পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন 9ر\ গান পঞ্চক | ওরে আমার মন মেতেছে অামারে থামায় কে রে । মহাপঞ্চক । উপাধ্যায়, আমি তোমাকে বলিনি একজটা দেবীর শাপ আরম্ভ হয়েছে? দেখছ, কী করে তিনি আমাদের সকলের বুদ্ধিকে বিচলিত করে তুলছেন—ক্রমে দেখবে অচলায়তনের একটি পাথরও আর থাকবে না । o পঞ্চক । না, থাকবে না, থাকবে না, পাথরগুলো সব পাগল হয়ে যাবে ; তারা কে কোথায় ছুটে বেরিয়ে পড়বে, তারা গান ধরবে— ওরে ভাই, নাচ রে ও ভাই নাচ রে— আজ ছাড়া পেয়ে বাচ, রে,— লাজ ভয় ঘুচিয়ে দে রে । তোরে আজ থামায় কে রে । মহাপঞ্চক । উপাধ্যায়, ই করে দাড়িয়ে দেখছ কী। সর্বনাশ শুরু হয়েছে, বুঝতে পারছ না! ওরে সব ছন্নমতি মূখ, অভিশপ্ত বর্বর, আজ তোদের নাচবার দিন ? পঞ্চক । সর্বনাশের বাজনা বাজলেই নাচ শুরু হয় দাদা । মহাপঞ্চক। চুপ কর লক্ষ্মীছাড়া। ছাত্রগণ তোমরা আত্মবিস্তৃত হ’য়ে না। ঘোর বিপদ আসন্ন সে-কথা স্মরণ রেখো । বিশ্বম্ভর । আচার্যদেব পায়ে ধরি, সুভদ্রকে আমাদের হাতে দিন, তাকে তার প্রায়শ্চিত্ত থেকে নিরস্ত করবেন না । আচার্য। না বংস, এমন অনুরোধ ক’রে না । সঞ্জীব । ভেবে দেখুন, সুভদ্রের কতবড়ো ভাগ্য। মহাতামস কজন লোকে পারে। ও যে ধরাতলে দেবত্ব লাভ করবে ।