পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२8 অচলায়তন পঞ্চক। এটা আপনি ভুল বলছেন। ক্রিয়াসংগ্রহে আছে ভূমিকুম্মাণ্ডের বোট দিয়ে একবার— উপাধ্যায়। তোমার তো স্পধর্ণ কম দেখিনে। কুলদত্তের ক্রিয়াসংগ্রহের অষ্টাদশ অধ্যায়টি কি কোনোদিন খুলে দেখা হয়েছে। পঞ্চক । ( জনাস্তিকে ) স্বভদ্র যাও তুমি –কিন্তু কুলদত্তকে তো আমি— উপাধ্যায়। কুলদত্তকে মান না ? আচ্ছা, ভরদ্বাজ মিশ্রের প্রয়োগপ্রজ্ঞপ্তি তো মানতেই হবে—তাতে— সুভদ্র । উপাধ্যায়মশায় আমি ভয়ানক পাপ করেছি। পঞ্চক। আবার। সেই কথাই তো হচ্ছে। তুই চুপ কর। উপাধ্যায়। স্বভদ্র, উত্তরের দেয়ালে যে আঁক কেটেছ সে চতুষ্কোণ, না গোলাকার ? | সুভদ্র । আঁক কাটিনি। আমি জানলা খুলে বাইরে চেয়েছিলুম। উপাধ্যায়। ( বসিয়া পড়িয়া ) আঃ সর্বনাশ । করেছিস কী । আজ তিন-শ পয়তাল্লিশ বছর ওই জানলা কেউ খোলেনি তা জানিস ? সুভদ্র । আমার কী হবে। পঞ্চক । ( সুভদ্রকে আলিঙ্গন করিয়া ) তোমার জয়জয়কার হবে স্বভদ্র। তিন-শ পয়তাল্লিশ বছরের আগল তুমি ঘুচিয়েছ। তোমার এই অসামান্য সাহস দেখে উপাধ্যায়মশায়ের মুখে আর কথা নেই। সুভদ্রকে টানিয়া লইয়া প্রস্থান উপাধ্যায়। জানিনে কী সর্বনাশ হবে। উত্তরের অধিষ্ঠাত্রী যে একজটা দেবী। বালকের দুই চক্ষু মুহূর্তে ই পাথর হয়ে গেল না কেন তাই ভাবছি। যাই আচার্যদেবকে জানাই গে । প্রস্থান