন কি, সাদৃশ্যের জোরে এবং 'র-ল-ড'য়ের সাহায্যে এশিয়া মাইনরের কানানাইটও কলিঙ্গের কানকাটায় ষোল আনা রূপান্তরিত হয়, এই তুচ্ছ কথাটাই আজ ঠাকুরমশায়কে সবিনয়ে নিবেদন করিবার বাসনা করিয়াছি। এখন কোন পাঠক যদি ধরিয়া বসে দশানাটা বুঝি, ষোল আনাটা কি ? তাহা এই । উক্ত প্রবন্ধে ঠাকুরমশায় শুরুতেই বলিতেছেন—“পাঠক শুনিয়া বিস্মিত হইবেন যে, এই কাননাইটদিগের সহিত [উড়িষ্যার] কানকাটার ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ আছে” (দশানা-ভাব )। পরেই বলিতেছেন—“কানানাইটরা ইম্রেল-প্রবাসী কানকাট ছাড়া আর কিছুই নয়” ( ষোল আন ভাব ) । পাঠকেরা যে রীতিমত বিশ্মিত হইবে, তাহা তিনি ঠিক ধরিয়াছেন। এমন কি, চন্দ্রগ্রহণের রাত্রের অপেক্ষাও। যাহা হোক, এই ষোল আনার স্বপক্ষে ঠাকুরমশায় বলিতেছেন—“ইহাদিগের উভয়ের দেবতা, উভয়ের আচার-প্রথার মধ্যে আশ্চৰ্য্য সাদৃশ্য। উভয় জাতির আচার-প্রথা, উহাদিগের দেবদেবী ইত্যাদি সকল বিষয় আলোচনা করিলে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, কানানাইট ও কানকাটা উহারা উভয়ে একজাতীয় জীব । *প্রথমে উহাদের দেবতা ও নরবলিদান-প্রথা বিষয়ে যে কিরূপ ঐক্য, তাহাই দেখাইতেছি । ভারতের কানকাটা বা কন্ধকাটারা যদিও নানা দেবদেবীর উপাসনা করে বটে, কিন্তু তাহাদের সর্বপ্রধান দেবতা—ভূমির উর্বরা শক্তির দেবতা বা ভূ-দেবী “তারী বা তাড়ী’ । ভূমির উর্বরাশক্তি এই দেবীর উপরেই নির্ভর করে বলিয়াই তাহাদের বিশ্বাস । এই দেবীর পস্তোষের জন্যই বিশেষ কৰ্ম্মে তাহারা নরবলি বা শিশুবলি দিতে প্রবৃত্ত হয়।” এই উভয় জাতির দেবতা যে একই দেবতা, তাহা দেখাইবার জন্য ঋতেন্দ্রবাবু বলিয়াছেন, “কানানাইটদিগেরও প্রধান দেবতা উর্বর শক্তির দেবী । Their chief deity Astarte, the goddess of fertility.” “oform of stor ol of (Tari ) e Fratafsɛft:fy që Ishtar (àrz ) qi Astarte ( sifisië) উহার একই শব্দের বিভিন্নরূপ মাত্র, কেবল দেশভেদ উচ্চারণভেদ ঘটিয়া সামান্ত বৈলক্ষশ্য উৎপাদন করিয়াছে। যেমন সংস্কৃত 'তার' বা তারকা' শব্দে পূর্বের 's' যুক্ত হইয়া star হইতে দেখা যায়, সেইরূপ এই তারা’ শবের পূৰ্ব্বে 's' বা as যুক্ত হইয়া ishtar বা Astarte-রূপে পরিণত হইয়াছে। উচ্চারণকালে 'ট’য়ে ড'য়ে বিশেষ প্রভেদ নাই।’ ইত্যাদি, ইত্যাদি যেহেতু 'র-ল-ড লয়োরভেদঃ ' প্রথমে এই দেীটির আলোচনা প্রয়োজন । ঐক্য যাহা থাকিবার তাহা ত উনিই একরকম দেখাইয়াছেন, অনৈক্য কোথায়, তাহাই বলা আবশ্যক । ঋতেন্ত্রবাবু যেই দেখিতে পাইলেন উর্বর শক্তি অমনি দুইটাকে এক করিয়া ফেলিলেন । কিন্তু উর্বরা শক্তি মানে কি জমির উৰ্ব্বর শক্তি ? নারীর সন্তান

    • अंब्र६-मांश्छिा-ज९aश्

প্রসব করিবার শক্তিকে কি বলে ? উহার কথাটা ঐ পর্য্যপ্ত সত্য যে, উভয় জাতিই উর্বর শক্তির পূজা করিত, কিন্তু কানানাইটরা যে উর্বর শক্তির পূজা কম্বিত তাহা জমির ময়, নারীর । কারণ, যে চিহ্ন ( symbol) দ্বারা মাসটার্ট দেবীটিকে প্রকাশ করা হইত, এবং যে কারণে দেবীর মন্দিরে 'temple prostitution' disfire fon, or cog “the licentious worship of the devotees of Astarte in her temple in Tyre and Sidon rendered the names of these