পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


& অচলায়তন মহাপঞ্চক, তৃণাঞ্জন, সঞ্জীব, বিশ্বম্ভর, জয়োত্তম মহাপঞ্চক । তোমরা অত ব্যস্ত হয়ে গড়ছ কেন । কোনো ভয় নেই । তৃণাঞ্জন । তুমি তো বলছ ভয় নেই, এই যে খবর এল শত্রুসৈন্য অচলায়তনের প্রাচীর ফুটো করে দিয়েছে । মহাপঞ্চক । এ-কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। শিলা জলে ভাসে । ম্লেচ্ছর অচলায়তনের প্রাচীর ফুটাে করে দেবে ! পাগল হযেছ! সঞ্জীব । কে যে বললে দেখে এসেছে ! মহাপঞ্চক । সে স্বপ্ন দেখেছে। জয়োত্তম । আজই তো আমাদের গুরুর আসবার কথা । মহাপঞ্চক। তার জষ্ঠে সমস্ত আয়োজন ঠিক হয়ে গেছে ; কেবল । যে-ছেলের মাবাপ ভাইবোন কেউ মরেনি এমন নবম গর্ভের সন্তান । এখনও জুটিয়ে আনতে পারলে না—দ্বারে দাড়িয়ে কে যে মহারক্ষা পড়বে ঠিক করতে পারছিনে । সন্ত্রীব। গুরু এলে তাকে চিনে নেবে কে। আচার্য অদীনপুণ্য র্তাকে জানতেন । আমরা তো কেউ তাকে দেখিনি । মহাপঞ্চক । আমাদের আয়তনে যে শাক বাজায় সেই বৃদ্ধ তাকে দেখেছে। আমাদের পূজার ফুল যে জোগায় সেও তাকে জানে । বিশ্বম্ভর । ওই যে উপাধ্যায় ব্যস্ত হয়ে ছুটে আসছেন । মহাপঞ্চক । নিশ্চয় গুরু আসবার সংবাদ পেয়েছেন । কিন্তু মহা রক্ষা পাঠের কী করা যায়। ঠিক লক্ষণসম্পন্ন ছেলে তো পাওয়া গেল না।