পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় অচলায়তন ১৩১৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় । অচলায়তন ১৩১৮ সালের আশ্বিন মাসের প্রবাসীতে সম্পূর্ণ মুদ্রিত হইঘাছিল । প্রবাসীতে নাটকটি প্রকাশিত হইলে অধ্যাপক ললিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায ‘আর্য্যাবৰ্ত্ত মাসিক পত্রে ( কাতিক ১৩১৮ ) ইহাব একটি সমালোচনা প্রকাশ করেন , ইহাতে নাটকটির প্রশস্তি ও তিরস্কার দুই ই ছিল । ললিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিত একটি পত্রে ববীন্দ্রনাথ এই সমালোচনার উত্তর দেন, নিম্নে তাহ। মুদ্রিত হইল – নিজের লেখা সম্বন্ধে কোনোপ্রকার ওকালতি কবিতে যাওয়৷ ভদ্ররীতি নহে । সে রীতি আমি সাধারণত মানিয়া থাকি । কিন্তু আপনার মতো বিচারক যখন আমার কোনো গ্রন্থের সমালোচনা করেন, তখন প্রথার খাতিরে ঔদাসীন্যের ভান করা আমার দ্বার। হইয় উঠে না । সাহিত্যের দিক দিয়া অণপনি অচলায়তনের উপর যে রায় লিথিয়াছেন তাহার বিরুদ্ধে আপনার নিকট আমি কোনো আপিল রুজ করিব না । আপনি যে ডিক্ৰী দিয়াছেন সে আমার যথেষ্ট হইয়াছে । কিন্তু ওই যে একটা উদ্দেশ্যের কথা তুলিয। আমার উপরে একট। মস্ত অপরাধ চাপাইয়াছেন সেটা আমি চুপচাপ করিয়া মানিয়া লইতে পারিব না । কেবলমাত্র ঝেণক দিয় পড়ার দ্বারা বাক্যের অর্থ দুই-তিনরকম হইতে পারে । কোনে কাব্য বা নাটকের উদ্দেশ্যটা সাহিত্যিক বা অসাহিত্যিক তাহাও কোনে কোনো স্থলে ঝেণকের দ্বারা সংশয়াপন্ন হইতে পারে। পাখি পিঞ্জরের বাহিরে যাইবার জন্য ব্যাকুল হইতেছে ইহা কাব্যের কথা— কিন্তু পিঞ্জরের নিন্দ করিয়া খাচাওঁআলার প্রতি খোচ দেওয়া হইতেছে এমনভাবে স্থর করিয়াও হয়তো পড়া যাইতে