প্রধান মেনু খুলুন

○豆にさFーマ| সেবার দেশময় রটে গেল যে, তিনটি শিশু বলি না দিলে রূপানারায়ণের উপর রেলের পুল কিছুতেই বাধা যাচ্ছে না। দুটি ছেলেকে জ্যান্ড থামের নীচে পোত হয়ে গেচে, বাকী শুধু একটি। একটি সংগ্রহ হলেই পুল তৈরী হয়ে যায়। শোনা গেল, রেল-কোম্পানীর নিযুক্ত ছেলেধরার সহরে ও গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্চে। তারা কখন এবং কোথায় এসে হাজির হবে, কেউ বলতে পারে না । তাদের কারোয় পোষাক ভিখিরীর, কারও বা সাধু-সন্ন্যাসীর, কেউ বা বেড়ায় লাঠি-হাতে ডাকাতের মত—এ জনশ্রুতি পুরানো, সুতরাং কাছাকাছি পল্লীবাসীর ভয়ের ও সন্দেহের সীমা রহিল না যে, এবার হয়ত তাদের পালা, তাদের ছেলেপূলেই হয়ত পুলের তলায় পোত্তা যাবে । কারও মনে শাস্তি নেই, সব বাড়িতেই কেমন একটা ছমছম্ভাব। আবার তার উপরে আছে খবরের কাগজের খবর। কলকাতায় যার চাকুরি করে তারা এসে জানায়, সেদিন বউবাজারে একটা ছেলেধরা ধরা পড়েচে, কাল কড়েয়ায় আর একটা লোককে হাতে-নাতে ধরা গেছে, সে ছেলে ধরে ঝুলিতে পুরছিল। এমনি কত খবর । কলকাতার অলিতে-গলিতে সন্দেহক্রমে কত নিরীহের প্রতি কত অত্যাচারের খবর লোকের মুখে মুখে আমাদের দেশে এসে পৌছল। এমনি যখন অবস্থা তখন আমাদের দেশেও হঠাৎ একটা ঘটনা ঘটে গেল। সেইটে বলি। পথের অদূরে একটা বাগানের মধ্যে বাস করেন বৃদ্ধ মুখুয্যে-দম্পতি। ছেলে-পুলে নেই, কিন্তু সংসারে ও সাংসারিক সকল ব্যাপারে আশক্তি আঠারো জানা । ভাইপোকে আলাদা করে দিয়েছেন, কিন্তু আর কিছুই দেননি। দেবেন এ-কল্পনাও র্তাদের নেই । সে এসে মাঝে মাঝে দাবী করে ঘাট-বাট-তৈজসপত্র ; খুড়ি চেচিয়ে হাট বধিয়ে দিয়ে লোকজন জড়ো করেন, বলেন হীরু জামাদের মারতে এসেছিল। হীরু বলে, সেই ভাল—মেরেই একদিন সমস্ত আদায় করব। এমনি করে দিন যায় । - সেদিন সকালে ঝগড়ার চূড়ান্ত হয়ে গেল। হীরু উঠানে দাড়িয়ে বললে, শেষ বেলা বলটি খুড়ো, আমার ভাষ্য পাওনা দেবে কি না বল ? খুঁড়ো বললেন, তোয় কিছু নেই। \ፃእ अंद्भ९-जांश्छि7-ज९७jश् নেই ? न1 ।। আদায় করে আমি ছাড়ব । খুড়ি রান্নাঘরে কাজে ছিলেন, বেরিয়ে এসে বললেন, তা হলে যা তোর বাবাকে ডেকে আন গে । হীরু বললে, আমার বাবা স্বর্গে গেছেন, তিনি আসতে পারবেন না,-আমি গিয়ে তোমাদের বাবাদের ডেকে আনব । তাদের কেউ হয়ত বেঁচে আছে—তারা এসে চুল-চিরে আমার বখর ভাগ করে দেবে। তারপর মিনিট-দুয়েক ধরে উভয় পক্ষে যে-ভাষা চলল তা লেখা চলে না। যাবার আগে হীরু বলে গেল, আজই এর একটা হেস্তনেস্ত করে ছাড়ব । এই তোমাদের বলে গেলুম। সাবধান ! রান্নাঘর থেকে খুড়ি বললেন, তোর ভারি ক্ষমতা ! যা পারিস কর গে । হৗক এসে হাজির হলো রাইপুরে । ঘর-কয়েক গরীব মুসলমানের পল্লী । মহরমের দিনে বড় বড় লাঠি ঘুরিয়ে তার তাজিয়া বার করে। লাঠি তেলে পাকামো, গাটে গাটে পেতল বাধানে । এই থেকে অনেকের