প্রধান মেনু খুলুন

మ8షా মুকুট প্রথম পরিচ্ছেদ ত্রিপরার রাজা অমরমাণিক্যের কনিষ্ঠ পত্র রাজধর সেনাপতি ইশা খাঁকে বলিলেন, “দেখো সেনাপতি, আমি বার বার বলিতেছি, তুমি আমাকে অসম্মান করিয়ো না।” পাঠান ইশা খাঁ কতকগুলি তীরের ফলা লইয়া তাহাদের ধার পরীক্ষা করিতেছিলেন। রাজধরের কথা শুনিয়া কিছুই বলিলেন না, কেবল মুখ তুলিয়া ভুর উঠাইয়া একবার তাঁহার মুখের দিকে চাহিলেন । আবার তখনই মলখ নত করিয়া তীরের ফলার দিকে মনোযোগ দিলেন। রাজধর বলিলেন, "ভবিষ্যতে যদি তুমি আমার নাম ধরিয়া ডাকো, তবে আমি তাহার সমচিত প্রতিবিধান করিব।” বদ্ধ ইশা খাঁ সহসা মাথা তুলিয়া বজ্রস্বরে বলিয়া উঠিলেন, “বটে!” রাজধর তাঁহার তলোয়ারের খাপের আগা মেঝের পাথরের উপরে ঠক করিয়া ঠকিয়া বলিলেন, “হাঁ।” ইশা খাঁ বালক রাজধরের বক-ফলানোর ভঙ্গি ও তলোয়ারের আস্ফালন দেখিয়া থাকিতে পারিলেন না, হা হা করিয়া হাসিয়া উঠিলেন । রাজধরের সমস্ত মখে, চোখের সাদাটা পৰ্যন্ত লাল হইয়া উঠিল। ইশা খাঁ উপহাসের স্বরে হাসিয়া হাত জোড় করিয়া বলিলেন, “মহামহিম মহারাজাধিরাজকে কী বলিয়া ডাকিতে হইবে । হজর, জনাব, জাঁহাপনা, শাহেন শা—” রাজধর তাঁহার স্বাভাবিক ককশ স্বর বিগণে ককাশ করিয়া কহিলেন, “আমি তোমার ছাত্র বটে, কিন্তু আমি রাজকুমার— তাহা তোমার মনে নাই!” ইশা খাঁ তীব্রস্বরে কহিলেন, “বস! চুপ! আর অধিক কথা কহিয়ো না। আমার অন্য কাজ আছে।” বলিয়া পুনরায় তীরের ফলার প্রতি মন দিলেন । এমন সময় ত্রিপরার দ্বিতীয় রাজপত্রে ইন্দ্রকুমার তাঁহার দীঘ প্রশস্ত বিপলে বলিষ্ঠ দেহ লইয়া গহে প্রবেশ করিলেন। মাথা হেলাইয়া হাসিয়া বলিলেন, “খাঁসাহেব, আজিকার ব্যাপারটা কী।” ইন্দ্রকুমারের কন্ঠ শনিয়া বন্ধ ইশা খাঁ তীরের ফলা রাখিয়া সস্নেহে তাঁহাকে আলিঙ্গন করিলেন ; হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “শোনো তো বাবা, বড়ো তামাসার কথা। তোমার এই কনিষ্ঠটিকে, মহারাজচক্লবতী কে, জাঁহাপনা জনাব বলিয়া না ডাকিলে উহার অপমান বোধ হয়!" বলিয়া আবার তীরের ফলা লইয়া পড়িলেন। “সত্য নাকি!”—বলিয়া ইন্দ্রকুমার হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিলেন। রাজধর বিষম ক্ৰোধে বলিলেন, "চুপ করো দাদা?” । ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “রাজধর, তোমাকে কী বলিয়া ডাকিতে হইবে। জাঁহাপনা ! शा झा झा शा !” o: * ᏜᏓᎴO গল্পগুচ্ছ রাজধর কাঁপতে কাঁপতে বলিলেন, "দাদা, চুপ করো বলিতেছি।” ইন্দ্রকুমার আবার হাসিয়া বলিলেন, “জনাব।" ब्राछशब्र अक्षौब्र श्झा बलिट्लन, “मामा, ट्राध निष्ठान्ऊ निळ्बfथ ।” ইন্দ্রকুমার হাসিয়া রাজধরের পঠে হাত বলাইয়া বলিলেন, “ঠাণ্ডা হও ভাই, ঠাণ্ডা হও । তোমার বৃদ্ধি তোমার থাক, আমি তোমার বন্ধি কাড়িয়া লইতেছি "ן חל ইশা খাঁ কাজ করিতে করিতে আড়চোখে চাহিয়া ঈষৎ হাসিয়া বলিলেন, “উহার বখি সম্প্রতি অত্যন্ত বাড়িয়া উঠিয়াছে।” ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “নাগাল পাওয়া যায় না!" রাজধর গস গস করিয়া চলিয়া গেলেন। চলনের দাপে খাপের মধ্যে তলোয়ারখানা ঝন ঝন করিতে লাগিল। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ রাজকুমার রাজধরের বয়স উনিশ বৎসর। শ্যামবর্ণ, বেটে, দেহের গঠন বলিষ্ঠ। সেকালে অন্য রাজপত্রেরা যেমন বড়ো বড়ো চুল রাখিতেন, ইহার তেমন ছিল না। ই হার সোজা সোজা মোটা চুল ছোটো করিয়া ছাঁটা। ছোটো ছোটো চোখ, তীক্ষা দটি। দাঁতগুলি কিছল বড়ো। গলার আওয়াজ ছেলেবেলা হইতেই কেমন ককশ। রাজধরের বন্ধি অত্যন্ত বেশি এইরুপ সকলের বিশ্বাস, তাঁহার নিজের বিশ্বাসও তাই। এই বন্ধির বলে তিনি আপনার দই দাদাকে অত্যন্ত হেয়ঙ্কান করিতেন । রাজধরের প্রবল প্রতাপে বাড়িসন্ধ সকলে অস্থির। আবশ্যক থাক না-থাক, একখানা তলোয়ার মাটিতে ঠাকিয়া ঠাকিয়া তিনি বাড়িময় কতৃত্ব করিয়া বেড়ান। রাজবাটীর করিয়া, প্রণাম করিয়া, কিছতে নিস্তার পায় না। সকল জিনিসেই তাঁহার হাত, সকল জিনিসই তিনি নিজে দখল করিতে চান। সে বিষয়ে তাঁহার চক্ষলজাটুকু পর্যন্ত নাই। একবার যবেরাজ চন্দ্রনারায়ণের একটা ঘোড়া তিনি রীতিমত দখল করিয়াছিলেন; দেখিয়া ববেরাজ ঈষৎ হাসিলেন, কিন্তু কিছু বলিলেন না। আর একবার কুমার ইন্দ্রকুমারের রপোর-পাত-লাগানো একটা ধনকে অম্বলানবদনে অধিকার করিয়াছিলেন; ईन्छकूभाव्र छाप्लेग्ना वणिालन, ‘rम८था, rय छिनिन लट्टेग्नाइ छेश आधि श्राव्र किब्राईब्रा লইতে চাহি না, কিন্তু ফের ঘদি তুমি আমার জিনিসে হাত দাও তবে আমি এমন করিয়া দিব যে, ও হাতে আর জিনিস তুলিতে পারবে না। কিন্তু রাজধর দাদাদের कथा बटप्ला शाश कर्गब्रटप्ठन ना । प्लाळक ठाँशाब्र आठव्रण ८मर्गभग्ना आफ़ाळल वालङ, ছোটোকুমারের রাজার ঘরে জন্ম বটে, কিন্তু রাজার ছেলের মতো কিছুই দেখি না।’ किन्छू भशब्राछ अभब्रभाणिक ब्राजथब्रहक किछ्द त्वणि छाप्लावानिटऊन। ब्राछथब्र ठाश छानिरष्ठन । आज त्रिद्धाब्र कारह णिम्ना ऐला भाँब्र नाटय नाकिनध्ण कर्गब्रटळन । ब्राजा ऎणा थाँzक छाकाईब्रा छानिएलन । वजिटनम, “ट्ननानाप्ठ, ब्राजकूभाब्रटमब्र এখন বয়স হইয়াছে। এখন উ-হাদিগকে যথোচিত সন্মান করা উচিত।” “बशब्राज बाणाकारण बथन आधाब्र काzह यदन्थ णिचका कब्रिाउन, ठथन बश श्रदङ्कल्ले Sty> ८वब्रएन नन्धान कर्गब्रद्धाभ-ब्राछकूभाब्रगणळक उठाश ठाc°ाचम कध नचान না।” রাজধর বলিলেন, “আমার অনুরোধ, তুমি আমার নাম ধরিয়া ডাকিয়ো না।” ইশা খাঁ বিদদেবেগে মুখ ফিরাইয়া কহিলেন, “চুপ করো বৎস! আমি তোমৰ পিতা সহিত কথা কহিতেছি। মহারাজ, মাজ’না করিবেন, আপনার এ কনিষ্ঠ পত্রীি রাজপরিবারের উপযুক্ত হয় নাই। ইহার হাতে তলোয়ার শোভা পায় না। এ বড়ো হইলে মনোশির মতো কলম চালাইতে শরিবে—আর কোনো কাজে লাগিবে না।” এমন সময়ে চন্দ্রনারায়ণ ও ইন্দ্রকুমার সেখানে উপস্থিত হইলেন। ইশা খাঁ তাঁহাদের দিকে ফিরিয়া বলিলেন, “চাহিয়া দেখন মহাপ্লাজ, এই তো যবেরাজ বটে ! এই তো রাজপত্র বটে।" রাজা রাজধরের দিকে চাহিয়া বলিলেন, “রাজধর, খাঁ-সাহেব কী বলিতেছেন । তুমি অস্ত্রবিদ্যায় উপহাকে সন্তুষ্ট করিতে পারো নাই ?” রাজধর বলিলেন, “মহারাজ, আমাদের ধনবিদ্যার পরীক্ষা গ্রহণ করন— পরীক্ষায় যদি আমি সব শ্রেষ্ঠ না হই তবে আমাকে পরিত্যাগ করবেন। আমি রাজবাটী ছাড়িয়া চলিয়া যাইব ।” রাজা বলিলেন, “আচ্ছা, আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা হইবে। তোমাদের মধ্যে যিনি উত্তীণ হইবেন তাঁহাকে আমার হীরকখচিত তলোয়ার পরস্কার দিব।” তৃতীয় পরিচ্ছেদ ইন্দ্রকুমার ধনবিদ্যায় অসাধারণ ছিলেন। শুনা যায় একবার তাঁহার এক অনচের প্রাসাদের ছাদের উপর হইতে একটা মোহর নীচে ফেলিয়া দেয়, সেই মোহর মাটিতে পড়িতে না পড়িতে তাঁর মারিয়া কুমার তাহাকে শত হাত দরে ফেলিয়াছিলেন – রাজধর রাগের মাথায় পিতার সম্মখে দম্ভ করিয়া আসিলেন বটে, কিন্তু মনের ভিতর বড়ো ভাবনা পড়িয়া গেল। যবেরাজ চন্দ্রনারায়ণের জন্য বড়ো ভাবনা নাই, তাঁর ছোঁড়া বিদ্যা তাঁহার ভালো আসিত না, কিন্তু ইন্দ্রকুমারের সঙ্গে আটিয়া উঠা দায়। রাজধর অনেক ভাবিয়া অবশেষে একটা ফন্দি ঠাওরাইলেন। হাসিয়া মনে-মনে বলিলেন, “তাঁর ছড়িতে পারি না-পারি, আমার বন্ধি তীরের মতো–তাহাতে नकळण कनकाई zख्म झग्न ।’ কাল পরীক্ষার দিন। যে জায়গাতে পরীক্ষা হইবে, যবেরাজ, ইশা খাঁ ও ইন্দ্রকুমার नई छभि उमाब्रक कब्रिटङ गिब्राटङ्न । ब्राखशब्र श्रानिग्ना बजिळणन, “माना, आज न्एणिfभा আছে— আজ রাত্রে যখন বাঘ গোমতী নদীতে জল খাইতে আসিবে, তখন নদীতীরে बाध-त्रिकाव्र कर्गब्रटङ cनटल इम्न व्ना ?” , ऐन्छकूभाब्र स्राथठब* श्ब्रा बजिळणन, “कौ चाथळ्यf । ब्राजथळग्रब्र प्य व्याख चिकाट्त्व প্রবত্তি হইল! এমন তো কখনও দেখা যায় না।" . ऐशा थाँ ब्राछथzब्रब्र धष्ठि घणाब्र कछेोचक निरकन कच्चिन्ना कशिप्लन, “छेनि जायाज्ञ णिकाब्रौ नन ? छैन जाज श्रार्ग७म्रा घटब्रन्न। बट्षा णिकान्त्र करब्रन । ऊं'झाम्न बर्फ़ा छम्नानक ぬbfミ গল্পগুচ্ছ শিকার। রাজসভায় একটি জীব নাই যে উহার ফাঁদে একবার-না-একবার না পড়িয়াছে।” চন্দ্রনারায়ণ দেখিলেন, কথাটা রাজধরের মনে লাগিয়াছে ; ব্যথিত হইয়া বলিলেন, “সেনাপতি-সাহেব, তোমার তলোয়ারও যেমন তোমার কথাও তেমনি, উভয়ই শাণিত— যাহার উপরে গিয়া পড়ে তাহার মম"চ্ছেদ করে।” রাজধর হাসিয়া বলিলেন, “না দাদা, আমার জন্য বেশি ভাবিয়ো না। খাঁ-সাহেব অনেক শান দিয়া কথা কহেন বটে, কিন্তু আমার কানের মধ্যে পালকের মতো প্রবেশ করে।” ইশা খাঁ হঠাৎ চটিয়া উঠিয়া পাকা গোঁফে চাড়া দিয়া বলিলেন, “তোমার কান আছে মাকি। তা যদি থাকিত তাহা হইলে এতদিনে তোমাকে সিধা করিতে পারিতাম।” বন্ধ ইশা খাঁ কাহাকেও বড়ো মান্য করিতেন না। ইন্দ্রকুমার হো হো করিযা হাসিয়া উঠিলেন। চন্দ্রনারায়ণ গভীর হইয়া রহিলেন, কিছয় বলিলেন না। যবেরাজ বিরক্ত হইয়াছেন বুঝিয়া ইন্দ্রকুমার তৎক্ষণাৎ হাসি থামাইয়া তাঁহার কাছে গেলেন ; মন্দভাবে বলিলেন, "দাদা, তোমার কী মত। আজ রাত্রে শিকার করিতে যাইবে কি।” চন্দ্রনারায়ণ কহিলেন, “তোমার সঙ্গে ভাই, শিকার করিতে যাওয়া মিথ্যা- তাহা হইলে নিতান্ত নিরামিষ শিকার করিতে হয়। তুমি বনে গিয়া যত জন্তু মারিয়া আনো, আর আমরা কেবল লাউ কুমড়া কচু কাঁঠাল শিকার করিয়া আনি।" ইশা খাঁ পরম হাস্ট হইয়া হাসিতে লাগিলেন ; সনেহে ইন্দ্রকুমারের পিঠ চাপড়াইয়া বলিলেন, “যুবরাজ ঠিক কথা বলিতেছেন পত্র ! তোমার তাঁর সকলের আগে গিয়া ছোটে এবং নিঘাত গিয়া লাগে। তোমার সঙ্গে কে পারিয়া উঠিবে!" ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “না না দাদা, ঠাট্টা নয়—যাইতে হইবে। তুমি না গেলে কে শিকার করিতে যাইবে!” যবেরাজ বলিলেন, “আচ্ছা, চলো। আজ রাজধরের শিকারের ইচ্ছা হইয়াছে উহাকে নিরাশ করিব না।” সহাস্য ইন্দ্রকুমার চকিতের মধ্যে স্তান হইয়া বলিলেন, “কেন দাদা, আমার ইচ্ছা হইয়াছে বলিয়া কি যাইতে নাই।” চন্দ্রনারায়ণ বলিলেন, "সেকি কথা ভাই, তোমার সঙ্গে তো রোজই শিকারে যাইতেছি”— ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “তাই সেটা পরাতন হইয়া গেছে!” চন্দ্রনারায়ণ বিমষ হইয়া বলিলেন, “ তুমি আমার কথা এমন করিয়া ভুল বুঝিলে বড়ো ব্যথা লাগে।” ইন্দ্রকুমার হাসিয়া তাড়াতাড়ি বলিলেন, “না দাদা, আমি ঠাট্টা করিতেছিলাম। শিকারে যাইব না তো কী! চলো, তার আয়োজন করি গে।” ইশা খাঁ মনে-মনে কহিলেন, ইন্দ্রকুমার বকে দশটা বাণ সহিতে পারে, কিন্তু দাদার একটা সামান্য অনাদর সহিতে পারে না।" মফুেট 為bf○ চতুর্থ পরিচ্ছেদ শিকারের বন্দোবস্ত সমস্ত সিথর হইলে পরে রাজধর আস্তে আস্তে ইন্দ্রকুমারের সত্ৰী কমলাদেবীর কক্ষে গিয়া উপস্থিত। কমলাদেবী হাসিয়া বলিলেন, “এ কী ঠাকুরপো! একেবারে তাঁরধনকে বর্মচম লইয়া যে! আমাকে মারিবে নাকি!" রাজধর বলিলেন, “ঠাকুরানী, আমরা আজ তিন ভাই শিকার করিতে যাইব, তাই এই বেশ।" কমলাদেবী আশ্চর্য হইয়া কহিলেন, "তিন ভাই! তুমিও যাইবে নাকি। আজ তিন ভাই একত্র হইবে ! এ তো ভালো লক্ষণ নয়। এ যে ত্র্যহস্পশ হইল।” যেন বড়ো ঠাট্টা হইল এইভাবে রাজধর হা হা করিয়া হাসিলেন, কিন্তু বিশেষ কিছল বলিলেন না। কমলাদেবী কহিলেন, “না না, তাহা হইবে না— রোজ রোজ শিকার করিতে যাইবেন আর আমি ঘরে বসিয়া ভাবিয়া মরি।” রাজধর কাঁহলেন, "আজ আবার রাত্রে শিকার।" কমলাদেবী মাথা নাড়িয়া বলিলেন, “সে কখনোই হইবে না। দেখিব আজ কেমন করিয়া যান ।” রাজধর বলিলেন, “ঠাকুরানী, এক কাজ করো, ধনকেবাণগুলি লুকাইয়া রাখো।” কমলাদেবী কহিলেন, “কোথায় লুকাইব ।” রাজধর। আমার কাছে দাও, আমি লুকাইয়া রাখিব । কমলাদেবী হাসিয়া কহিলেন, “মন্দ কথা নয়। সে বড়ো রঙ্গ হইবে।” কিন্তু মনে-মনে বলিলেন, ‘তোমার একটা কী মতলব আছে। তুমি যে কেবল আমার উপকার করিতে আসিয়াছ তাহা বোধ হয় না।’ “এসো, অস্ত্রশালায় এসো” বলিয়া কমলাদেবী রাজধরকে সঙ্গে করিয়া লইয়া গেলেন। চাবি লইয়া ইন্দ্রকুমারের অস্ত্রশালার বার খালিয়া দিলেন। রাজধর যেমন ভিতরে প্রবেশ করিলেন অমনি কমলাদেবী বারে তালা লাগাইয়া দিলেন। রাজধর ঘরের মধ্যে বন্ধ হইয়া রহিলেন । কমলাদেবী বাহির হইতে হাসিয়া বলিলেন, “ঠাকুরপো, আমি তবে আজ আসি।” বলিয়া চলিয়া গেলেন। এ দিকে সন্ধ্যার সময় ইন্দ্রকুমার অন্তঃপরে আসিয়া অস্ত্রশালার চাবি কোথাও খাজিয়া পাইতেছেন না। কমলাদেবী হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “হগিা, আমাকে খুজিতেছ বুঝি, আমি তো হারাই নাই ।” শিকারের সময় বহিয়া যায় দেখিয়া ইন্দ্রকুমার বিগণে ব্যস্ত হইয়া খোঁজ করিতে লাগিলেন। কমলাদেবী তাঁহাকে বাধা দিয়া আবার তাঁহার মুখের কাছে গিয়া দাঁড়াইলেন ; হাসিতে হাসিতে বলিলেন, "হাগা, দেখিতে কি পাও না। চোখের সমখে, তব ঘরময় বেড়াইতেছ?” ইন্দ্রকুমার কিঞ্চিৎ কাতরস্বরে কহিলেন, “দেবী, এখন বাধা দিয়ো না-আমার একটা বড়ো আবশ্যকের জিনিস হারাইয়াছে।” o r. কমলা কহিলেন, “আমি জানি তোমার কী হারাইয়াছে, আমার একটি কথা যদি మbf8 গল্পগাছ রাখ তো খুজিয়া দিতে পারি।” ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “আচ্ছা, রাখিব।” কমলাদেবী বলিলেন, “তবে শোনো। আজ তুমি শিকার করিতে যাইতে পারিবে না। এই লও তোমার চাবি।” ইন্দুকুমার বলিলেন, “সে হয় না, এ কথা রাখিতে পারি না।” কমলাদেবী বলিলেন, “চন্দ্রবংশে জমিয়া এই বুঝি তোমার আচরণ ! একটা সামান্য প্রতিজ্ঞা রাখতে পারো না ?” ইন্দ্রকুমার হাসিয়া বলিলেন, "আচ্ছা, তোমার কথাই রহিল। আজ আমি শিকারে যাইব না।” কমলাদেবী। তোমাদের আর কিছল হারাইয়াছে ? মনে করিয়া দেখো দেখি । ইন্দ্রকুমার। কই, মনে পড়ে না তো। কমলাদেবী। তোমাদের সাত-রাজার-ধন মানিক ? তোমাদের সোনার চাঁদ ? ইন্দ্রকুমার মদ হাসিয়া ঘাড় নাড়িলেন। কমলাদেবী কহিলেন, “তবে এসো, দ্যাথো-সে।” বলিয়া অস্মশালার বারে গিয়া বার খালিয়া দিলেন। কুমার দেখিলেন, রাজধর ঘরের মেঝেতে চুপ করিয়া বসিয়া আছেন ; দেখিয়া হো হো করিয়া হাসিয়া উঠিলেন— “এ কী, রাজধর অস্ত্রশালায় যে !" কমলাদেবী বলিলেন, “উনি আমাদের ব্রহ্মাস্ত্র।” ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “তা বটে, উনি সকল অস্ত্রের চেয়ে তীক্ষ।” রাজধর মনে-মনে বলিলেন, “তোমাদের জিহবার চেয়ে নয়।” রাজধর ঘর হইতে दाङ्ख्नि ठ्द्देझा वर्गीघ्रट्ठान । তখন কমলাদেবী গভীর হইয়া বলিলেন, “না কুমার, তুমি শিকার করিতে যাও। আমি তোমার সত্য ফিরাইয়া লইলাম।” ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “শিকার করিব ? আচ্ছা।” বলিয়া ধনকে তাঁর যোজনা করিয়া অতি ধীরে কমলাদেবীর দিকে নিক্ষেপ করিলেন। তাঁর তাঁহার পায়ের কাছে পড়িয়া গেল ; কুমার বলিলেন, “আমার লক্ষ্যভ্রষ্ট झट्टैठन ।” কমলাদেবী বলিলেন, “না, পরিহাস না। তুমি শিকারে যাও।” ইন্দ্রকুমার কিছু বলিলেন না। ধন্যবাণ ঘরের মধ্যে ফেলিয়া বাহির হইয়া গেলেন। যবেরাজকে বলিলেন, “দাদা, আজ শিকারের সুবিধা হইল না।” চন্দ্রনারায়ণ ঈষৎ হাসিয়া বলিলেন, “বঝিয়াছি।” পঞ্চম পরিচ্ছেদ श्राछ नग्नौकाव्र मिन। ब्राछवाप्लेौब्र वाशि८ब्रव्र प्राळ विन्ठद्र प्लाक छटफ़ा एहेग्नाzह । রাজার ছত্র ও সিংহাসন প্রভাতের আলোতে ঝকঝকা করিতেছে। জায়গাটা পাহাড়ে, छे'झुनिष्ट्र-प्णाटक आक्रम् श्हेल्ला णिग्नाटक्क, फ्रान्त्रि निटक टक्न धानकिरबच्न धाथान्न प्राप्ले উঠিয়াছে। ছেলেগুলো গাছের উপর চড়িয়া বসিয়াছে। একটা ছেলে গাছের ডাল মুকুট sty& হইতে আস্তে আস্তে হাত বাড়াইয়া একজন মোটা মানুষের মাথা হইতে পাগড়ি তুলিয়া আর-একজনের মাথায় পরাইয়া দিয়াছে। যাহার পাগড়ি সে ব্যক্তি চটিয়া ছেলেটাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নিজফল প্রয়াস পাইতেছে, অবশেষে নিরাশ হইয়া সজোরে গাছের ডাল নাড়া দিতেছে, ছোঁড়াটা মুখভঙ্গি করিয়া ডালের উপর বাঁদরের মতো নাচিতেছে। মোটা মানুষের দদশা ও রাগ দেখিয়া সে দিকে একটা হো-হো হাসি পড়িয়া গিয়াছে। একজন এক-হাঁড়ি দই মাথায় করিয়া বাড়ি যাইতেছিল, পথে জনতা দেখিয়া সে দাঁড়াইয়া গিয়াছিল— হঠাৎ দেখে তাহার মাথায় হাঁড়ি নাই, হড়িটা মহাতের মধ্যে হাতে হাতে কত দরে চলিয়া গিয়াছে তাহার ঠিকানা নাই— দইওয়ালা খানিকক্ষণ হাঁ করিয়া চাহিয়া রহিল। একজন বলিল, “ভাই, তুমি দইয়ের বদলে ঘোল খাইয়া গেলে, কিঞ্চিৎ লোকসান হইল বৈ তো নয়। দইওয়ালা পরম সাত্বনা পাইয়া গেল। হার নাপিতের পরে গা-সন্ধ লোক চটা ছিল। তাহাকে ভিড়ের মধ্যে দেখিয়া লোকে তাহার নামে ছড়া কাটিতে লাগিল। সে যত খেপিতে লাগিল খেপাইবার দল তত বাড়িয়া উঠিল— চারি দিকে চটপট হাততালি পড়িতে লাগিল। আটান্ন প্রকার আওয়াজ বাহির হইতে লাগিল। সে ব্যক্তি মুখ চক্ষ লাল করিয়া, চটিয়া, গলদঘম হইয়া, চাদর ভূমিতে লাটাইয়া, একপাটি চটিজতা ভিড়ের মধ্যে হারাইয়া, বিশেবর লোককে অভিশাপ দিতে দিতে বাড়ি ফিরিয়া গেল। ঠাসাঠাসি ভিড়ের মাঝে মাঝে এক-একটা ছোটো ছেলে আত্মীয়ের কাঁধের উপর চড়িয়া কান্না জড়িয়া দিয়াছে। এমন কত জায়গায় কত কলরব উঠিয়াছে তাহার ঠিকানা নাই । হঠাৎ নহবৎ বাজিয়া উঠিল। সমস্ত কোলাহল ভাসাইয়া দিয়া জয়-জয় শব্দে আকাশ পলাবিত হইয়া গেল। কোলের ছেলে যতগলা ছিল ভয়ে সমস্বরে কাঁদিয়া উঠিল, গাঁয়ে গাঁয়ে পাড়ায় পাড়ায় কুকুরগুলো উধৰমুখ হইয়া খেউ খেউ করিয়া ডাকিয়া উঠিল। পাখি যেখানে যত ছিল ভয়ে গাছের ডাল ছাড়িয়া আকাশে উড়িল। কেবল গোটাকতক বৃদ্ধিমান কাক সদরে গাভারী গাছের ডালে বসিয়া দক্ষিণে ও বামে ঘাড় হেলাইয়া একাগ্রচিত্তে অনেক বিবেচনা করিতে লাগিল এবং একটা সিন্ধান্তে উপনীত হইবামাত্র তৎক্ষণাৎ অসন্দিগ্ধচিত্তে কা কা করিয়া ডাকিয়া উঠিতে লাগিল । রাজা আসিয়া সিংহাসনে বসিয়াছেন। পারমিত্র সভাসদগণ আসিয়াছেন। রাজকুমারগণ ধনবোণ হতে আসিয়াছেন। নিশান লইয়া নিশানধারী আসিয়াছে। ভাট আসিয়াছে। সৈন্যগণ পশ্চাতে কাতার দিয়া দাঁড়াইয়াছে। বাজনদারগণ মাথা নাড়াইয়া, নাচিয়া, সবলে পরমোৎসাহে ঢোল পিটাইতেছে। মহা ধম পড়িয়া গিয়াছে। পরীক্ষার সময় যখন হইল, ইশা খাঁ রাজকুমারগণকে প্রস্তুত হইতে কহিলেন। ইন্দ্রকুমার যবেরাজকে কহিলেন, “দাদা, আজ তোমাকে জিতিতে হইবে, তাহা না হইলে চলিবে না।” যবেরাজ হাসিয়া বলিলেন, “চলিবে না তো কাঁ! আমার একটা ক্ষদ্র তাঁর লক্ষ্যভ্রষ্ট হইলেও জগৎসংসার যেমন চলিতেছিল তেমনি চলিবে। আর যদিই-বা না চলিত তব আমার জিতিবার কোনো সম্ভাবনা দেখিতেছি না।” ইন্দ্রকুমার বললেন, "দাদা, তুমি যদি হারো তো আমিও ইচ্ছাপবেক লক্ষ্যভ্রষ্ট छ्ईव ।” J l যবেরাজ ইন্দ্রকুমারের হাত ধরিয়া কহিলেন, “না ভাই, ছেলেমানষি করিয়ো না— ●bfや গল্পগুচ্ছ ওস্তাদের নাম রক্ষা করিতে হইবে।” রাজধর বিবণ শাক চিন্তাকুল মুখে চুপ করিয়া দাঁড়াইয়া রহিলেন। ইশা খাঁ আসিয়া কহিলেন, “যুবরাজ, সময় হইয়াছে, ধনকে গ্রহণ করো।" যবেরাজ দেবতার নাম করিয়া ধনকে গ্রহণ করিলেন। প্রায় দুই শত হাত দরে গোটা পাঁচ-ছয় কলাগাছের গড়ি একত্র বধিয়া পথাপিত হইয়াছে। মাঝে একটা কচুর পাতা চোখের মতো করিয়া বসানো আছে। তাহার ঠিক মাঝখানে চোখের তারার আকারে কালো চিহ্ন অঙ্কিত। সেই চিহ্নই লক্ষ্যপথল। দশকেরা অধচন্দ্র আকারে মাঠ ঘেরিয়া দাঁড়াইয়া আছে—যে দিকে লক্ষ্য পথাপিত সে দিকে যাওয়া নিষেধ। যবেরাজ ধনকে বাণ যোজনা করিলেন। লক্ষ সিথর করিলেন। বাণ নিক্ষেপ করিলেন। বাণ লক্ষ্যের উপর দিয়া চলিয়া গেল। ইশা খাঁ তাঁহার গোঁফ-সন্ধে দাড়িসন্ধে মুখ বিকৃত করিলেন, পাকা ভুর কুঞ্চিত করিলেন। কিন্তু কিছু বলিলেন না। ইন্দ্রকুমার বিষন্ন হইয়া এমন ভাব ধারণ করিলেন যেন তাঁহাকেই লজিত করিবার জন্য দাদা ইচ্ছা করিয়া এই কীতিটি করিলেন। অস্থিরভাবে ধনক নাড়িতে নাড়িতে ইশা খাঁকে বলিলেন, "দাদা মন দিলেই সমস্ত পারেন, কিন্তু কিছুতেই মন দেন না।” ইশা খাঁ বিরক্ত হইয়া বলিলেন, “তোমার দাদার বন্ধি আর সকল জায়গাতেই খেলে, কেবল তীরের আগায় খেলে না ; তাহার কারণ, বৃদ্ধি তেমন সক্ষম নয়।" ইন্দ্রকুমার ভারি চটিয়া একটা উত্তর দিতে যাইতেছিলেন। ইশা খাঁ বুঝিতে পারিয়া দ্রত সরিয়া গিয়া রাজধরকে বলিলেন, “কুমার, এবার তুমি লক্ষ্যভেদ করো, মহারাজা দেখনে ৷” রাজধর বলিলেন, “আগে দাদার হউক।” ইশা খাঁ রন্ট হইয়া কহিলেন, “এখন উত্তর করিবার সময় নয়। আমার আদেশ পালন করো ।” রাজধর চটিলেন, কিন্তু কিছু বলিলেন না। ধন্যবাণ তুলিয়া লইলেন। লক্ষ সিথর করিয়া নিক্ষেপ করিলেন। তাঁর মাটিতে বিধি হইল। যবেরাজ রাজধরকে কহিলেন, “তোমার বাণ অনেকটা নিকটে গিয়াছে ; আর-একটু হইলেই লক্ষ্য বিন্ধ হইত।” রাজধর অম্লানবদনে কহিলেন, “লক্ষ্য তো বিন্ধ হইয়াছে, দর হইতে পাট দেখা যাইতেছে না।” যবেরাজ কহিলেন, “না রাজধর, তোমার দটির ভ্রম হইয়াছে, লক্ষ্য বিদ্ধ হয় नाइँ ।” রাজধর কহিলেন, “হা, বিন্ধ হইয়াছে। কাছে গেলেই দেখা যাইবে।” যবেরাজ আর কিছল বলিলেন না। অবশেষে ইশা খাঁর আদেশক্ৰমে ইন্দ্রকুমার নিতান্ত অনিচ্ছাসহকারে ধনক তুলিয়া লইলেন। যবেরাজ তাঁহার কাছে গিয়া কাতরস্বরে কহিলেন, “ভাই, আমি অক্ষম— আমার উপর রাগ করা অন্যায়—তুমি যদি আজ লক্ষ্য ভেদ করিতে না পারো, তবে তোমার প্রস্টলক্ষ্য তাঁর আমার হদয় বিদীণ করিবে ইহা নিশ্চয় জানিয়ো।” लक्रारख्म काँव्रव, शैशव्र ठानाथा श्रव ना ।” মুকুট à bą ইন্দ্রকুমার তাঁর নিক্ষেপ করিলেন, লক্ষ্য বিন্ধ হইল। বাজনা বাজিল। চারি দিকে জয়ধনি উঠিল। যবেরাজ যখন ইন্দ্রকুমারকে আলিঙ্গন করিলেন, আনন্দে ইন্দুকুমারের চক্ষু ছল ছল করিয়া আসিল ; ইশা খাঁ পরম স্নেহে কহিলেন, “পত্র, আল্লার কৃপায় তুমি দীর্ঘজীবী হইয়া থাকো।” মহারাজা যখন ইন্দ্রকুমারকে পরস্কার দিবার উদ্যোগ করিতেছেন এমন সময়ে রাজধর গিয়া কহিলেন, “মহারাজ, আপনাদের ভ্রম হইয়াছে । আমার তাঁর লক্ষ্যভেদ করিয়াছে।” মহারাজ কহিলেন, “কখনোই না।” রাজধর কহিলেন, “মহারাজ, কাছে গিয়া পরীক্ষা করিয়া দেখন।” সকলে লক্ষ্যের কাছে গেলেন। দেখিলেন, যে তাঁর মাটিতে বিন্ধ তাহার ফলায় ইন্দ্রকুমারের নাম খোদিত, আর যে তাঁর লক্ষ্যে বিদ্ধ তাহাতে রাজধরের নাম ক্ষোদিত। রাজধর কহিলেন, “বিচার করন মহারাজ !” ইশা খাঁ কহিলেন, “নিশ্চয়ই তণ বদল হইয়াছে।” কিন্তু পরীক্ষা করিয়া দেখা গেল, তৃণ বদল হয় নাই। সকলে পরপরের মুখচাওয়াচাওয়ি করিতে লাগিলেন। ইশা খাঁ কহিলেন, “পনবার পরীক্ষা করা হউক।” রাজধর বিষম অভিমান করিয়া কহিলেন, “তাহাতে আমি সন্মত হইতে পারি না। আমার প্রতি এ বড়ো অন্যায় অবিশ্বাস। আমি তো পরস্কার চাই না, মধ্যমকুমার-বাহাদরকে পরস্কার দেওয়া হউক।” বলিয়া পরস্কারের তলোয়ার ইন্দ্রকুমারের দিকে অগ্রসর করিয়া দিলেন। ইন্দ্রকুমার দারণ ঘণার সহিত বলিয়া উঠিলেন, “ধিক ! তোমার