পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন 9)이 তোরা যে সবাই সব রকম কাজই করিস—সেইটে যে বড়ো দোষ । তোর চাষ করিস তো । প্রথম শোণপাংশু। চাষ করি বই কি, খুব করি। পৃথিবীতে জন্মেছি পৃথিবীকে সেটা খুব কষে বুঝিয়ে দিয়ে তবে ছাড়ি। গান , আমরা চাষ করি আনন্দে । মাঠে মাঠে বেলা কাটে সকাল হতে সন্ধ্যে। রৌদ্র ওঠে, বৃষ্টি পড়ে, বঁাশের বনে পাতা নড়ে, বাতাস ওঠে ভরে ভরে চষা মাটির গন্ধে । সবুজ প্রাণের গানের লেখা রেখায় রেখায় দেয় রে দেখা, মাতে রে কোন তরুণ কবি নৃত্যদোদুল ছন্দে । ধানের শিষে পুলক ছোটে, সকল ধরা হেসে ওঠে, অস্ত্রানেরি সোনার রোদে পূর্ণিমারি চন্দ্রে। পঞ্চক । আচ্ছা, না হয় তোরা চাষই করিস সেও কোনোমতে সহ হয়—কিন্তু কে বলছিল তোরা কাকুড়ের চাষ করিস। প্রথম শোণপাংশু। করি বই কি । পঞ্চক। কাকুড় ! ছিছি। খেসারিডালেরও চাষ করিস বুঝি। তৃতীয় শোণপাংশু। কেন করব না। এখান থেকেই তো কাকুড় খেসারিডাল তোমাদের বাজারে যায় । পঞ্চক। তা তো যায় কিন্তু জানিসনে কাকুড় আর খেসারিডাল যার চাষ করে তাদের আমরা ঘরে ঢুকতে দিইনে । প্রথম শোণপাংশু। কেন ?