cities synonymous with all that was wicked” stol ভূমির উর্বর শক্তি হইতেই পারে না। পুরাতন ধৰ্ম্ম-সম্বন্ধীয় ইতিহাসের ষে কোন একটা খুলিয়া দেখিলেই পাওয়া যায়, Astarte কে Venus দেবীর সহিত তুলনা won zestts I west-Astarte the Syrian Venus Stat E-crit নয় । আরো একটা কথা, এই খোন্দদিগের তাড়ী দেবীর মত কানানাইটদের আসটার্ট সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ দেবতা ছিলেন না। ইনি বাল' দেবতার পত্নীরূপেই পূজা পাইতেন। দেশে যতগুলি বালিম ছিলেন, ততগুলিই বিভিন্ন আসটার্ট ছিলেন। এমন কি, এই দেবীটিকে কোন কোন স্থানে শম্বাল পর্য্যন্ত বলা হইয়াছে। ‘শেম্বাল’ অর্থে বালদেবতার ছায়া । ইনি পরে অনেকগুলি নামে অভিহিত হইয়াছিলেন । ( 2, Kings 28, 13 ) । বাইবেলে অভ্যান্টারথ বলা হইয়াছে। wrota Tszzo isoto of HTCŞā “The Astarte given to Hellas under the alias of Aphrodite came back again as Aphrodite to Astarte's old Sanctuaries” fss Ēsta Hfzstof RTR fişøs ‘witz-in’ সুতরাং "তাড়ী’র সহিত যদি কাহারো সম্বন্ধ থাকা উচিত ত এই আশেরার, আসটাটের নয়। আমার ব্যাকরণে তেমন বোধশোধ নাই, থাকিলেও যে এই ‘জ্ঞাশেরী’ শব্দটাকে "র-ল-ড'য়ের জোরে তাড়ী’ করিয়া তুলিতে পারিতাম, সে ভরসা ত জোর করিয়া পাঠককে দিতে পারিলাম না । তারপরে নরবলির কথা । পৃথিবীর যে সমস্ত প্রাচীন জাতি ভূ-দেবীর পূজা করিত এবং প্রসন্ন করিতে নরবলি দিত, তাহাদের মধ্যে না পাই কোথাও আসটার্ট দেবীকে, না পাই র্তাহার ভক্ত কানানাইটদিগকে। পাইলেও ত মনে হয় না, তাহা এমন কিছু প্রমাণ করিত যে, খোন্দ এবং কানানাইট একই ধর্শ্বের আইন-কাল্গুন মানিয়া sfintfĘn i yfirst-strafiątą wtf?at sffststal (Indians of Guayaquil) জমিতে , বীজ বপন করিবার দিনে নরবলি দিত। প্রাচীন মেক্সিকোর অধিবাসীরা Conceiving the maize as a personal being who went through the whole course of life between seed time and harvest, sacrificed new-born babies when the maize was sown, older Motor कांमश्का? children when it had sprouted and so on till it was fully ripe when they sacrificed old men." otrofāzi şfix Estat "fr fs sfērs প্রতি বৎসর নরবলি দিত। দক্ষিণ-আফ্রিকার প্রাচীন কঙ্গোর রাণী "used to sacrifice a man and woman in March ; they were killed with spades and hoes." forfã estatoto *A* *so “It was the custom annually to impale a young gill alive soon after the spring equinox in order to secure good crops. A similar sacrifice is still annually offered at Benin." contal effects sin on for ww. নরবলি দিত। আমাদের ভারতবর্যের গোড়েরাও এক সময়ে ভূমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করিতে ব্রাহ্মণশিশু চুরি করিয়া আনিয়া ভূ-দেবীর সম্মুখে বিষাক্ত তীর দিয়া বিদ্ধ করিয়া হত্যা করিত। অস্ট্রেলিয়ার অসভ্য অধিবাসীরাও একটি কন্যাকে জীবন্ত পুতিয়া ফেলিয়া ভূ-দেবীকে প্রসন্ন করিত এবং সেই গোরের উপর সমস্ত গ্রামের শস্তবীজ চুপড়িতে করিয়া রাখিয়া যাইত। তাহারা বিশ্বাস করিত, মেয়েটি দেবতা হইয়া ঐ সমস্ত বীজের