হাত হইতে এ পরস্কার গ্রাহ্য করে কে। এ তুমি লও।” বলিয়া তলোয়ারখানা ঝন ঝন করিয়া রাজধরের পায়ের কাছে ফেলিয়া দিলেন। রাজধর হাসিয়া নমস্কার করিয়া তাহা তুলিয়া লইলেন। তখন ইন্দ্রকুমার কম্পিত্যুবরে পিতাকে কহিলেন, “মহারাজ, আরাকানপতির সহিত শীঘ্রই যন্ধে হইবে। সেই যুদ্ধে গিয়া আমি পরস্কার আনিব। মহারাজ, আদেশ করন।” ইশা খাঁ ইন্দ্রকুমারের হাত ধরিয়া কঠোরস্বরে কহিলেন, “তুমি আজ মহারাজের অপমান করিয়াছ। উহার তলোয়ার লইয়া ছড়িয়া ফেলিয়াছ। ইহার সমচিত শাসিত আবশ্যক।” বদ্ধ ইশা খাঁ সহসা বিষম হইয়া ক্ষদ্ধ স্বরে কহিলেন, “পত্র, একি পত্র। আমার পরে এই ব্যবহার! তুমি আজ আত্মবিস্মত হইয়াছ বৎস!” ইন্দ্রকুমারের চোখে জল উথলিয়া উঠিল। তিনি কহিলেন, “সেনাপতিসাহেব, आधारक भान करब्रा, आधि चाछ बथाथहैि आफर्षाबन्धळ झहैझाहि ।” * I: যবেরাজ নেহের স্বরে কহিলেন, “শান্ত হও, ভাই—গছে ফিরিয়া চলো।” ईन्छकूभाग्न निऊाब्र नमथलि जहैब्रा कश्रिजन, “निष्ठा । अनब्राथ भाजना काएन ।” ना ! ᎼᏌᏌ গল্পগুচ্ছ গহে ফিরিবার সময় যুবরাজকে কহিলেন, “দাদা, আজ আমার যথার্থই পরাজয় হইয়াছে।” রাজধর যে কেমন করিয়া জিতিলেন তাহা কেহ বুঝিতে পারিল না। ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ রাজধর পরীক্ষাদিনের পুবে যখন কমলাদেবীর সাহায্যে ইন্দ্রকুমারের অস্মশালায় প্রবেশ করিয়াছিলেন, তখনই ইন্দ্রকুমারের তরুণ হইতে ইন্দ্রকুমারের নামাঙ্কিত একটি তাঁর নিজের তাণে তুলিয়া লইয়াছিলেন এবং নিজের নামাঙ্কিত তাঁর ইন্দ্রকুমারের তন্মণে এমন পথানে এমনভাবে স্থাপিত করিয়াছিলেন, যাহাতে সেইটিই সহজে ও সবাগ্রে তাঁহার হাতে উঠিতে পারে। রাজধর যাহা মনে করিয়াছিলেন তাহাই ঘটিল। ইন্দ্রকুমার দৈবক্রমে রাজধরের পথাপিত তাঁরই তুলিয়া লইয়াছিলেন—সেই জন্যই পরীক্ষাস্থলে এমন গোলমাল হইয়াছিল। কালক্রমে যখন সমস্ত শান্তভাব ধারণ করিল তখন ইন্দ্রকুমার রাজধরের চাতুরী কতকটা বঝিতে পারিয়াছিলেন, কিন্তু সে কথা আর কাহাকেও কিছল বলিলেন না— কিন্তু রাজধরের প্রতি তাঁহার ঘণা আরও বিগণে বাড়িয়া উঠিল। ইন্দ্রকুমার মহারাজের কাছে বার বার বলিতে লাগিলেন, “মহারাজ, আরাকানপতির সহিত যন্ধে আমাদিগকে পাঠান।” মহারাজ অনেক বিবেচনা করিতে লাগিলেন। আমরা যে সময়ের গল্প বলিতেছি সে আজ প্রায় তিন শো বৎসরের কথা । তখন ত্রিপরা স্বাধীন ছিল এবং চট্টগ্রাম ত্রিপরার অধীন ছিল। আরাকান চট্টগ্রামের সংলগ্ন। আরাকানপতি মাঝে মাঝে চট্টগ্রাম আক্ৰমণ করিতেন। এই জন্য আরাকানের সঙ্গে ত্রিপরার মাঝে মাঝে বিবাদ বাধিত । অমরমাণিক্যের সহিত আরাকানপতির সম্প্রতি সেইরাপ একটি বিবাদ বাধিয়াছে। যন্ধের সম্ভাবনা দেখিয়া ইন্দ্রকুমার যন্ধে যাইবার প্রস্তাব করিয়াছেন। রাজা অনেক বিবেচনা করিয়া অবশেষে সম্মতি দিলেন। তিন ভাইয়ে পাঁচ হাজার করিয়া পনেরো হাজার সৈন্য লইয়া চট্টগ্রামঅভিমুখে চলিলেন। ইশা খাঁ সৈন্যাধ্যক্ষ হইয়া গেলেন। কর্ণফুলি নদীর পশ্চিম ধারে শিবির পথাপিত হইল। আরাকানের সৈন্য কতক নদীর ও পারে কতক এ পারে। আরাকানপতি অলপসংখ্যক সৈন্য লইয়া নদীর পরপারে আছেন। এবং তাঁহার বাইশ হাজার সৈন্য যন্ধের জন্য প্রস্তুত হইয়া আক্রমণের প্রতীক্ষায় নদীর পশ্চিম পারে অপেক্ষা করিয়া আছে। যন্ধের ক্ষেত্র পবতময়। সমুখা-সমখি দই পাহাড়ের উপর দুই পক্ষের সৈন্য পথাপিত হইয়াছে। উভয় পক্ষ যদি যন্ধে করিতে অগ্রসর হয় তবে মাঝের উপত্যকায় দই সৈন্যের সংঘষ উপস্থিত হইতে পারে। পবতের চারি দিকে হরীতকী আমলকী শাল ও গাম্ভারীর বন। মাঝে মাঝে গ্রামবাসীদের শান্য গহ পড়িয়া রহিয়াছে, তাহারা ঘর ছাড়িয়া পলাইয়াছে। মাঝে মাঝে শস্যক্ষেত্র। পাহাড়েরা সেখানে ধান কাপাস তরমজ আল একত্রে রোপণ করিয়া গিয়াছে। আবার এক-এক জায়গায় মফুেট పెtfషి জমিয়া চাষার এক-একটা পাহাড় সমস্ত দগধ করিয়া কালো করিয়া রাখিয়াছে, বর্ষার পর সেখানে শস্যবপন হইবে। দক্ষিণে কণফলি, বামে দগম পবত। এইখানে প্রায় এক সপ্তাহকাল উভয় পক্ষ পরস্পরের আক্রমণ-প্রতীক্ষায় বসিয়া আছে। ইন্দ্রকুমার যুদ্ধের জন্য অস্থির হইয়াছেন, কিন্তু যবেরাজের ইচ্ছা বিপক্ষ পক্ষেরা আগে আসিয়া আক্ৰমণ করে। সেই জন্য বিলম্বব করিতেছেন–কিন্তু তাহারাও নড়িতে চাহে না, সিথর হইয়া আছে। অবশেষে আক্ৰমণ করাই পিথর হইল । সমস্ত রাত্রি আক্রমণের আয়োজন চলিতে লাগিল। রাজধর প্রস্তাব করিলেন, "দাদা, তোমরা দুইজনে তোমাদের দশ হাজার সৈন্য লইয়া আক্ৰমণ করো। আমার পাঁচ হাজার হাতে থাক, আবশ্যকের সময় কাজে লাগিবে।" ইন্দ্রকুমার হাসিয়া বলিলেন, “রাজধর তফাতে থাকিতে চান।” যবেরাজ কহিলেন, “না, হাসির কথা নয়। রাজধরের প্রস্তাব আমার ভালো বোধ হইতেছে।” ইশা খাঁও তাহাই বলিলেন । রাজধরের প্রস্তাব গ্রাহ্য হইল । যবেরাজ ও ইন্দ্রকুমারের অধীনে দশ হাজার সৈন্য পাঁচ ভাগে ভাগ করা হইল। প্রত্যেক ভাগে দুই হাজার করিয়া সৈন্য রহিল। পিথর হইল, একেবারে শত্রবাহের পাঁচ জায়গায় আক্ৰমণ করিয়া ব্যহেভেদ করিবার চেষ্টা করা হইবে। সব প্রথম সারে ধানকীরা রহিল, তার পরে তলোয়ার বশ প্রভৃতি লইয়া অন্য পদাতিকেরা রহিল এবং সবশেষে অশ্ববারোহীরা সার বাঁধিয়া চলিল । আরাকানের মগ সৈন্যেরা দীঘ এক বাঁশবনের পশ্চাতে বহে রচনা করিয়াছিল। প্রথম দিনের আক্রমণে কিছুই হইল না। ত্রিপুরার সৈন্য ব্যহ ভেদ করিতে পারিল ना । সপ্তম পরিচ্ছেদ দ্বিতীয় দিন সমস্তদিন নিম্ফল যন্ধে -অবসানে রাত্রি যখন নিশীথ হইল, যখন উভয় পক্ষের সৈন্যেরা বিশ্রামলাভ করিতেছে, দই পাহাড়ের উপর দই শিবিরে পথানে সখানে কেবল এক-একটা আগন জনলিতেছে, শগালেরা রণক্ষেত্রে ছিন্ন হস্ত পদ ও মত দেহের মধ্যে