পাতা:অচলায়তন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


bペ অচলায়তন উপাধ্যায়। সে-পরিশ্রমটা তোমাদের করতে হবে না, উপযুক্ত লোক আসছে। মহাপঞ্চক। তোমরা মিথ্যা বিচলিত হচ্ছ। বাইরের প্রাচীর ভাঙতে পারে, কিন্তু ভিতরের লোহার দরজা বন্ধ আছে । সে যখন ভাঙবে তখন চন্দ্রস্থর্য নিবে যাবে। আমি অভয় দিচ্ছি তোমরা স্থির হয়ে দাড়িয়ে অচলায়তনের রক্ষক-দেবতার আশ্চর্য শক্তি দেখে নাও । উপাধ্যায়। তার চেয়ে দেখি কোন দিক দিয়ে বেরোবার রাস্তা। তৃণাঞ্জন । আমাদেরও তো সেই ইচ্ছা । কিন্তু এখান থেকে বেরোবার পথ যে জানিইনে। কোনোদিন বেরোতে হবে বলে স্বপ্নেও মনে করিনি । সঞ্জীব । শুনছ—ওই শুনছ, ভেঙে পড়ল সব। ছাত্রগণ। কী হবে আমাদের । নিশ্চয় দরজা ভেঙেছে। তৃণাঞ্জন | ধরে মহাপঞ্চককে । বাধে ওকে । একজটা দেবীর কাছে ওকে বলি দেবে চলো । মহাপঞ্চক । সেই কথাই ভালো । দেবীর কাছে আমাকে বলি দেবে চলো। তার রোষ শান্তি হবে। এমন নিষ্পাপ বলি তিনি আর পাবেন কোথায় । বালকদলের প্রবেশ উপাধ্যায় । কী রে তোরা সব নৃত্য করছিস কেন । প্রথম বালক । আজ একী মজা হল । উপাধ্যায়। মজাটা কী রকম শুনি । দ্বিতীয় বালক । আজ চারিদিক থেকেই আলো আসছে—সব যেন ফাক হয়ে গেছে ।