পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন ) సా দ্বিতীয় বালক । আমাদের আয়তনের উত্তর দিকটা যে একজট দেবীর । তৃতীয় বালক । সেদিক থেকে আমাদের আয়তনে যদি একটুও হাওয়া ঢোকে তাহলে যে সে– পঞ্চক। তাহলে কী । তৃতীয় বালক । সে যে ভয়ানক । পঞ্চক। কী ভয়ানক শুনিই না । তৃতীয় বালক । জানিনে, কিন্তু সে ভযানক । স্বভদ্র। পঞ্চকদাদা, আমি আর কখনো খুলব না পঞ্চকদাদ । আমার কী হবে । পঞ্চক। শোন বলি স্বভদ্র, কিসে কী হয় আমি ভাই কিছুই জানিনে –কিন্তু যাই হ’ক না, আমি তাতে একটুও ভয করিনে । সুভদ্র । ভয় কর না ? সকল ছেলে । ভয় কর না ? পঞ্চক । না। আমি তো বলি, দেখিই না কী হয় । সকলে । ( কাছে ঘেষিয়া) আচ্ছা দাদা, তুমি বুঝি অনেক দেখেছ। পঞ্চক। দেখেছি বই কি। ওমাসে শনিবারে যেদিন মহাময়ূরী দেবীর পূজা পড়ল সেদিন আমি কাসার থালায় ইদুরের গতের মাটি রেখে তার উপর পাচটা শেয়াল-কাটার পাতা আর তিনটে মাষকলাই সাজিয়ে নিজে আঠারো বার ফু দিয়েছি। সকলে । আঁ্যা। কী ভয়ানক । আঠারো বার ! সুভদ্র । পঞ্চকদাদা, তোমার কী হল। পঞ্চক । তিনদিনের দিনে যে সাপট এসে আমাকে নিশ্চয় কামড়াবে কথা ছিল সে আজ পর্যন্ত আমাকে খুজে বের করতে পারেনি ।