থাকিয়া থাকিয়া দলে দলে কাঁদিয়া উঠিতেছে— তখন শিবিরের দই ক্লোশ দরে রাজধর তাঁহার পাঁচ হাজার সৈন্য লইয়া সারবন্দী নৌকা বধিয়া কর্ণফুলি নদীর উপরে নৌকার সেতু নিমাণ করিয়াছেন। একটি মশাল নাই, শব্দ নাই, সেতুর উপর দিয়া অতি সাবধানে সৈন্য পার করিতেছেন। নীচে দিয়া যেমন অন্ধকারে নদীর স্রোত বহিয়া যাইতেছে তেমনি উপর দিয়া মানুষের সোত অবিচ্ছিন্ন বহিয়া যাইতেছে। নদীতে ভাঁটা পড়িয়াছে। পরপারের পবতময় দগম পাড় দিয়া সৈন্যেরা অতি কটে উঠিতেছে। রাজধরের প্রতি সৈন্যাধ্যক্ষ ইশা খাঁর আদেশ ছিল যে, রাজধর রাত্ৰিযোগে তাঁহার সৈন্যদের লইয়া নদী বাহিয়া উত্তর দিকে ষাল্লা করিবেন—তীরে উঠিয়া বিপক্ষ সৈন্যদের পশ্চাভাগে লঙ্কোয়িত থাকিবেন। প্রভাতে যবেরাজ ও ইন্দ্রকুমার সম্মখে ভাগে আক্ৰমণ করিবেন—বিপক্ষেরা যুদ্ধে প্রান্ত ఏఏ0 গল্পগুচ্ছ হইলে পর সংকেত পাইলে রাজধর সহসা পশ্চাৎ হইতে আক্ৰমণ করিবেন। সেইজন্যই এত নৌকার বন্দোবস্ত হইয়াছে। কিন্তু রাজধর ইশা খাঁর আদেশ কই পালন করিলেন ? তিনি তো সৈন্য লইয়া নদীর পরপারে উত্তীণ হইলেন। তিনি আরএক কৌশল অবলম্বন করিয়াছেন, কিন্তু কাহাকেও কিছু বলেন নাই। তিনি নিঃশব্দে আরাকানের রাজার শিবিরাভিমুখে যাত্রা করিয়াছেন। চতুদিকে পর্বত, মাঝে উপত্যকা, রাজার শিবির তাহারই মাঝখানে অবস্থিত। শিবিরে নিভয়ে সকলে নিদ্রিত। মাঝে মাঝে অগ্নিশিখা দেখিয়া দরে হইতে শিবিরের প্রথান-নির্ণয় হইতেছে। পবতের উপর হইতে বড়ো বড়ো বনের ভিতর দিয়া রাজধরের পাঁচ হাজার সৈন্য অতি সাবধানে উপত্যকার দিকে নামিতে লাগিল— বষাকালে যেমন পবতের সবাঙ্গ দিয়া গাছের শিকড় ধাইয়া ঘোলা হইয়া জলধারা নামিতে থাকে—তেমনি পাঁচ সহস্ৰ মানুষ, পাঁচ সহস্র তলোয়ার, অন্ধকারের ভিতর দিয়া গাছের নীচে দিয়া সহস্র পথে আকিয়া-বাঁকিয়া যেন নিম্নাভিমুখে ঝরিয়া পড়িতে লাগিল। কিন্তু শব্দ নাই, মন্দ গতি । সহসা পাঁচ সহস্ৰ সৈন্যের ভীষণ চীৎকার উঠিল— ক্ষুদ্র শিবির যেন বিদীর্ণ হইয়া গেল এবং তাহার ভিতর হইতে মানুষগলা কিলকিল করিয়া বাহির হইয়া পড়িল। কেহ মনে করিল দঃস্বপন, কেহ মনে করিল প্রেতের উৎপাত, কেহ কিছুই মনে করিতে পারিল না। রাজা বিনা রক্তপাতে বন্দী হইলেন। রাজা বলিলেন, “আমাকে বন্দী করিলে বা বধ করিলে যন্ধের অবসান হইবে না। আমি বন্দী হইবামাত্র সৈন্যেরা আমার ভাই হামচুপামকে রাজা করিবে। যন্ধে যেমন চলিতেছিল তেমনি চলিবে । আমি বরঞ্চ পরাজয় স্বীকার করিয়া সন্ধিপত্র লিখিয়া দিই, আমার বন্ধন মোচন করিয়া দিন।” রাজধর তাহাতেই সম্মত হইলেন। আরাকানরাজ পরাজয় স্বীকার করিয়া সন্ধিপত্র লিখিয়া দিলেন। একটি হস্তিদন্ত-নিমিত মুকুট, পাঁচ শত মণিপুরি ঘোড়া ও তিনটে বড়ো হাতি উপহার দিলেন। এইরুপ নানা ব্যবস্থা করিতে করিতে প্রভাত হইল—বেলা হইয়া গেল। সদীঘ রাত্রে সমস্তই ভূতের ব্যাপার বলিয়া মনে হইয়াছিল, দিনের বেলা আরাকানের সৈন্যগণ আপনাদের অপমান স্পষ্ট অনুভব করিতে পারিল। চারি দিকে বড়ো বড়ো পাহাড় সযোলোকে সহস্রচক্ষ হইয়া তাহাদিগের দিকে তাকাইয়া নিঃশব্দে দাঁড়াইয়া রহিল। রাজধর আরাকানপতিকে কহিলেন, “আর বিলম্ব নয়, শীঘ্ৰ যন্ধে নিবারণ করিবার এক আদেশপত্র আপনার সেনাপতির নিকট পাঠাইয়া দিন। ও পরে এতক্ষণ সুমার যন্ধে বাধিয়া গেছে।” কতকগুলি সৈন্য-সহিত দমতের হস্তে আদেশপত্র পাঠানো হইল। অষ্টম পরিচ্ছেদ অতি প্রত্যুষেই, অন্ধকার দরে হইতে না হইতেই, যবেরাজ ও ইন্দ্রকুমার দুই ভাগে পশ্চিমে ও পাবে মগদিগকে আক্ৰমণ করিতে চলিয়াছেন । সৈন্যের অলপতা লইয়া রপনারায়ণ হাজারি দুঃখ করিতেছিলেন। তিনি বলিতেছিলেন – আর পাঁচ হাজার লইয়া আসিলেই ভাবনা ছিল না। ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “ত্রিপরারির অনুগ্রহ যদি মফুেট ১৯১ হয় তবে এই কর জন সৈন্য লইয়াই জিতিৰ, আর বদি না হয় তবে ৰিপদ্ধ আমাদের উপর দিয়াই যাক, ত্রিপরাবাসী যত কম মরে ততই ভালো। কিন্তু হরের কপার আজ আমরা জিতিবই।” এই বলিয়া হর হর বোম বোম রব তুলিয়া কৃপাণ বশ লইয়া ঘোড়ায় চড়িয়া বিপক্ষদের অভিমুখে ছটিলেন— তাঁহার দীপ্ত উৎসাহ তাঁহার সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপ্ত হইয়া পড়িল । গ্রীষ্মকালে দক্ষিনা বাতাসে খড়ের চালের উপর দিয়া আগন যেমন ছোটে তাঁহার সৈন্যেরা তেমনি ছয়টিতে লাগিল। কেহই তাহাদের গতিরোধ করিতে পারিল না। বিপক্ষদের দক্ষিণ দিকের ব্যাহ ছিন্নভিন্ন হইয়া গেল। হাতাহাতি যুদ্ধ বাধিল। মানুষের মাথা ও দেহ কাটা শস্যের মতো শস্যক্ষেত্রের উপর গিয়া পড়িতে লাগিল। ইন্দ্রকুমারের ঘোড়া কাটা পড়িল। তিনি মাটিতে পড়িয়া গেলেন। রব উঠিল তিনি মারা পড়িয়াছেন। কুঠারাঘাতে এক মগ অশ্বারোহীকে অশবচুত করিয়া ইন্দ্রকুমার তৎক্ষণাৎ তাহার ঘোড়ার উপর চড়িয়া বসিলেন। রেকাবের উপর দাঁড়াইয়া তাহার রন্তান্ত তলোয়ার আকাশে সযালোকে উঠাইয়া বঞ্জস্বরে চীৎকার করিয়া উঠিলেন “হর হর বোম বোম”—যুদ্ধের আগন বিগণে জৰলিয়া উঠিল। এই-সকল ব্যাপার দেখিয়া মগদিগের বাম দিকের বদহের সৈন্যগণ আক্রমণের প্রতীক্ষা না করিয়া সহসা বাহির হইয়া যবেরাজের সৈন্যের উপর গিয়া পড়িল । যবেরাজের সৈন্যেরা সহসা এরুপ আক্রমণপ্রত্যাশা করে নাই। তাহারা মহেতের মধ্যে বিশৃঙ্খল হইয়া পড়িল। তাহাদের নিজের অশব নিজের পদাতিকের উপর গিয়া পড়িল, কোন দিকে যাইবে ঠিকানা পাইল না। যবেরাজ ও ইশা খাঁ অসম সাহসের সহিত সৈন্যদের সংযত করিয়া লইতে প্রাণপণ চেষ্টা করিলেন, কিন্তু কিছুতেই কৃতকায হইতে পারিলেন না। আদরে রাজধরের সৈন্য লক্কোয়িত আছে কল্পনা করিয়া সংকেতস্বরপে বার বার তরীনিনাদ করিলেন, কিন্তু রাজধরের সৈন্যের কোনো