ধারণা তাদের মত লাঠি-খেলোয়াড় এ অঞ্চলে মেলে না। তারা পারে না এমন কাজ নেই। শুধু পুলিশের ভয়ে শাস্ত হয়ে থাকে । হীরু বললে, বড় মিঞা, এই নাও দুটি টাকা আগাম । তোমার আর তোমার ভায়ের। কাজ উদ্ধার করে দাও, আরো বকৃশিস পাবে। টাকা দুটি হাতে নিয়ে লতিফ মিঞা হেসে বললে, কি কাজ বাৰু ? হীরু বললে, এদেশে কে না জানে তোমাদের দু-ভায়ের কথা ! লাঠির জোরে বিশ্বাসদের কত জমিদারী হাসিল করে নিয়েচ । তোমরা মনে করলে পার না কি । বড় মিঞা চোখ টিপে বললে, চুপ চুপং বাবু থানার দারোগা শুনতে পেলে জার রক্ষে থাকবে না ! বীরনগর গ্রামখানাই যে দু-ভায়ে দখল করে দিয়েচি, এ যে তারা জানে। কেউ চিনতে পারেনি বলেই ত সে-যাত্রা বেঁচে গেছি। হীরু আশ্চৰ্য্য হয়ে বললে, কেউ চিনতে পারেনি ? লতিফ বললে, পারবে কি করে ! মাথায় ইয়া পাগ বাধ, গালে গাল-পাট্টা, কপালে কপাল-জোড়া সিদ্বিরের ফোট, হাতে ছ-হাতি লাঠি,—লোকে ভাবলে হিন্দুর যমপুরী থেকে যমদূত এসে হাজির হলো। চিনবে কি—কোথায় পালাল তার fकांना ब्रहेण म!।

  • १३ বাল্যকালের গল্প

হীক তার হাতখানা ধরে ফেলে বললে, বড় মিঞা, এই কাজটি আর একবাৰ তোষাকে করতে হবে, দাদা। আমার খুড়ো তবু যা হোক দুটো ভাগের ভাগ দিতে চায়, কিন্তু খুড়ি বেটা এমনি শয়তান যে একটা চুমকি ঘটিতে পৰ্য্যন্ত হাত দিতে দেয় না। ওই পাগড়ী, গাল-পাট, আর পিছর মেখে লাঠি হাতে একবার গিয়ে উঠানে দাড়াবে, তোমাদের ডাকাতের হুমকি একবার ঝাড়বে, তার পর দেখে নেবো কিসে কি হয়। আমার যা-কিছু পাওনা ফেড়ে বের করে আনব । ঠিক সন্ধ্যায় আগে-ব্যাস । - লতিফ মিঞা রাজি হ’লো। লতিফ মামুদ্র দ্ব-ভাই সাজ-পোশাক পরে আজই গিয়ে খুড়োর বাড়িতে হানা দেবে ঠিক হয়ে গেল। পিছনে থাকবে হীরু । একাদশী । সারাদিনের পর দাওয়ায় ঠাই করে দিয়েচেন জগদম্বা। মুখুয্যেমশাই বলেচেন জলযোগে । সামান্ত ফল-মূল ও দুধ । বেতো ধাত—একাদশীতে অল্পাহার সহ হয় না। পাথরের বাটিতে ভাবের জলটুকু মুখে তুলেচেন, এমন সময় দরজা ঠেলে ঢুকল ভূ-ভাই লতিফ আর মামু ! ইয়া পাগড়ী, ইয়া গাল-পাট, হাতে ছ-হাতি লাঠি, কপাল-জোড়া সিদ্ধির মাখানো । মুখুয্যের হাত থেকে পাথরের বাটি দুম করে পড়ে গেল,—জগদম্ব চীংকার করে উঠলেন -- ওগো পাড়ার লোক, কে কোথায় আছো, এসে গে, ছেলে-ধয়া ঢুকেচে । b স্বমুখের ছোট মাঠটা ঘর কেটে ছোট ছোট ছেলের দল রোজ ফিঞে খেলে, আজও খেলছিল, —তারাও চেঁচাতে চেঁচাতে যে যেখানে পারলে ছুট দিলে—ওগো ছেলে-ধরা এসেচে, অনেক ছেলে ধরে নিয়ে যাচ্ছে । হীরু সঙ্গে এসেছিল বাড়ি চিনিয়ে দিতে দোরের আড়ালে লুকিয়ে ছিল—সে চাপা গলায় বললে—আর দেখ কি মিঞা, পালাও । পাড়ার লোক ধরে ফেললে আর রক্ষে নেই। বলেই নিজে মারলে ছুষ্ট । - - লতিফ মিঞাঁ সহরের আর কিছু না শুনে থাকৃ, ছেলে-ধরার জনশ্রুতি তাদের কামে এসেও পৌছেচে । চক্ষের পলকে বুঝলে এ অজামা জায়গায় এরূপ বেশে এই পিছর মাখ মুখে ধরা পড়ে গেলে দেহের একখানা হাড়ও আস্ত থাকবে না। মৃতরাং তারাও মাৱল দুট। কিন্তু ছুটলে হবে কি ? পথ অচেন, আলো এসেচে কমে-চতুকি থেকে কেবল বহুকষ্ঠের সমবেত চীংকার—ধরে ফ্যাল ধরে ফ্যাল! মেয়ে ক্যাল बाऐारात्र ! झ्ाप्ने डाइँ भाय्द काषाइ श्राणाण किन नरे, किरू बस्ने उार লতিফকে সৰাই ঘিরে ফেললে—সে প্রাণের দায়ে কাটা বন ভেঙ্গে লাফিয়ে পড়ল একটা ডোবার। তার পর সবাই পাড়ে দাড়িয়ে ছড়তে লাগল টিল। বেই মাখা २१७ } ०य-७६ अंग्र९-नांहेिष्ठा-न९@iश् তোলে অমনি মাথায় পড়ে টিল। আবার সে মারে ডুব। আবার ওঠে, জাবার মাথায় পড়ে ঢ়িল । লতিফ মিঞা জল খেয়ে আর ইট খেয়ে আধ-মরা হয়ে পড়ল। সে যতই হাত জোড় করে বলতে চার সে ছেলে-ধয়া নয়, ছেলে ধরতে আসেনি,—ততই লোকের রাগ জার সঙ্গেহ বেড়ে যায়। তারা বলে নইলে ওর গাল-পাট্টা কেন ? ওর পাগড়ী কিসের জন্ত ? ওর মুখময় এত সিদ্ধির এলো কোথা থেকে ? পাগড়ী তার খুলে গেছে, গাল-পাট একধারে খুলচে-কপালের সিদ্ধর জলে ধুয়ে মুখময় লেগেচে । এ-সব কথা সে পাড়ের লোকদের বলেই বা কখন, শোনেই বা কে ! ততক্ষণে কতকগুলি উৎসাহী লোক জলে নেমে লতিফকে টেনে হিচড়ে তুলেচে —সে কাদতে কাদতে কেবলই জানাচ্চে, সে লতিফ মিঞা, তার ভাই মামুদ মিঞা— তার ছেলে-ধরা নয় । এমন সময় আমি যাচ্ছিলুম সেই পথে—হাঙ্গামা শুনে নেমে এলুম পুকুর-ধারে । আমাকে দেখে উত্তেজিত জনতা আর একবার উত্তেজিত হয়ে উঠল। সবাই সমস্বয়ে বলতে লাগল, তারা একটা ছেলে-ধরা ধরেচে। লোকটার অবস্থা দেখে চোখে জল এলো, তার মুখ দিয়ে কথা বেরোবার শক্তি নেই-গাল-পাটায়, পাগড়ীতে সি দুয়েরক্তে মাখামাথি —শুধু হাত-জোড় করচে অার কাচে । জিজ্ঞাসা করলুম, ও কার ছেলে চুরি করেচে ? কে নালিশ করেচে ? তার বললে, তা কে জানে ? স্থেলে কৈ ? তাই বা কে জানে ? তবে এমন করে যায়চো কেন ? কে একজন বুদ্ধিমান বললে, ছেলে বোধ হয় ও প্যকে পুতে রেখেচে । রাত্তিরে তুলে নিয়ে যাবে। বলি দিয়ে পুলের তলায় পুতরে । বললুম মরা ছেলে কখনো বলি দেওয়া যার ? তারা বলল, ময়া হবে কেন, জ্যান্ত ছেলে। ...পাকে পুতে রাখলে ছেলে জ্যাস্ত থাকে কখনো ? . যুক্তিটা তখন অনেকের কাছেই সমীচীন বোধ হ'লো। এতক্ষণ উত্তেজনার মুখে লে-কথা কেউ ভাববারই সময় পায়নি । - বললুম, ছাড় ওকে। লোকটাকে জিজ্ঞেস করলুম-মিঞা, ব্যাপারটা সত্যি কি श्वश् ड् " ♥ግቧ বাল্যকালের গ* এখন অভয় পেয়ে কেটা কামতে কঁদিতে সমস্ত ঘটনা বিবৃত করলে। মুখুয্যেদম্পতির উপর কা ও সহানুভূতি ছিল না । শুনে অনেকের করুণাও হলো । বললুম, লতিফ বাড়ি যাও, আর কখনও এ-সব কাজে এসে না। সে নাক মললে, কান মললে –খোদার কিরে নিয়ে বললে, বাবুমশায়, আর এ-সব কাজে কখনো না । কিন্তু আমার ভাই গেল কোথায় ? বললুম, ভায়ের ভাবনা বাড়ি গিয়ে ভেবে লতিফ, এখন নিজের প্রাণটা যে বঁাচল এই ঢের । লতিফ খোড়াঙে থোড়াতে কোনমতে বাড়ি চলে গেল । অনেক রাত্রে আর একটা প্রচও কোলাহল উঠল ঘোষালদের পাড়ায় । তাদের ঝি গোয়ালে ঢুকছিল গরুকে জাব দিতে। খড়ের ঝুড়ি টানতে গিয়ে দেখে টানা যায় না—হঠাৎ তার মধ্যে থেকে একটা ভীষণ-মূৰ্ত্তি লোক বেরিয়ে ঝির পা দুটাে জড়িয়ে ধরলে | ঝি যতই চেঁচায়, বেরোও গো কে কোথা আছ,—ভূত আমাকে খেয়ে ফেলগে । ভূত ততই তার মুখ চেপে ধরে বলে, মা গো, আমাকে বাচাও-আমি ভূত-পেরেত बहै, অামি মানুষ । টীংকারে বাড়ির কৰ্ত্ত আলো নিয়ে লোকজন নিয়ে এসে উপস্থিত—আগের ঘটনা গায়ের সবাই শুনেচে । সুতরাং ছোট ভায়ের ভাগ্যে বড় ভাইয়ের ছৰ্গতি আর ঘটল না, সৰাই সহজে বিশ্বাস করলে এই সেই মামুদ মিঞা । ভূত নয়। ঘোষাল তাকে ছেড়ে দিলে—শুধু তার সেই পাক লাঠিটি কেড়ে নিয়ে বললে, ছোট মিএগ, সমস্ত জীবন মনে থাকলে বলে এটা রেখে দিলুম ! মুখের ঐ সব রঙ টঙ ধরে ফেলে এখন আস্তে আস্তে ঘরে যাও । কৃতজ্ঞ মামুদ একশ সেলাম জানিয়ে ধীরে ধীরে সরে পড়ল। ঘটনাটি ছেলে জুলামে গল্প নয়, সত্যই আমাদের ওখানে ঘটেছিল। ቅ እወ লণলন্ত । ছেলেবেলায় আমার এক বন্ধু ছিল তার নাম লালু। অৰ্দ্ধ শতাব্দী পূৰ্ব্বে-অর্থাৎ, সে এতকাল পূৰ্ব্বে যে, তোমরা ঠিক-মত ধারণা করতে পারবে না—আমরা একটি ছোট বাঙলা ইস্কুলের এক ক্লাসে পড়তাম। আমাদের বয়স তখন দশ-এগারো। মানুষকে ভয় দেখাবার, জবা করবার কত কৌশলই যে তার মাথায় ছিল তার ঠিকানা নেই। ওর মাকে রবাবের সাপ দেখিয়ে একবার এমন বিপদে ফেলেছিল যে, তিনি পা মচ কে প্রায় সাত-আটদিন খুড়িয়ে চলেছিলেন । তিনি রাগ করে বললেন—ওর একজন মাস্টার ঠিক করে দিতে। সন্ধ্যেবেলার এসে পড়াতে বসবেন, ও আর উপদ্রব করবার সময় পাবে না । শুনে লালুর বাবা বললেন, না। র্তার নিজের কখনো মাস্টার ছিল না, নিজের চেষ্টায় অনেক দুঃখ সয়ে লেখ-পড়া করে এখন তিনি একজন বড় উকীল। ইচ্ছে ছিল ছেলেও যেন তেমনি করেই বিস্ত্য লাভ করে। কিন্তু সৰ্ত্ত হলো এই যে, যে-বার লালু, ক্লাসের পরীক্ষায় প্রথম না হতে পারবে তখন থেকে থাকলে ওর বাড়িতে পড়ানোর টিউটার। সে যাত্র লালু পরিত্রাশ পেলে, কিন্তু মনে মনে রইল ও মার পরে চটে। কারণ, উনি তার ঘাড়ে মাস্টার চাপানোর চেষ্টায় ছিলেন । সে জানত বাড়িতে মাস্টার ড়েকে আন আর পুলিশ ডেকে আনা সমান । . লালুর বাপ ধনী গৃহস্থ। বছর কয়েক হলো পুরানো বাড়ি ভেঙ্গে তেতাল, বাড়ি করেচেন ; সেই অবধি লালুর মায়ের আশা গুরুদেবকে এ-বাড়িতে এনে তার পায়ের ধূলো নেন। কিন্তু তিনি বৃদ্ধ ফরিদপুর থেকে এতদূরে আসতে রাজি হন না, কিন্তু এইবার সেই স্বযোগ ঘটেচে। স্থতির স্বৰ্য্যগ্রহণ-উপলক্ষে কাশী এলেচেন, সেখান থেকে লিখে পাঠিয়েছেন—ফেরবার পথে নারাণীকে আশীৰ্ব্বাদ করে যাবেন । লালুর মার আনন্দ ধরে না—উভোগ-আয়োজমে ব্যস্ত—এতদিনে মনস্কামনা সিদ্ধ হবে, গুরুদেবের পায়ের ধূলো পড়বে। বাড়িট