মধ্যে প্রবেশ করিবে এবং শস্য ভাল হইবে । otēla fore “sacrificed red-haired man to satisfy corn-god.” সাইবেরিয়াতেও এইরকম বলির প্রথা ছিল । ইহার কেহ আমেরিকায়, কেহ আফ্রিকার, কেহ এশিয়ার, কেহ অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা । একই রকমের ভূ-দেবী পুঞ্জ। ঐক্য দেখিয়া মনে হয়, ইহারা সকলেই এক একবার কানকাটার দৈশে আসিয়া শিখিয়া গিয়াছিল। কিন্তু কবে কেমন করিয়া আসিয়াছিল, সে কথা ইতিহাসে লেখে না, অতএব বলিতে পারিলাম না । ঠাকুরমশায় Encyclopaedia Britannica হইতে উন্ধ,ত করিয়া বলিয়াছেন, “কানানাইটের দেশে numerous jars with the skeletons of Infants of God formit5, we cannot doubt that the sacrificing of children was practised on a large scale among the Cananites.” (a for oil of safetal fors of fit কটাহের মধ্যে আশের দেবীকে নিবেদিত করিত ; কিন্তু তিনি কোথায় পাইলেন-খোমোরাও শিশু বলি দিয়া ভূ-দেবীকে নিবেদন করিত ? তাহারাও শিশু হত্যা করিত সত্য, কিন্তু সে হত্যা দেবতার নৈবেণ্ডের জন্য নয়। অনেকটা দারিদ্র্যের ভয়ে, অনেকটা ভূত-প্রেতের দৃষ্টি লাগিয়াছে এই কুসংস্কারে। হত্যা করা মানেই বলি দেওয়া নয়। তবে, কানানাইটদের কটাইের (jars ) সঙ্গে-এইটুকু মাত্র ঐক্য আছে যে, কম্বকাটারাও বড় বড় জালা জলপূৰ্ণ করিয়া তাহাতে শিশুটিকে ডুবাইর মারিত ! কারণ, আর কোনরূপে হত্য করা তাহারা বিধিসঙ্গত মনে ক্ষরিত মা ! কথাটা কোথায় vÉNe? a۹سته अंद्र६-मांहेिडा-जरअंई পড়িয়াছি মনে করিতে পারিতেছি না, কিন্তু কোথায়ু ধেন পড়িয়াছি, কে একজন এক বৃদ্ধ খোলকে প্রশ্ন করিয়াছিল, “বাপু, তোমরা এমন যন্ত্রণ দিয়া বধ কর কেন, আর কোন সহজ উপায় অবলম্বন কর না কেন ?” সে জবাব দিয়েছিল, "এ-ছাড়া আর কোন উপায়ে মারা ভয়ঙ্কর পাপমু'। কটাহের ঐক্য এই যা। সে দশ জানাই হউক আর ষোল আনাই হউক।” ঋতেন্ত্রবাবু বাইবেলের উক্তি উদ্ধত করিয়া বলিয়াছেন, "শিশুঘাতক কানানাইটরা যে সকলকে কিরূপ বিপন্ন করিয়া তুলিয়াছিল" ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু কলিঙ্গের খোদের কবে কাহাকে এমন করিয়া বিপন্ন করিয়া তুলিয়াছিল, এবং কোন দিন কাহার ছেলেমেয়ে চুরি করিয়া আনিয়া দেবতার পূজা দিয়াছিল, তাহা আমার জানা নাই। তাহারা যাহাকে ভূ-দেবীর কাছে বলি দিত তাহাকে ‘মিরিয়া’ বলিত, এবং এই মিরিয়া, তা সে নর নারী যেই হউক, যৌবনপ্রাপ্ত না হইলে কিছুতেই দেবতাকে উৎসর্গ করা হইত না। তাহারা কানানাইটদের মত ছেলে চুরি করিয়া আনিয়া ষে বলি দিত না, তাহার একটা চড় প্রমান এই যে, তাহারা মরণাপন্ন ‘মিরিয়ার' কর্ণমূলে এই কথা উচ্চৈঃস্বরে আবৃত্তি করিতে থাকিত, “তোমাকে দাম দিয়া কিনিয়াছি—আমাদের কোন পাপ নাই—কোন পাপ নাই—আমরা নির্দোষ ।" কিন্তু, কানানাইটদের সম্বন্ধে এরূপ কিছু আবৃত্তি করিবার নিয়ম ছিল কি ? ছিল না । ঋতেন্ত্রবাবু নিজেও প্রবন্ধের এক স্থলে ম্যাকফাসন সাহেবের উক্তি উদ্ধত করিয়া দেখিয়াছেন, খোমোরা আর যাহাই হউক, চোর-ডাকাত ছিল না । তা ছাড়া, কামানাইটদের দেবমন্দিরে শিশুর পঞ্জর দেখিতে পাওয়াটা ঠাকুরমশায়ের স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেয় মা বরং