লক্ষণ প্রকাশ পাইল না। ইশা খাঁ বলিলেন, “তাহাকে ডাকা ব্যথা । সে শগাল, দিনের বেলা গত হইতে বাহির হইবে না।" ইশা খাঁ ঘোড়া হইতে মাটিতে লাফাইয়া পড়িলেন। পশ্চিম-মুখ করিয়া সত্বর নামাজ পড়িয়া লইলেন। মরিবার জন্য প্রস্তুত হইয়া মরিয়া হইয়া লড়িতে লাগিলেন। চারি দিকে মৃত্যু যতই ঘেরিতে লাগিল, দদান্ত যৌবন ততই বেন এমন সময় ইন্দ্রকুমার শত্রদের এক অংশ সম্পণে জয় করিয়া ফিরিয়া আসিলেন । আসিয়া দেখিলেন, যবেরাজের একদল অশ্বারোহী ছিন্নভিন্ন হইয়া পলাইতেছে, তিনি তাহাদিগকে ফিরাইয়া লইলেন। বিদ্যুৎ-বেগে যবেরাজের সাহায্যাথে আসিলেন, কিন্তু সে বিশৃঙ্খলার মধ্যে কিছই কল-কিনারা পাইলেন না। ঘণে বাতাসে মরুভূমির বালকোরাশি যেমন ঘরিতে থাকে, উপত্যকার মাঝখানে যন্ধে তেমনি পাক খাইতে লাগিল। রাজধরের সাহায্য প্রার্থনা করিয়া বার বার জরীধৰনি উঠিল, কিন্তু তাহার কোনো উত্তর পাওয়া গেল না। সহসা কী মন্ত্রবলে সমস্ত থামিয়া গেল, যে যেখানে ছিল স্থির হইয়া দাঁড়াইল -ञाश्टउद्ग आङ“नाम ७ अटअवग्न टूषा छाएक्ला आग्न शकम ब्राइल ना । जन्थिब्र निभान जद्देझा प्रत्नाक उत्रा िनम्नाटछ । बट्णच्न ब्राछा श्रव्रास्त्रम्न व्यौकाच्न कर्गब्रज्ञाटझ्न । श्द्र इब्र ट्वाञ ტზ8 δώδι গল্পগুচ্ছ বোম শব্দে আকাশ বিদীণ হইয়া গেল। মগসৈন্যগণ আশ্চর্য হইয়া পরপরের মাখ চাহিতে লাগিল । নবম পরিচ্ছেদ রাজধর যখন জয়োপহার লইয়া আসিলেন তখন তাঁহার মখে এত হাসি যে, তাঁহার ছোটো চোখ দটা বিন্দর মতো হইয়া পিট পিট করিতে লাগিল। হাতির দাঁতের মাকুট বাহির করিয়া ইন্দ্রকুমারকে দেখাইয়া কহিলেন, "এই দেখো, যন্ধের পরীক্ষায় উত্তীণ হইয়া এই পরস্কার পাইয়াছি।” o ইন্দ্রকুমার কন্ধ হইয়া বলিলেন, “যন্ধ! যন্ধে তুমি কোথায় করিলে ! এ পুরস্কার তোমার নহে। এ মনুকুট যবেরাজ পরিবেন।” রাজধর কহিলেন, “আমি জয় করিয়া আনিয়াছি; এ মর্কুেট আমি পরিব।” যবেরাজ কহিলেন, “রাজধর ঠিক কথা বলিতেছেন, এ মনুকুট রাজধরেরই প্রাপ্য।” ইশা খাঁ চটিয়া রাজধরকে বলিলেন, “তুমি মুকুট পরিয়া দেশে যাইবে! তুমি সৈন্যাধ্যক্ষের আদেশ লঙ্ঘন করিয়া যন্ধে হইতে পলাইলে, এ কলঙ্ক একটা মুকুটে ঢাকা পড়িবে না। তুমি একটা ভাঙা হাড়ির কানা পরিয়া দেশে যাও, তোমাকে সাজিবে ভালো ৷” রাজধর বলিলেন, “খাঁ-সাহেব, এখন তো তোমার মুখে খুব বোল ফুটিতেছে, কিন্তু আমি না থাকিলে তোমরা এতক্ষণে থাকিতে কোথায়।" ইন্দ্রকুমার বলিলেন, "যেখানেই থাকি, যন্ধ ছাড়িয়া গতের মধ্যে লুকাইয়া থাকিতাম না।” যবেরাজ বলিলেন, “ইন্দ্রকুমার, তুমি অন্যায় বলিতেছ। সত্য কথা বলিতে কী রাজধর না থাকিলে আজ আমাদের বিপদ হইত।” ইন্দ্রকুমার বলিলেন, “রাজধর না থাকিলে আজ আমাদের কোনো বিপদ হইত না। রাজধর না থাকিলে এ মুকুট আমি যন্ধে করিয়া আনিতাম— রাজধর চুরি করিয়া আনিয়াছে। দাদা, এ মুকুট আনিয়া আমি তোমাকে পরাইয়া দিতাম, নিজে পরিতাম না।” তুমি না থাকিলে অলপ সৈন্য লইয়া আমাদের কী বিপদ হইত জানি না। এ মুকুট আমি তোমাকে পরাইয়া দিতেছি।” বলিয়া রাজধরের মাথায় মুকুট পরাইয়া দিলেন। ইন্দ্রকুমারের বক্ষ যেন বিদীণ হইয়া গেল—তিনি রন্ধকন্ঠে বলিলেন, "দাদা, রাজধর শগালের মতো গোপনে রাত্ৰিযোগে চুরি করিয়া এই রাজমুকুট পরস্কার পাইল ; আর আমি যে প্রাণপণে যন্ধে করিলাম— তোমার মুখ হইতে একটা প্রশংসার বাক্যও শুনিতে পাইলাম না! তুমি কিনা বলিলে, রাজধর না থাকিলে কেহ তোমাকে বিপদ হইতে উদ্ধার করিতে পারিত না । কেন দাদা, আমি কি সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তোমার চোখের সামনে যন্ধে করি নাই— আমি কি যন্ধে ছাড়িয়া পলাইয়া মনক্সট ఉళి f. -आधि कि कथन७ छौब्राऊा एमथाहेग्नाङ्।ि आभि कि भग्नश्ननग्रक दियख्षि कब्रिग्ना एङाधाब्र नाशळ्याब्र छना श्रानि नाई। कौ एर्नाथग्ना छूभि बाणप्न एव, তোমার পরম স্নেহের রাজধর ব্যতীত কেহ তোমাকে বিপদ হইতে উখার করিতে পারিত না!” যবেরাজ একান্ত ক্ষুব্ধ হইয়া বলিলেন, “ভাই, আমি নিজের বিপদের কথা বলিতেছি না”— কথা শেষ হইতে না হইতে অভিমানে ইন্দ্রকুমার ঘর হইতে বাহির হইয়া গেলেন । ইশা খাঁ যুবরাজকে বলিলেন, “বাবরাজ, এ মুকুট তোমার কাহাকেও দিবার অধিকার নাই। আমি সেনাপতি, এ মাকুট আমি যাহাকে দিব তাহারই হইবে।” বলিয়া ইশা খাঁ রাজধরের মাথা হইতে মুকুট তুলিয়া যবেরাজের মাথায় দিতে গেলেন। যবেরাজ সরিয়া গিয়া বলিলেন, “না, এ আমি গ্রহণ করিতে পারি না।” ইশা খাঁ বলিলেন, “তবে থাক। এ মুকুট কেহ পাইবে না।” বলিয়া পদাঘাতে মুকুট কর্ণফুলি নদীর জলে ফেলিয়া দিলেন। বলিলেন, “রাজধর যন্ধের নিয়ম লঙ্ঘন করিয়াছেন— রাজধর শাস্তির যোগ্য।” দশম পরিচ্ছেদ ইন্দ্রকুমার তাঁহার সমস্ত সৈন্য লইয়া আহতহদয়ে শিবির হইতে দরে চলিয়া গেলেন। যন্ধে অবসান হইয়া গিয়াছে, ত্রিপরার সৈন্য শিবির তুলিয়া দেশে ফিরিবার উপক্ৰম করিতেছে। এমন সময় সহসা এক ব্যাঘাত ঘটিল। ইশা খাঁ যখন মুকুট কাড়িয়া লইলেন রাজধর মনে-মনে কহিলেন, “আমি না থাকিলে তোমরা কেমন করিয়া উদ্ধার পাও একবার দেখিব।” তাহার পরদিন রাজধর গোপনে আরাকানপতির শিবিরে এক পত্র পাঠাইয়া দিলেন। সেই পরে তিনি ত্রিপরার সৈন্যের মধ্যে আত্মবিচ্ছেদের সংবাদ দিয়া আরাকানপতিকে যন্ধে আহবান করিলেন। ইন্দ্রকুমার যখন স্বতন্ত্র হইয়া সৈন্যসমেত স্বদেশাভিমুখে বহন্দরে অগ্রসর হইয়াছেন এবং যবেরাজের সৈন্যেরা শিবির তুলিয়া গাহের অভিমুখে যাত্রা করিতেছেন, তখন সহসা মগেরা পশ্চাৎ হইতে আক্ৰমণ করিল— রাজধর সৈন্য লইয়া কোথায় সরিয়া পড়িলেন তাঁহার উদ্দেশ পাওয়া গেল না। যবেরাজের হতাবশিষ্ট তিন সহস্র সৈন্য প্রায় তাহার চতুরগণে মগসৈন্য-কর্তৃক হঠাৎ বেষ্টিত হইল। ইশা খাঁ যুবরাজকে বলিলেন, “আজ আর পরিত্রাণ নাই। যন্ধের ভার আমার উপর দিয়া তুমি পলায়ন করো।” যুবরাজ দঢ়স্বরে বলিলেন, “পলাইলেও তো একদিন মরিতে হইবে।” চারি দিকে চাহিয়া বলিলেন—“পলাইবই বা কোথা! এখানে মরিবার যেমন সুবিধা পলাইবার তেমন সুবিধা নাই। হে ঈশ্বর, সকলই তোমারই ইচ্ছা ।” ईशा थाँ बलिटव्णन, “उद्भव आईन, आछ नप्राप्त्वाश् कब्रिग्ना भब्रा बाक ।”