পবিত্র হয়ে যাবে। নীচের বড় ঘরটা থেকে আসবাবপত্র সরামে হলো, নতুন ফিতের খাট, নতুন শষ্য তৈরী হয়ে এলে,—গুরুদেব শোবেন। এই ঘরেরই এক কোণে র্তার পূজো BBBB BBBS BBBS BCC BBBBB BBBSBDD BTDSBBB DD DD DDS ३१४ रुंॉलेjjर्कt¢लब्र ग्रंझै দিন-কয়েক পরে শুরুদেব এসে উপস্থিত হলেন । কিন্তু কি দুর্বোগ 1. আকাশ ছেরে কালে মেঘের ঘটা, যেমন ঝড়, তেমনি বৃষ্টি—তার আর বিরাম নেই । এদিকে মিষ্টান্নাদি তৈরী করতে, ফল-মূল সাজাতে লালুর মা নিশ্বাস নেবার সময় পান না । তারই মধ্যে স্বহস্তে ঝেড়ে-ঝুড়ে মশারি গুজে দিয়ে বিছানা করে গেলেন.। নাৰ কথাবাৰ্ত্তায় রাত হয়ে গেল, পথশ্রমে ক্লাস্ত গুরুদেব জাহারাদি সেরে শয্যা গ্রহণ করলেন। চাকর-বাকর ছুটি পেলে । স্থকোমল শয্যার পারিপাট্যে প্রসন্ন গুরুদেব মনে মনে নন্দরাণীকে আশীৰ্ব্বাদ করলেন । কিন্তু গভীর রাতে অকস্মাৎ তার ঘুম ভেঙে গেল। ছাদ চুইয়ে মশারি ফুড়ে তার স্বপরিপুষ্ট পেটের উপর জল পড়চে । —উঃ, কি ঠাণ্ডা জল! শশব্যন্তে বিছানারবাহিরে এসে পেটটা মুছে ফেললেন, বললেন, নতুন বাড়ি করলে নম্বরাণী, কিণ্ড পশ্চিমের কড়া রোদে ছাতটা এর মধ্যেই ফেটেচে দেখচি । ফিত্তের থাট, ভারী নয়, মশারী-মৃদ্ধ সেটা ঘরের আর একধারে টেনে নিয়ে গিয়ে আবার গুয়ে পড়লেন। কিন্তু; আধ মিনিটের বেশী নধ, চোখ দুটি সবে বুজেচেন, অখনি দু-চার ফোটা তেমদি ঠাও জল টপ টপ টপ টপ করে পেটের ঠিক সেই স্থানটির উপরেই ঝরে পড়ল । স্মৃতিরত্ব আবার উঠলেন, আবার খাট টেনে অন্যধারে নিয়ে গেলেন, বললেন, ইঃBBBS BBB BSBB BBB BSBB BBB BB BBS BBB BBBS BBB পেটের উপর জল ঝরে পড়ল। আবার উঠে পেটের জল মুছে খাটটা টেনে নিয়ে আর: একধারে গেলেন, কিন্তু শোবামাত্রই তেমনি জলের ফোটা । আবার টেনে নিয়ে আর. একধারে গেলেন, কিন্তু সেখানেও তেমনি । এবার দেখলেন বিছানাটাও ভিক্তেচে, শোবার জো নেই। স্মৃতিরত্ব বিপদে পড়লেন । বুড়ো-মানুষ ; আজ্ঞান জায়গায় দোর, খুলে বাইরে থে৩েও ভয় করে, আবার থাকাও বিপজ্জনক । কি জানি ফাট৷ ছাঙ, ভেঙে হঠাৎ মাথায় যদি পড়ে। ভয়ে ভয়ে দোর খুলে বাধাদায় এলেন, সেখানে গঠন একটা জলচে বটে, কিন্তু কেউ কোথাও নেই,--ম্বোর মন্ধকার । ی ধেমন বৃষ্টি তেমনি ঝড়ো হাওয়া ! দাড়াবার জে কি। কোথায় চাকর-বাক্ষর, কোন ধরে শোয় তারা-কিছুই জানেন না তিনি। চেচিয়ে ডাকলেন, কিন্তু কারও সাড়া মিলল না। একধারে একটা বেঞ্চি ছিল, লালুর বাবার গরীব মঙ্কেল যার তারাই এসে বসে। গুরুদেব অগত্য তাতেই বসলেন । আত্মমর্য্যাদার যথেষ্ট লাঘব হ’লো অন্তরে অস্তরে অনুভব করলেন, কিন্তু উপায় কি। উত্তরে বাতাসে বৃষ্টির ছাটের, আমেজ রয়েছে—ণীতে গা শিরশির করে—ক্টোচার খুটটি গায়ে জড়িয়ে নিয়ে, পা, দুটি যথাসম্ভব উপরে তুলে, যথাসম্ভব জারাম পাবার খায়োজন করে নিলেন।

ፃፃ * ģe, iffE EJ HR3} ;

