পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অচলায়তন い"> উপাধ্যায়ের প্রবেশ মহাপঞ্চক। কতদূর । উপাধ্যায়। কতদূর কী ৷ এসে পড়েছে যে । মহাপঞ্চক । কই দ্বারে তো এখন ও শাক বাজালে না । উপাধ্যায়। বিশেষ দরকার দেখিনে—কারণ দ্বারের চিহ্নও দেখতে পাচ্ছিনে—ভেঙে চুরমার হযে গেছে। মহাপঞ্চক । বল কী । দ্বার ভেঙেছে ? উপাধ্যায়। শুধু দ্বার নয়, প্রাচীরগুলোকে এমনি সমান করে শুইয়ে দিয়েছে যে তাদের সম্বন্ধে আর কোনো চিন্তা করবার দরকার নেই । মহাপঞ্চক। কিন্তু আমাদের দৈবজ্ঞ যে গণনা করে স্পষ্ট দেখিয়ে দিয়ে গেল যে— উপাধ্যায়। তার চেয়ে ঢের স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে শত্রুসৈন্যদের রক্তবর্ণ টুপিগুলো । ছাত্ৰগণ । কী সর্বনাশ । সঞ্জীব । কিসের মন্ত্র তোমার মহাপঞ্চক । তৃণাঞ্জন। আমি তে। তখনই বলেছিলুম এ-সব কাজ এই কাচ - বয়সের পুথিপড়া অকালপক্কদের দিয়ে হবার নয় । বিশ্বম্ভর । কিন্তু এখন করা যায় কী । তৃণাঞ্জন। আমাদের আচার্যদেবকে এখনই ফিরিয়ে আনি গে । তিনি থাকলে এ বিপত্তি ঘটতেই পারত না । হাজার হ’ক লোকট। পাকা । সঞ্জীব । কিন্তু দেখো মহাপঞ্চক আমাদের আয়তনের যদি কোনো বিপত্তি ঘটে তাহলে তোমাকে টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ফেলব। و"\