-वजिझा প্রাচীরবৎ শত্রুসেন্যের এক দলবল অংশ লক্ষ্য করিয়া সমস্ত সৈন্য বিদ্যুৎ-বেগে ఫిషా8 গল্পগুচ্ছ ছটাইয়া দিলেন। পলাইবার পথ রন্ধ দেখিয়া সৈন্যেরা উন্মত্তের ন্যায় লড়িতে লাগিল। ইশা খাঁ দই হাতে দুই তলোয়ার লইলেন—তাঁহার চতুঃপাশেব একটি লোক তিষ্ঠিতে পারিল না। যন্ধক্ষেত্রের এক পথানে একটি ক্ষুদ্র উৎস উঠিতেছিল, তাহার জল রক্তে লাল হইয়া উঠিল । ইশা খাঁ শত্রর বহে ভাঙিয়া ফেলিয়া লড়িতে লড়িতে প্রায় পবতের শিখর পৰ্যন্ত উঠিয়াছেন, এমন সময় এক তাঁর আসিয়া তাঁহার বক্ষে বিন্ধ হইল। তিনি আল্লার নাম উচ্চারণ করিয়া ঘোড়ার উপর হইতে পড়িয়া গেলেন। যবেরাজের জানতে এক তীর, পষ্ঠে এক তাঁর এবং তাঁহার বাহন হাতির পঞ্জরে এক তাঁর বিদ্ধ হইল। মাহত হত হইয়া পড়িয়া গিয়াছে। হাতি যন্ধক্ষেত্র ফেলিয়া উন্মাদের মতো ছয়টিতে লাগিল। যবেরাজ তাহাকে ফিরাইবার অনেক চেষ্টা করিলেন, সে ফিরিল না। অবশেষে যন্ত্রণায় ও রক্তপাতে দলবল হইয়া ষন্ধক্ষেত্র হইতে অনেক দরে কর্ণফুলি নদীর তীরে হাতির পিঠ হইতে মাছিত হইয়া পড়িয়া গেলেন। একাদশ পরিচ্ছেদ আজ রাত্রে চাঁদ উঠিয়াছে। অন্য দিন রাত্রে যে সবজে মাঠের উপরে চাঁদের আলো বিচিত্রবণ ছোটো ছোটো বনফলের উপর আসিয়া পড়িত, আজ সেখানে সহস্ৰ সহস্ৰ মানুষের হাত পা কাটা-মন্ডু ও মতদেহের উপর আসিয়া পড়িয়াছে— যে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ উৎসের জলে সমস্ত রাত ধরিয়া চন্দ্রের প্রতিবিম্ব নত্য করিত, সে উৎস মত অশেবর দেহে প্রায় রন্ধ— তাহার জল রক্তে লাল হইয়া গেছে। কিন্তু দিনের বেলা মধ্যাহ্নের রৌদ্রে যেখানে মৃত্যুর ভীষণ উৎসব হইতেছিল, ভয় ক্ৰোধ নিরাশা হিংসা সহস্র হদয় হইতে অনবরত ফেনাইয়া উঠিতেছিল— অস্ত্রের ঝনঝন, উন্মাদের চীৎকার, আহতের আতনাদ, অশেবর হেষা, রণশঙ্খের ধবনিতে নীল আকাশ যেন মলিথত হইতেছিল— রাত্রে চাঁদের আলোতে সেখানে কী অগাধ শান্তি, কী সংগভীর বিষাদ! মৃত্যুর নত্য যেন ফরাইয়া গেছে, কেবল প্রকাণ্ড নাট্যশালার চারি দিকে উৎসবের ভগ্নাবশেষ পড়িয়া আছে। সাড়াশব্দ নাই, প্রাণ নাই, চেতনা নাই, হাদয়ের তরঙ্গ সতব্ধ। এক দিকে পবতের সদেীঘ ছায়া পড়িয়াছে, এক দিকে চাঁদের আলো। মাঝে মাঝে পাঁচ-ছয়টা করিয়া বড়ো বড়ো গাছ ঝাঁকড়া মাথা লইয়া শাখা প্রশাখা জটাজট অাঁধার করিয়া স্তব্ধ হইয়া দাঁড়াইয়া আছে। ইন্দ্রকুমার যুদ্ধের সমস্ত সংবাদ পাইয়া যখন যবেরাজকে খুজিতে আসিয়াছেন, তখন যবেরাজ কর্ণফুলি নদীর তীরে ঘাসের শয্যার উপর শ্যইয়া আছেন। মাঝে মাঝে অঞ্জলি পরিয়া জল পান করিতেছেন, মাঝে মাঝে নিতান্ত অবসন্ন হইয়া চোখ বলজিয়া আসিতেছে। দরে সমুদ্রের দিক হইতে বাতাস আসিতেছে। কানের काहछ् कूलकूठ कब्रिग्ना ननौब्र छल वाश्झा याईष्ऊद्दछ । छनधाभौ नाई। प्लाव्रि मिट्टक বিজন পবত দড়িাইয়া আছে—বিজন অরণ্য ঝাঁ ঝাঁ করিতেছে- আকাশে চন্দ্র একাকী, জ্যোৎস্নালোকে অনন্ত নীলাকাশ পাডুবৰ্ণ হইয়া গিয়াছে। এমন সময়ে ইন্দ্রকুমার যখন বিদীর্ণ হৃদয়ে দাদা’ বলিয়া ভাকিয়া উঠিলেন, মুকুট పిప్పి6 তখন আকাশ পাতাল যেন শিহরিয়া উঠিল। চন্দ্রনারায়ণ চমকিয়া জাগিয়া ‘এসো ভাই বলিয়া আলিঙ্গনের জন্য দুই হাত তুলিয়া দিলেন। ইন্দ্রকুমার দাদার আলিঙ্গনের মধ্যে বন্ধ হইয়া শিশুর মতো কাঁদিতে লাগিলেন। চন্দ্রনারায়ণ ধীরে ধীরে বলিলেন, "আঃ, বচিলাম ভাই! তুমি আসিবে জানিয়াই এতক্ষণ কোনোমতে আমার প্রাণ বাহির হইতেছিল না। ইন্দ্রকুমার, তুমি আমার উপরে অভিমান করিয়াছিলে, তোমার সেই অভিমান লইয়া কি আমি মরিতে পারি। আজ আবার দেখা হইল, তোমার প্রেম আবার ফিরিয়া পাইলাম—এখন মরিতে আর কোনো কট নাই।" | বলিয়া দই হাতে তাঁহার তাঁর উৎপাটন করিলেন। রক্ত ছটিয়া পড়িল, তাঁহার শরীর হিম হইয়া আসিল। মাদস্বরে বলিলেন, “মরিলাম তাহাতে দুঃখ নাই, কিন্তু আমাদের পরাজয় হইল!" r Ad ইন্দ্রকুমার কাদিয়া কহিলেন, "পরাজয় তোমার হয় নাই দাদা, পরাজয় আমারই হইয়াছে।” খেলা শেষ করিয়া আসিলাম, এখন তোমার কোলে পথান দাও।”—বলিয়া চক্ষ মাদ্রিত করিলেন। ভোরের বেলা নদীর পশ্চিম পাড়ে চন্দ্র যখন পাডুবণ হইয়া আসিল, চন্দ্রনারায়ণের মাদ্রিতনের মুখচ্ছবিও তখন পান্ডুবৰ্ণ হইয়া গেল। চন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গোই তাঁহার জীবন অস্তমিত হইল। গল্পগুচ্ছ

  • ग्निभिषग्ने

विजग्नौ भण-नानाब्रा नभन्ठ 5प्लेशाभ ग्निन्दब्राब्र निक झईएउ कर्णाफ़ग़ा जद्देण। शि”एन्नान्न ब्राछषानौ छैनम्नश्रुग्न श्रबन्छ जुन कर्गब्रण। अश्वव्रभाषिका प्रिसधाप्ले श्रजाइँल्ला भिग्ना অপমানে আত্মহত্যা করিয়া মরিলেন। ইন্দুকুমার মগদের সহিত যন্ধে করিয়াই মরেন— छौवन e कलष्क लझेन्ना हमळण शिर्गब्राउ उाँशब्र ईश झिल ना । রাজধর রাজা হইয়া কেবল তিন বৎসর রাজত্ব করিয়াছিলেন—তিনি গোমতীর জলে ডুবিয়া মরেন। ইন্দ্রকুমার যখন যন্ধে যান তখন তাঁহার স্মী গভবতী ছিলেন। তাঁহারই পত্র কল্যাণমাণিক্য রাজধরের মৃত্যুর পরে রাজা হন। তিনি পিতার ন্যায় বীর ছিলেন। যখন সমাট শাজাহানের সৈন্য ত্রিপরা আক্ৰমণ করে, তখন কল্যাণমাণিক্য তাহাদিগকে পরাজিত করিয়াছিলেন। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১২১২