নানাবিধ শ্রাপ্তি ও দুৰ্ব্বিপাকে দেহ অবশ, মন তিক্ত, ঘুমে চোখের পাতা ভারাতুর, অনভ্যস্ত গুরু-ভোজন ও রাত্রি-জাগরণে দু-একটা অল্প উদগারের আভাস দিলে— উদ্বেগের অবধি রইল না ! হঠাৎ এমনি সময় অভাবনীয় নতুন উপদ্রব। পশ্চিমের বড় বড় মশা দুই কানের পাশে এক গান জুড়ে দিলে। চোখের পাতা প্রথমে সাড়া দিতে চায় না, কিন্তু মন শঙ্কায় পরিপূর্ণ হয়ে গেল—কি জানি এর সংখ্যায় কত। মাত্র মিনিট-দুই অনিশ্চিত নিশ্চিত হ’লো ; গুরুদেব বুঝলেন সংখ্যায় এরা অগণিত। সে বাহিনীকে উপেক্ষা করে বিশ্বে এমন বীরপুরুষ কেউ নেই। যেমন তার জলুনি তেমন তার চুলকুনি। স্থতিরত্ন দ্রুত স্থান ত্যাগ করলেন, কিন্তু তারা সঙ্গ নিলে। ঘরের মধ্যে জলের জন্য যেমন ঘরের বাইরে মশার জন্ত তেমন । হাত-পায়ের নিরস্তর অাক্ষেপে, গামছার সম্বন সঞ্চালনে কিছুতেই তাদের আক্রমণ প্রতিহত করা যায় না। স্থতিরস্থ এ-পাশ থেকে ও-পাশে ছুটে বেড়াতে লাগলেন, শীতের মধ্যেও তার গায়ে স্বাম দিলে। ইচ্ছে হ’লে ডাক ছেড়ে চেচান, কিন্তু নিতান্ত বালকোচিত হবে ভেবে বিরত রইলেন। কল্পনায় দেখলেন নম্বরাণী স্বকোমল শয্যায় মশারির মধ্যে আরামে নিজ্জিত, বাড়ির যে যেখানে আছে পরম নিশ্চিন্তে স্বপ্ত—শুধু তার ছুটোছুটিরই বিরাম নেই। কোথাকার ঘড়িতে চারটা বাজল, বললেন, কামড়া ব্যাটার, যত পারিস্ কামড়,— আমি আর পারিনে ; বলেই বারান্দার একটা কোণে পিঠের দিকটা যতটা সম্ভৰ বাচিয়ে ঠেস দিয়ে বসে পড়লেন । বললেন, সকাল পর্য্যস্ত যদি প্রাণটা থাকে ত এ দুর্ভাগা দেশে জার না । যে গাড়ি প্রথমে পাব সেই গাড়িতে দেশে পালাব। কেন ষে এখানে আসতে মন চাইত না তার হেতু বোঝা গেল। দেখতে দেখতে সৰ্ব্বসভাপহর নিদ্রায় তার সারারাত্রির সকল দুঃখ মুছে দিলে,—স্থতিরত্ব অচেতনপ্রায় ঘুমিয়ে পড়লেন। এদিকে নন্দরাণী ভোর না হতেই উঠেচেন,—গুরুদেবের পরিচর্য্যায় লাগতে হবে। রাত্রে গুরুদেব জলযোগ মাত্র করেচেন—যদিচ তা গুরুতর—তবু মনের মধ্যে ক্ষোভ ছিল, খাওয়া তেমন ভাল হয় নাই। আজ দিনের বেলা নানা উপাচারে তা ভরিয়ে ভুলতে হবে। নীচে নেমে এলেন, দেখেন দোর খোলা । গুরুদেব তার আগে উঠেচেন ভেবে একটু লজ্জা বোধ হ’লো। ঘরের মধ্যে মুখ বাড়িয়ে দেখেন তিনি নেই, কিন্তু এ কি ব্যাপার! দক্ষিণ দিকের খাট উত্তর দিকে, তার ক্যাম্বিসের ব্যাগটা জানালা ছেড়ে মাঝখানে নেমেচে, কোশাকুশি, আসন প্রভৃতি পূজা-আহিকের জিনিস-পত্রগুলো সব এলোমেলো স্থানভ্রষ্ট,—কারণ কিছুই বুঝলেন না। বাইরে এসে চাকরদের ডাকলেন, Հ Գեր বাল্যকালের গল্প তারা কেউ তখনও ওঠে নি। তবে একলা শুরুদেব গেলেন কোথায় ? হঠাৎ বৃষ্টি পড়ল—ওটা কি ? এক কোণে জালো-অন্ধকারে মাছধের মত কি একটা বসে না ! সাহসে ভর করে একটু কাছে গিয়ে ঝুকে দেখেন তার গুরুদেব । অব্যক্ত আশঙ্কায় টেটিয়ে উঠলেন, ঠাকুরমশাই! ঠাকুরমশাই ! ঘুম ভেঙ্গে স্থতিরত্ব চোখ মেলে চাইলেন, তার পরে ধীরে ধীরে