বিপক্ষে দেয়। তিনি লিথিয়াছেন, কানামাইটদের দেবমন্দিরাদি খনন করিতে করিতে পুরাতত্ত্বানুসন্ধানীরা এমন বৃহদাকার পাত্র আবিষ্কার করিয়াছেন, যাহার মধ্য হইতে শিশুর সমস্ত পঞ্চর প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছে। এ-সকলই দেবোদেশে শিশু-বলিদানের নিদর্শন বলিয়৷ পণ্ডিতেরা স্বীকার করেন ।” আমিও করি। কিন্তু, তিনি একটু নিরীক্ষণ করিয়া দেখিলেই দেখিতে পাইতেন, ইহাদের বলির শিশুগুলি ভূমির উর্বর শক্তি বৃদ্ধিকল্পে ভূ-দেবীকে উৎসর্গ করা হইলে তাহাদের সমগ্র অস্থিপঞ্জর পাওয়া ত ঢের দূরের কথা, এক টুকরা হাড়ও মিলিত না। কারণ, পূর্বেই দেখিয়াছি, যাহারাই ভূ-দেবীর প্রীত্যৰ্থে নরবলী দিয়াছে, তাহারাই মৃতদেহটাকে কোন-না কোন রকমে ভূমির সঙ্গে মিশাইয়া দিয়াছে। প্রত্নতত্ত্বাস্থসন্ধানীর জন্ত কটাহে করিয়া তুলিয়া রাখিয়া যায় নাই। উড়িষ্যার কন্দকাটারাও রাখে নাই। তাহারা মৃতদেহটাকে খণ্ড খণ্ড করিয়া গ্রামের সকলে মিলিয়া ভাগ করিয়া যে যাহার নিজের ক্ষেতে পুতিত এমন কি, অবশিষ্ট নাড়িজুড়ি হাড়গোড়গুলোকেও ছাড়িত না । বন্ধ \©ፃ• কানকাটা করিয়া জলে গুলিয়া জমিতে ছিটাইয়া তাহার উর্কর শক্তি বৃদ্ধি করিয়া তবে ক্ষম্ভ হইত। এত দূর ত দেবীমাহাষ্মে এবং তাহার পূজার নৈবেস্তে কাটিল। ইহাতে ঐক্য অনৈক্য যাহা আছে, তাহ বিচার করিবার ভার পাঠকের উপরে। ঋতেন্দ্রবাবু এইবার দ্বিতীয় ঐক্যের অবতারণা করিয়াছেন। বলিতেছেন—"যে যেখানে থাকে, তাহার সেই আবাসস্থানের তুল্য প্রিয় আর কি হইতে পারে ? তালগাছ কানকাটাদের আবাসবৃক্ষ ; এই কারণে তালগাছ ত উহাদের প্রিয় হইবেই। আবার এই তালগাছপ্রিয়তা কানানাইটদের মধ্যেও বড় অল্প লক্ষিত হয় না । কানানাইটরাও বড় তালগাছভক্ত জাতি। তালজাতীয় বৃক্ষ উহাদের এতই প্রিয় যে, কানানাইটদের অন্য তম শাখার নাম ফিনীলিয়। ( শব্দের উৎপত্তি তালজাতীয় গাছের নাম হইতে আসিয়াছে। ফিনীসিয় শব্দের উৎপত্তি "ফাইনিক’ শব্দ হইতে, *R of “To co-"phoenike signify the land of palms)”—ofte ‘ফইনল’ অর্থাৎ লাল রং ( scarlet ) হইতেও ফিনীসিয়া হওয়া অসম্ভব নয়। যা হউক, ঋতেন্দ্রবাবুর এ যুক্তিটা ঠিক বোঝা গেল না। কারণ, দেশের তাল গাছটিকে ভালবাসার মধ্যে লওয়াতে আশ্চৰ্য্য হইবার বিষয় ত কিছুই দেখিতে পাই না । কনাকাটাদের দেশে বিস্তর তালগাছ। তাহারা তালের কড়ি-বরগা করে, পাতার ঘর ছায়, চাটাই বুনিয়া শয্যা রচনা করে। বাইবেলের কানানাইটরাও পাম ( palm ) বড় ভালবাসে। কারণ, পাম’ তাহদের দেশের একটি অতি উপকারী বৃক্ষ এবং দেশে কাছে ৪ বিস্তর। কিন্তু ইহাতে কি প্রমাণ করে ? আমাদের হুগলি জেলায় আমগাছ, তা ফলও ভাল, কাঠও ভাল, অাছেও অনেক । আমরা আমগাছ ভালবাসি । বৰ্দ্ধমান জেলায় কাঠালগাছ বিস্তর । তারা ওটা খায়ও বেশী, গাছটাকেও স্নেহ করে-ইহাতে আশ্চৰ্য্য হইবার কি আছে ? কিন্তু ঋতেন্ত্রবাবু বলিতেছেন, “কারণ কি ? উভয়েরই জাতিগত একতা ও উভয়ের এক আদিম বাসভূমিই উহার কারণ।” কিন্তু কেন ? দেশের উপকারী গাছকে ভালবাসাই ত সঙ্গত এবং স্বাভাবিক। বরং উনি যদি দেখাইতে পারিতেন, কোন একটা বৃক্ষকে ভালবাসিবার ঠিক হেতু দেখিতে পাওয়া যাইতেছে না, অথচ উভয় জাতিই ভালবাসিয়াছে, তাহ হইলে একটা কথা হইতে