পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


F ।। অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৮৫ যত্ন করিয়া অভ্যাগত সকল লােককেই আদর অভ্যর্থনা করিতেন। আদর অভ্যর্থনা ও লােকজনের সমাগমে পূর্ব হইতে কোনই পার্থক্য হয় নাই। আলমবাজার মঠে শশী মহারাজ সর্ববিষয়েই প্রধান ছিল। দেখাশুনা করা ইত্যাদি সকলই সে করিত এবং অপর সকলেই তাহার মত লইয়া চলিত। কিছুদিন পরে হরি মহারাজ ফিরিয়া আসিলেন ; সারদানন্দ ও কালীবেদান্তী আসিল। তখন আলমবাজারের মঠ একপ্রকার পরিপূর্ণ হইল। বরানগরের মঠে যে খাইবার কষ্ট ছিল, থাকিবার কষ্ট ছিল, আলমবাজারের মঠে তখন সে ভাবটা কাটিয়া গিয়াছে। চাউলটা উৎকৃষ্ট দেখিয়া খরিদ করা হইত, ডাল তরকারিও জুটিত এবং রাধিবার একটা লােকও জুটিল। সতরঞ্চি, কয়েকখানি কম্বল ইত্যাদি জিনিষও হইল। মাঝে মাঝে কোন কোন ভক্ত ঠাকুরের ভােগ দিবার জন্য নানাপ্রকার সামগ্রীও পাঠাইতেন। এই সময় হইতে দারুণ কষ্টের ভাবটা চলিয়া যাইল ও অনেকটা স্বচ্ছল অবস্থা আসিল। রামদাদার বাড়ীতে ‘রাজনীতি’ | রামদাদা একদিন সকালবেলা যুব রাখালকে ও গঙ্গাধরকে আহার করিতে নিমন্ত্রণ করিল। আহার সমাপ্ত হইয়াছে এমন সময়, অনুমান বেলা এগারটা হইবে, আমিও রামদাদার বাড়ীতে যাইলাম। রাখালের আহারের পর কিছুক্ষণ শুইয়া থাকা অভ্যাস ছিল। যুবা রাখাল আহার করিয়া মেঝের উপর

-