সোজা হয়ে ৰসলেন। নন্দরাণী ভয়ে, ভাবনায়, লজ্জায় কেঁদে ফেলে জিজ্ঞাসা করলেন, ঠাকুরমশাই, আপনি এখানে কেন ? স্মৃতিরত্ন উঠে দাড়িয়ে বললেন, সারারাত দুঃখের আর পায় ছিল না ধে মা । কেন বাবা ? নূতন বাড়ি করেচ বটে মা, কিন্তু ছা ও কোথাও মার শাস্ত নেই। সারারাতের বৃষ্টি-বাদল বাইরে ও পড়েনি, পড়েচে মামার গায়ের উপর। খাট টেনে যেখানে নিয়ে যাই সেইখানেই পড়ে জল। পাছে ছা ও ভেঙ্গে মাথায় পড়ে, পালিয়ে এলাম বাইরে, BB BB BB B BB BB BS BBBBB BgtttSBB BB BBB BBBB BBBBB যেন ছুবলে খেয়েচে—এধার থেকে ছুটে ওধার ধাই, আবার ওধার থকে ছুটে এধারে আসি । গায়ের অৰ্দ্ধেক যুক্ত বোধ করি আর নেই মা । বহু প্রস্থাপ, বহু সাধ্য-সাধনায় ঘরে জানা বুদ্ধ গুকদেবের ৬,বস্থা দেখে নন্দরাণীর BBB DKSBBB BDD BBBS BBBBS BB BBS gmmm gg S 0 BBS BBBB ঘরের উপর আরও যে দুটো ঘর আছে, বৃষ্টির জল তিন তিনটে ছাদ ফুড়ে নামবে কি করে ? কিন্তু বলতে বলঙেই তার সহসা মনে হলো এ হয়ত ঐ শম্ভু ওনি লালুর কোন রকম শয়তানি বুদ্ধি । ছুটে গিয়ে বিছানা হাতড়ে দেখেন মাঝখানের চাদর . অনেকখানি ভিজে এবং মশারি বেয়ে ফোটা ফোটা জল ঝরচে । তাড়াতাড়ি নামিয়ে নিয়ে দেখতে পেলেন স্বাকড়ায় বাধা এক চাঙড়া বরফ, সবটা গলেনি, তখনও এক . টুকরো বাকী আছে। পাগলের মত ছুটে বাইরে গিয়ে চাকরদের থাকে স্বমুখে পেলেন টেচিত্বে হুকুম দিলেন,—হারামজাদা লেলো কোথায় ? কাজ-কৰ্ম্ম চুলোয় যাক গে, বজাতটাকে যেখানে পাবি মারতে মারতে ধরে আন । লালুর বাবা সেইমাত্র নীচে নামছিলেন, স্ত্রীর কাও দেখে হতবুদ্ধি হয়ে গেলেন । —কি কাগু করচ ? হলো কি ? মঙ্গরাণী কেঁদে ফেলে বললেন, হয় তোমার ঐ লেলোকে বাড়ি থেকে ৬াড়াও, না হয় আজই জামি গঙ্গার ভূৰে এ-মহাপাতকের প্রায়শ্চিত করব। কি করলে সে ? ኟግሕ अंद्र९-नॉश्डिJ-म९#ह বিনা দোধে গুরুদেবের দশা কি করেচে চোখে দেখোসে। তখন সবাই গেলেন ঘরে। নদরাণী সব বললেন, সব দেখালেন। স্বামীকে বললেন, এ দস্তি ছেলেকে নিয়ে ঘর করব কি করে তুমি বল ? 净 গুরুদেব ব্যাপারটা সমস্ত বুঝলেন। নিজের নির্ব,দ্ধিতায় বৃদ্ধ হাঃ হাঃ করে ছেসে ফেললেন । লালুর বাবা আর একদিকে মুখ ফিরিয়ে দাড়িয়ে রইলেন। চাকররা এসে বললে, লালুবাবু কোঠি মে নহি যায়। আর একজন এসে জানাল সে মালীমার বাড়িতে বসে খাবার খাচ্ছে। মালীম তাকে আসতে দিলেন না। মাঙ্গীমা মানে নন্দর ছোট বোন। তার স্বামীও উকীল, সে অন্ত পাড়ায় থাকে। এর পরে লালু দিন-পনেরো আর এ বাড়ির ত্রিসীমানায় পা দিলে না। =る干=モtー秀甘言 ब्रऽङ्ऴ्न्र-त्रतः। সেদিন কনকনে শীতের সন্ধ্যা। আগের দিন খুব এক পশলা বৃষ্টিপাত হওয়ায় শীতটা যেন চের মত গায়ে বিধিতেছিল। আকাশে পূর্ণচন্দ্র। চারিদিক জ্যোংস্নায় যেন ভাসিয়া বাইতেছে। হঠাৎ ইন্দ্র আসিয়া হাজির ৷ কহিল, “—তে থিয়েটার হবে ষাবি ?” থিয়েটারের নামে একেবারেই