পারিত। যেমন, শেওড়া গাছ। যদি দেখান যাইত, ঠাকুরবাড়ির ( জগন্নাথ ) লোকেও গাছটাকে শ্রদ্ধা করে এবং উড়িষ্কার কানকাটারাও করে, অথচ কেন করে বলা যায় না, তাহা হইলে নিশ্চয়ই উহাদের একজাতীয়তা সন্দেহ হইতে পারিত, কিন্তু এস্থলে কৈ, কিছুই ত চোখে ঠেকে না। আরো একটা কথা। কলিঙ্গ দেশের কানকাটার 'পাম’ তালগাছ, কিন্তু বাইবেলের কানানাইটদের দেশের পাম’ খেজুরগাছ। দুটোকেই সাহেবরা পাম' বলে, কিন্তু বাস্তবিক তাহার কি এক ? ফলের চেহারাতেও একটু প্রভেদ আছে, ওজনেও একটু কম-বেশী আছে। גיכ\ **९-जांहेिड-ज९ॐई তাল যতটা খেজুর ফলটার চেয়ে একটু বড়। একসঙ্গে রাখিলে মিশিয়া যায় মা, তাহা বোধ করি ঋতেন্দ্রবাবুও অস্বীকার করিবেন না। ভোজন করিতেও একরকম মনে হয় না। অতএব গাছ দুটোকে সাহেবরা যা ইচ্ছা বলুক, এক নয় । একটা তাল একটা খেজুর । ঋতেন্ত্রবাবুর চতুর্থ ঐক্য। বলিতেছেন, “এইবারে পাঠকগণ আর একটি বিষয়ে কলিঙ্গবাসী কানকাটা ও কানানাইটদিগের মধ্যে একতা লক্ষ্য করুন। সেটি উহাদের উভয়ের জাতিগত রক্তবর্ণপ্রিয়তা । তাহারা কি পুরুষ, কি রমণী, সকলেই ঘোর লাল রঙের কাপড় পরিতে পারিলে অন্ত কাপড় চায় না । বিশেষতঃ গঞ্জাম, বিশাখাপত্তন প্রভৃতি তাল কলিঙ্গ বা কানকাটার দেশের লোকেরা কাপড়ের পাকা লাগ বেগুনি রং করিতে সিদ্ধহস্ত । কানকাটারাও ঠিক কলিঙ্গবাসীদের স্তায় বড় লাল রংয়ের প্রিয় ! কানানাইটদের অন্যতম শাখা ফিনীসিয়ের কাপড়ের ঘোর লাল রং করিবার জন্য এতটা প্রসিদ্ধ হইয়া উঠিয়াছিল যে, অনেকে অনুমান করেন ‘ফইনল’ শষ হইতে তাহাদের ফিনীসিয়া নামের উৎপত্তি হইয়াছে।” ঘোরতর একত আছে, তাহা অস্বীকার করিতে পারিলাম না । কিন্তু দুই-একটা নিবেদনও আছে। প্রথম, এই যে, ফিনীসিয়র যে লাল রঙের কাপড় তৈরী করিত, তাহ ঘরে পুরিয়া রাখিত না, দেশে-বিদেশে বিক্রয় করি ত যাহার দাম দিয়া কিনি ত, তাহারাও লাল রংটাও পছন্দ করিত, এ অনুমান বোধ করি খুব অসঙ্গত নয়। বস্তুতঃ তখনকার লোকের লাল রংটার এত অধিক আদর করিত যে, ফিনীসিয়দের ঐশ্চৰ্য্য মুখ্যতঃ লাল ংয়ের কারবারেই। তাহার, যে সমস্ত জাতি বলিদান দিয়া ঠাকুর পূজা করিত ঠাকুরকে রক্ত পান করাইত, তাহারা সকলেই লাল রং ব্যবহার করিতে ভালবাসিত । কেন বাসিত, কেন দেব-দেবীকে লাল রংয়ের কাপড় পরাইত, কেন লাল ফুল, লাল জবা, লাল চমান দিয়া সন্তোষ করিতে চাহিত, সে আলোচনা করিতে গেলে অনেক কথা বলিতে হয় । এ প্রবন্ধে তাহার স্থান নাই, আবখকও নাই। স্বন্ধ এই স্কুল কথাটা বলিয়াই ক্ষান্ত হইতে চাই ষে, কেবল এই দুটো জাতিই ঘোর লাল রং ভালবাসিত না, সে সময়ে জগতের বার অান লোকেই ভালবাসিত । তার পরে রং তৈরীর কথা । বিদ্যাটা খুব সম্ভব ফিনীলিয়েরাও কানকাটার কাছে শিখে নাই, কানকাটারাও ফিনীসিয়ের কাছে শিখে নাই । কানকাটার অর্থাৎ কলিজবাসী খোমোর, গাছের রস এবং তৃণমূল দিয়া রং তৈরী করিত, কিন্তু ফিনীলিয়ের মুরে মাছের ("Murex-purple shell-fish ) মাংস সিদ্ধ করিয়া রং করিত। সুতরাং, विद्याझे ५कख श्रéन कब्र श्ब्र थाकिरण ७कद्रकय इ७ब्राहे नखद झिल ।। ७-शाइ? কানকাটার দেশের সমূত্রেও প্রাপ্য নয়। আর লাল রং ভালবাসাবাসিটা কি ५क9 ठूणनाइ यस श्रउ भाटद्र ? फेडद्र चाउिग्र :छांशश्राद्र नाथूथ् इिन कि मl, ५ \b१३ কানকাটা