পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন २> তৃতীয় বালক । না, সে আমরা শুনতে পারব না–কী ভয়ানক । প্রথম বালক । আচ্ছা, একটু, খুব একটুখানি বল ভাই । স্বভদ্র । আমি দেখলুম সেখানে পাহাড়, গোরু চরছে— বালকগণ । (কানে আঙুল দিয়া ) ও বাবা, না না, আর শুনব না । আর ব’লো না সুভদ্র। ওই যে উপাধ্যায়মশায় আসছেন: চল চল—আর না । পঞ্চক। কেন। এখন তোমাদের কী । প্রথম বালক । বেশ, তাও জান না বুঝি। আজ যে পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্ৰ— পঞ্চক। তাতে কী । দ্বিতীয় বালক । আজ কাকিনী সরোবরের নৈঋত কোণে ঢোড়াসাপের খোলস খুজতে হবে না ? পঞ্চক । কেন রে | প্রথম বালক । তুমি কিছু জান না পঞ্চকদাদ ! সেই খোলস কালে৷ রঙের ঘোড়ার লেজের সাতগাছি চুল দিয়ে বেঁধে পুড়িয়ে ধোয় করতে হবে যে | দ্বিতীয় বালক । আজ যে পিতৃপুরুষেরা সেই ধোয়া ভ্ৰাণ করতে আসবেন । পঞ্চক । তাতে তাদের কষ্ট হবে না ? প্রথম বালক । পুণ্য হবে যে, ভয়ানক পুণ্য । বালকগণের প্রস্থান উপাধ্যায়ের প্রবেশ উপাধ্যায়। পঞ্চককে শিশুদের দলেই প্রায় দেখতে পাই । পঞ্চক। এই আয়তনে ওদের সঙ্গেই আমার বুদ্ধির একটু মিল হয়। ওরা একটু বড়ো হলেই আর তখন—