লাফাইয়া উঠিলাম। ইজ কহিল, "তবে কাপড় পরে শীগগির আমাদের বাড়ি আয় ।” . .” পাচ মিনিটের মধ্যে একটা র্যাপার টানিয়া লইয়া ছুটিয়া বাহির হইলাম। সেখানে যাইতে হইলে ট্রেনে যাইতে হয়। ভাবিলাম উহাদের বাড়ির গাড়ি করিয়া স্টেশনে যাইতে হইবে—তাই তাড়াতাড়ি । • - ইন্দ্ৰ কহিল, “তা নয়। আমরা ডিঙিতে যাব ।” * . আমি নিরুৎসাহ হইয়া পড়িলাম। কারণ, গঙ্গার উজান ঠেলিয়। যাইতে হইন্থে : বিলম্ব হওয়াই সম্ভব। হয়ত বা সময়ে উপস্থিত হইতেই পারা যাইবে না। : . રોઝા , दांठ्J कttळाद्र शृंझ ইন্দ্ৰ কহিল, “ভয় নেই, জোর হাওয়া আছে, দেরি হবে না, আমার নতুন-পা কোলকাতা থেকে এসেছেন, তিনি গঙ্গা দিয়ে যেতে চান ।” যাক, দাড় বাধিয়া পাল খাটাইয়া ঠিক হইয়া বসিয়া আছি—অনেক বিলম্বে ইন্দ্রের নতুন-পা ঘাটে পৌছিলেন। চাদের আলোকে তাহাকে দেখিয়া ভয় পাইয়া গেলাম। কোলকা তার বাবু-অৰ্থাৎ ভয়ঙ্কর বাৰু। সিস্কের মাঞ্জা, চকচকে পাম্প-স্ব, আগ+. গোড়া ওভারকোটে মোড়া, গলার গলাবন্ধ, হাতে দস্তান, মাথায় টুপি—পশ্চিমের . শীতের বিরুদ্ধে তাহার সতর্কতার অস্ত নাই । আমাদের সাধের ডিঙিটাকে তিনি অত্যন্ত যাচ্ছে তাই বলিয়া কঠোর মত প্রকাশ করিয়া ইন্দ্রর কাধে ভর দিয়া আমার হাত ধরিয়া অনেক সাবধানে নৌকার মাঝখানে জাকিয়া বসিলেন । “তোর নাম কি রে ?” ভয়ে ভয়ে বলিলাম,—“শ্ৰীকান্ত ।” -. তিনি দাত খি চাইয়া বলিলেন, “আবার শ্ৰী-কান্ত ! শুধু কান্ত । নে, তামাক । সাজং। ইন্দ্র, হুকো-কলকে রাখলি কোথায় ? ছোড়াটাকে দে, তামাক সাজুক।” ওরে বাবা, মামুষ চাকরকেও ত এমন বিকট ভঙ্গি করিয়া আদেশ করে না । - ইন্দ্র অপ্রতিম্ভ হইয়া কহিল, "শ্ৰীকান্ত, তুই এসে একটু হাল ধুর, আমি তামাক সাজচি ” - আমি তাহার জবাব না দিয়া তামাক সাজিতে লাগিয়া গেলাম । কারণ তিনি “ ইন্দ্রর মাসতুতো ভাই, কোলকাতার অধিবাসী এবং সম্প্রতি এল. এ. পাশ করিয়াছেন। কিন্তু মনটা আমার বিগড়াইয়া গেল। তামাক সাজিয়া হুক হাতে দিতে তিনি প্রসল্প মুখে টানিতে টানিতে প্রশ্ন করিলেন, “তুই থাকিস কোথায় রে কাস্তে ? তোর গায়ে । ওটা কালোপান কি রে ; র্যাপার ? আহ র্যাপারের কি ঐ ! তেলের গন্ধে ভূত. পালায় । ফুটচে–পেতে দে দেখি, বসি ।” , “আমি দিচ্চি, নতুন-দা। আমার শীত করচে না এই নাও”—বলিয়া ইন্দ্র নিজেয়গায়ের আলোয়ানটা তাড়াতাড়ি ছুড়িয়া ফেলিয়া দিল । তিনি সেটা জড়ো করিয়া লইয়া বেশ করিয়া বসিয়া মুখে তামাক টানিতে লাগিলেন । শীতের গঙ্গা । অধিক প্রশস্ত নয়—আধ ঘণ্টার মধ্যেই ডিঙি ওপারে গিয়া ভিড়িল । কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই বাতাস পড়িয়া গেল। - - • ইক্স ব্যাকুল হইয়া কহিল, “নতুন-দা, এ যে ভারী মুস্কিল হলো—হাওয়া পড়ে, গেল । আর ত পাল চলবে না ।” : - নতুন-দ। জবাব দিলেন, “এই ছোড়াটাকে দে না, দাড় টাকুক।” ab>> 》。离一°心