সব কোন কথাই উঠিল না। কথা উঠিল উভয়েই লাল রং ভালবাসিত। এ-রক্ষম ঐক্য আরো আছে। উভয় জাতিই চোখ বুজিয়া ঘুমাইতে ভালবাসিত, হাতে কিছু না থাকিলে হাত ফুলাইয়া চলিতে পছন্দ করিত,—এ-সব ঐক্যের অবতারণাই বা না করিলেন ক্লেন ? - ঠাকুরমশায়ের পঞ্চম ঐক্য-নামে । এটি সবচেয়ে চমৎকার । বলিতেছেন, কানানাইট-বংশীয় যে লোকটা ইম্রেলরাজ ডেভিডের শরীররক্ষী ছিল, তাহার নাম ছিল উড়িয়া ( Uriah ) এবং এই উড়িয়া নামটি কাকতালীয়বৎ হয় নাই। কেন না, কানানাইটেরা যে কলিঙ্গ বা উড়-দেশীয় লোক, সেকালে সকলেরই জানা ছিল । সেই কারণেই যেমন নেপালী বা ভূটিয়া ভৃত্য থাকিলে তাহার নিজ নামের পরিবর্তে নেপালী বা ভূটিয়া নামেই পরিচিত হয়, এ-ক্ষেত্রেও সেইরূপ হইয়াছে। উডু হইতে উড়িয়ার উৎপত্তি। ইশ্ৰেলী ভাষায় কি দেশের নামে, কি মমুন্যের নামে ইয়া’ অস্ত৷ শব্যের প্রচলন বড় অধিক । যথা—জোলিয়া, জেড়েকিয়া, হেজেকিয়া, সিরিয়া, ইত্যাদি ।” এই কারণেই উড়" শব্দের উপর ইয়া’ অন্ত শব্দ লাগাইয়া ইম্রেলী ভাষায় উড়িয়া হইয়াছে। অামার ও ছেলেবেলায় ডেভিড় কপারফিল্ডের উড়িয়া হিপকে উড়ে মনে হইত। ভাবিতাম, লোকটা বিলেত গেল কিরূপে ? এখন দেখিতেছি কিরূপে গিয়াছিল! আরও ভাবিতেছি, স্কানডেনেভিয়া, ঘটেভিয়া, সাইবিরিয়া প্রভৃতিও সম্ভবত: এমনি করিয়াই হইয়াছে। কারণ, এগুলোও একটা শর কি-না দারুণ সন্দেহ। বরং ইশ্ৰেলী ইয়া’ প্রত্যয়ে নিম্পন্ন হওয়াই সঙ্গত এবং স্বাভাবিক। অতএব, উড়িয়া" যে একটা শব্দ নয়, "উড়°ইয়া” তাহাও যেমন নি:সংশয়ে অবধারিত হইল, সেকালে সকলেই যে জানিত কানানাইটরা উত্ত্বদেশীয়, তাহাও তেমনি অবিসংবাদে স্থিরীকৃত হইল। বেশ । তবে, একটা তুচ্ছ কথা এই যে, ঐ উড়িয়া লোকটা ছাড়া আরও বিস্তুর উড়িয়া কাৰানাইট তথায় ছিল। ইশ্ৰেলদের সঙ্গে অনেক দিন অনেক রকমেই তাহাদের জালাপ । লড়ায়েও বটে, বিয়া-সাদিতেও বটে। আনন্দেও বটে, নিরানদেও ঘটে। খাইবেল এন্থে নাম করা হইয়াছেও অনেকবার, কিন্তু এমনি আশ্চৰ্য্য যে, তাহাদের কোম স্বদেশীয়কেই আর উড়িয়া বলিয়া আর করিতে শুনিলাম না। বোধ কৰি ইঞ্জেলরাজ ডেভিডের নিষেধ ছিল। বলা যায় না—হইতেও পারে। বড় ঐক্যের অবতারণা করিয়া ঠাকুরমশায় বলিতেছেন, "রাজা ডেভিড যে উডু-সপ্তান কানানাইটকে তাহার শরীররক্ষক প্রহরী পদে নিযুক্ত করিয়াছিলেন, তাহ সম্ভবতঃ তাহাদের জাতিগত গুণ দেখিয়া । বর্তমান কালে সে কানালাইট জাতির অস্তিত্ব লুপ্ত হইয়াছে বটে, কিন্তু সেই একই গোষ্টির কলকাটা এখনও ভারতের কমিদ খা अकृशान विन्नमान। यहे कषकान्नैोइ भारौद्रिक शतृ ग#न गषिनरे तूवा पात्र \}^\o শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ যে, বাস্তবিক তাহার শরীররক্ষক-পদে নিযুক্ত হইবার যোগ্য ! শুদ্ধ ইহাই নহে, রাজপ্রহরীর যে-সকল গুণ থাকা আবশ্বক, সে-সকলও তাহদের জাতির সাধারণ ধৰ্ম্ম বলিয়া গণ্য। কাপ্তেন ম্যাকফাসন লিখিয়াছেন,—“মিথ্যা কথা, প্রতিজ্ঞাভঙ্গ, গোপনীয় কথার প্রকাশ, এ-সকল কন্দের অধৰ্ম্ম এবং বীরের ন্যায় যুদ্ধে প্রাণত্যাগ ও যুদ্ধে শত্রুনাশ ধৰ্ম্ম বলিয়া গণ্য করে।" বেশ কথা। এই জন্য আমিও ইতিপূৰ্ব্বে বলিয়াছি, থোনের কানানাইটদের মত পরের ছেলে চুরি করিয়া বলি দিত না। কিন্তু খোন্দেরাই