পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৮৪ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান মানসিক সর্ববিষয়েও এইরূপ হইয়া থাকে। এইরূপ ‘স্থির দশন’ হইলে পর, সর্ববিষয়ে নিশ্চিত জ্ঞান আসিয়া থাকে, বুকে সাহস আসিয়া থাকে ও মনে শান্তি আসিয়া থাকে। আলমবাজার মঠে তাপস রাখালের এইরূপ শান্তিপূর্ণ ভাব দেখিলাম ; কিন্তু তখনও সে সাধারণ সাধুর ন্যায় থাকিত, কোন বিষয়ে মতামত প্রকাশ করিতে সাহস করিত না বা কোন বিষয়ে প্রাধান্যও চাহিত না। দেখিতাম, তখনও তাহার ভিতর অতি লাজুকভাব রহিয়াছে। সে সব সময় একাকী বসিয়া থাকিতে ভালবাসিত এবং তাহার যে পূৰ্ব্বকার জপ করা অভ্যাস ছিল, তাহা এক মুহূর্তের জন্যও ত্যাগ করে নাই। কি বসিয়া থাকুক বা পায়চারী করুক—অনবরত জপ করিত। আলমবাজার মঠের বাহিরের বাড়ীর পশ্চিমদিকের দালানটীতে যখন পায়চারী করিত তখনও জপ করিত। জপ করা তাহার অস্থিমজ্জাগত হইয়াছিল, জপ করাই তাহার স্বভাব হইয়াছিল - এমন কি নিশ্বাস প্রশ্বাসের সমান হইয়াছিল। তাপস রাখাল কখন বা আলমবাজারের মঠে কখন বা বলরাম বাবুর বাড়ী থাকিত। বলরাম বাবু তখন দেহত্যাগ করিয়াছেন, কিন্তু তাহার বাড়ীতে লােকজন সকলেই পূৰ্ব্বকার স্যায় থাকিত এবং বলরাম বাবুর ভাই, হরিবল্লভ বাবু মাঝে মাঝে আসিয়া সেখানে থাকিতেন। তাপস রাখালের সহিত তাঁহার বিশেষ সৌহৃদ্য থাকার জন্য, বাড়ীর সকলেই অতি