কি কানানাইটদের গোষ্ঠী, ফিনীসিয়রা নয় ? ঋতেন্দ্রবাবুও ইতিপূৰ্ব্বে দেখাইয়াছেন, এবং আমিও তাহার প্রতিবাদ করি নাই যে, কণনানাইটরা ফিনীসিয়দের উপশাখা মাত্র । এবং এইজন্যই তিনি লাল রং-প্রিয়তা, লাল রং তৈরীর ক্ষমতা, তালগাছ বা খেজুর গাছে স্নেহ, ফিইনস' শব্দ ইত্যাদি প্রসঙ্গ উত্থাপন করিয়া ফিনীসিয়দের সহিত অভিন্ন তা প্রমাণ করিতে যত্ব করিয়াছেন । বস্তুতঃ ফিনীসিয় ও কানামাইটে প্রভেদ নাই | প্রবন্ধের শেষে তিনি নিজেও স্পষ্ট করিয়া বলিয়াছেন, “ফিনীসিয়ুর কানানাইট জাতির অন্যতম শাখা ।” কিন্তু এই ফিনীসিয়দের নৈতিক চরিত্রট কিরূপ ? ইস্কুলের ছেলেরাও জানে, ফিনীসিয়রা চুরি-ডাকাতি, বিশ্বাসঘাতকতা, নরহত্যা প্রভৃতি সৰ্ব্বপ্রকার পাপেই সিদ্ধহস্ত ছিল। বাণিজ্য করিতে বিদেশে গিয়া নিজেদের নৌকা বা জাহাজ কোথাও লুকাইয়া রাখিয়া মাল-মসলা বিদেশী ক্রেতাদের সন্মুখে খুলিয়া ধরিত এবং যখন তাহারা নিঃসন্দিগ্ধ চিত্তে কেনা-বেচায় মগ্ন থাকিত, সুবিধা বুঝিয়া এই ফিনীসিয় ডাকাত বণিক তাহাদিগকে আক্রমণ করিয়া লুটপাট করিয়া লইত এবং যাহাকে পারিষ্ঠ ধরিয়া লইয়া নিজেদের জাহাঙ্গে উঠিয়া পাল তুলিয়া দিত। ইহাদিগকেই অন্তত্ব দাসরূপে বিক্রয় করিয়া অর্থ অর্জন করি ত। বাস্তবিক, এমন অন্যায়, এমন অধৰ্ম্ম, এমন নিষ্ঠুরতা ছিল না, যাহা এই ফিনীসিয়রা না করিত। দিনে যাহাদের অতিথি হইত, রাত্রে তাহাদের গলাতেই ছুরি দিত। এসব ইতিহাসের প্রমাণ করা কথা। অনুমান বা কল্পনা নহে। এমন জাতির জ্ঞাতি হইয়াও উড়িষ্যার কনাকাটার এত বড় ধাৰ্ম্মিক হইল কিরূপে । এবং এই ফিনীসিয় শীররক্ষী উড়িয়াই বা এমন যুধিটির হইলেন কি মনে করিয়া ? ঋতেন্দ্রবাবু যদি এতটুকু বৈজ্ঞানিক বিচারপদ্ধতি অবলম্বন করিতেন, তাহ হইলে দেখিতে পাইতেন, ফিনীসিয়র বা কানানাইটরা উড়িষ্কার খোঙ্গ জাতি হইলে নৈতিক চরিত্রে এমন আকাশ-পাতাল ব্যবধান হইত না। ইহার পরে তিনি রথের প্রসঙ্গ তুলিয়া বলিয়াছেন, "ইঞ্জেলরাজ ( সলোমন ] যে-সকল বিষয়ে কলিঙ্গবাসীদের অনুসরণ করিয়াছিলেন, তন্মধ্যে রথ ও মন্দিরাদি নিৰ্ম্মাণই । প্রধান উল্লেখযোগ্য "কলিঙ্গবাসীরা চিরদিন রখের আড়ম্বরে আরষ্ট রথের ধুমধাম, রখের জাকজমক কবিদের চারিদিকে। সলোমনের এক সহস্ৰ চাৰি শত রথ নিধিত্ব Øፃፀ কানকাটা হইয়াছিল।” হয় নাই এ-কথা কেহ বলে না। রাজা সলোমন অনেকগুলি লড়াই করিবার রথ প্রস্তুত করাইয়াছিলেন । ঋতেন্দ্রবাবু বলিয়াছেন, কলিঙ্গসস্তানেরা সেগুলি গড়িয়া দিয়াছিল। তাহা হইতে পারে এবং না হইতেও পারে। হইতে পারে এইজন্য যে, ঠাকুরুমহাশয়ের নিশ্চিত বিশ্বাস হইয়াছে যে, ফিনীসিয়র উড়ে-দেশের লোক । উড়ে-দেশে জগন্নাথের রথ আছে, সুতরাং তাহারাই সলোমনের রথ তৈরী করিয়াছিল । আমার বিশ্বাস হয় না এইজন্য যে, একে ত ফিনীসিয়র উড়ে নয়, তা ছাড়া রথ গড়িবার লোক আরও আছে। সলোমনের সময়ে, অর্থাৎ যীশুখৃষ্ট্রের হাজার বৎসর পূৰ্ব্বে কলিঙ্গে রথের ধুমধাম কিরূপ ছিল এবং তাহারা কিরূপ রথ তৈরী করিতে পারিত, আমার তাহা জানা নাই। দ্বিতীয় কারণ, রাজা সলোমনের প্রতিবাদী মিশরীয়েরা বহু পূৰ্ব্ব হইতে সুন্দর মজবুত রথ করিবার জন্য বিখ্যাত ছিল । তাহাদিগের রথাদি কিরূপে তৈরী হইত, তাহ দ্বিবিধ কি ত্রিবিধ, কি কাঠের চাকা ওৈরী হইত, সারথির কি কি জায়গীর প্রাপ্ত হইত, রথ-চালানো তাহাদিগকে জিমন্যাষ্টিকের মত কিরূপে রীতিমত অভ্যাস করিতে হইত, ইত্যাদি অনেক কথা বাল্যকালে মিশরের ইতিহাসে পড়িয়াছি। তাহা মনে নাই। মনে রাখিবার আবশ্বকও তখন দেখি নাই । কিন্তু এটা মনে আছে যে, প্রাচীন মিশরীয়ের চমৎকার রথ গড়িতে পারিত। এবং ইহাও মনে হইতেছে, কিছুদিন *LK Struggle of the Nations *STT3 দ্বিতীয় কি তৃতীয় অধ্যায়ে দেখিয়াছি, একজন আসরিয় রাজা ফারাওর ( মিশরের রাজ ) .নিকট পরাজিত হইয়া এই বলিয়া দুখ করিয়াছিল, "যদি উহাদের মত লড়াই করিবার রথ থাকিত, তাহা হইলে এ দুর্দশ ঘটিত না ।” ফল কথা, তখনকার লোকে রথের উপকারিতা বুঝিত এবং সলোমনের মত বুদ্ধিমান ও ভুবনবিখ্যাত নরপতিও তাহা বুঝিয়াছিলেন এবং সেইজন্যেই অত রথ তৈরী করাইয়াছিলেন । কিন্তু কথা এই, কে গড়িয়াছিল ? উড়িষ্যাবাসীরা কিংবা মিশরবাসীরা ? বাইবেল গ্রন্থে লেখা আছে, রাজা সলোমন মিশরের রাজকন্যাকে বিবাহ করিয়াছিলেন এবং মিশরের সহিত আত্মীয়তা সুত্রে আবদ্ধ হইয়াছিলেন “(I Kings 3, 1 and Solomon made affinity with Pharaoh king of Egypt and took Pharoh’s daughter &c)” এমন অবস্থায় কেমন করিয়া নিঃসংশয়ে স্থির করা যাইতে পারে, রথগুলি কুটুম্ব এবং প্রতিবাসী মিশরীরেরা গড়িয়া দেয় নাই, দিয়াছিল কলিঙ্গবাসীর জ্ঞাতি কানানাইটরা । অতঃপর ঋতেন্দ্রবাবু প্রমাণ দিতেছেন, "রাজা সলোমন-প্রতিষ্ঠিত নগরের নাম তাড়মর'—এটি সংস্কৃতমূলক কলিঙ্গ নাম। অর্থাৎ ‘তাল’ বা তাড় একই কথা ।” তা হইতে পারে। কেন না, র-ল-ডয়ের জোরে ইতিপূৰ্ব্বে জাশের তাড়ী হইয়াছে। এখন তাল’কে তাড়া করিতে আপত্তি কারণে লোকে আমাকেই নিম্ব কৱিবে । কিন্তু জিজ্ঞাসা করি, ঐ শব্দটা কি কলিজ & ዩጋፃፅ भवंद्भ९-नॉश्छिj-ज९७थंइ ছাড়া জায় কোন উপায়েই ইত্রেলী ভাষায় ঢুকিতে পারে না ? তা ছাড়া, তাল’টা मी रुग्र ‘उiफ़' रुहेश, किरू ‘भद्र' कि ? माझे हल्लेक, ७हे ‘उोफ़भइ' नषष्क श्रांघांद्र কিছুই জানা নাই, স্বতরাং এ বিচার ভাষাবিদেরা করিবেন-আমি চুপ করিয়া রছিলাম। কিন্তু, পরিশেষে আমার একটু বক্তব্যও আছে। সেটা এই যে, “কানকাটা বলে, আমি তালগাছে থাকি, যে ছেলেট কাদে তার কাধটি ধরে নাচি” ছড়া-কবির গানটির উপর নির্ভর করিয়া ঋতেন্ত্রবাবু টানিয়া-বুনিয়া যে-সব ঐক্য সংগ্রহ করিয়া বাইবেলের কানানাইটকে উড়িষ্যার কানকাট বানাইয়াছেন, তাহার অনৈক্যও আছে। সেইগুলিকে অস্বীকার করা উচিত হয় নাই। হইতে পারে র্তাহার কথাই ঠিক, আমার ভুল, কিন্তু মিল-অমিল যখন দু-ই আছে, তখন উভয়কেই চোখের স্বমুখে রাখিয়াই তাহার বৈজ্ঞানিক সত্যে উপনীত হওয়া উচিত ছিল। আমি এতক্ষণ এই কথাটাই বলিবার প্রয়াস পাইয়াছি মাত্র, আর কিছুই নয়। তবে বাংলা ভাষায় আমার কিছুমাত্র দখল নাই, তাই হয়ত কথাগুলাও গুছাইয়া বলিতে পারি নাই এবং ঠাকুরমশায়ের কাছে তেমন শ্রুতিমধুর ও সুখপাঠ্য করিয়াও তুলিতে পারি নাই। তথাপি আশা করিতেছি, এই কিঞ্চিৎকর প্রতিবাদ যদি তাহার দৃষ্টি আকর্ষণ করে ত তিনি নিজগুণে এ-কটি মার্জন করিয়া লইয়া পড়িবেন, এবং ভবিষ্কাতে আর কখন এমন ত্রুটি না করিতে হয়, সে ব্যবস্থাও দয়া করিয়া করিবেন। --শ্ৰীমতি আনিলা দেবী (যমুনা, আষাঢ় ১৩২• ) , ♥ፃቁ