পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- - অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান। ৮৯ হইতে লাগিল। পুরাতন বরানগরের মঠ ও আলমবাজারের মঠ আর নাই, সবই নৃতন। আমি আসিয়া ভিতরকার দালানের বড় বেঞ্চিতে খানিকক্ষণ বসিলে, তাহার কিছুক্ষণ পর রাখাল ও সারদানন্দ কলিকাতা হইতে আসিল। অনেকদিন পরে দেখা হওয়ায় রাখালকে নূতন বলিয়া বােধ হইতে লাগিল। দেখিলাম, সে স্থূলকায় হইয়াছে এবং তাহার দাড়ি ও চুল কিছু কিছু পাকিয়াছে ; মাথার মাঝখানটায় টাক পড়িয়াছে এবং অপর স্থানে চুল আছে, কারণ, তখন কিছুদিন মস্তক মুণ্ডন করে নাই। চক্ষুদ্বয় বিস্ফারিত, মুখ সুডৌল ও গম্ভীর ; যেন কর্তাব্যক্তি লােক এবং সর্ববিষয়ে কাৰ্যতৎপর। গলার আওয়াজ স্নিগ্ধ ও গম্ভীর। আর পূর্বের মতন বিষন্ন ও বিষাদের কোন লক্ষণ নাই। যেন মহাকৰ্ম্মী ; বিশাল কর্মের ভার মস্তকে থাকিলে, কর্মী-ব্যক্তি যেরূপ ধীর, সতর্ক ও গম্ভীর হইয়া বহুদর্শীর ন্যায় কথাবার্তা কহিয়া থাকে, সেইরূপ কথাবার্তা কহিতে লাগিল। বেশ যেন একটা প্রবীণতা আসিয়াছে এবং কৰ্ম্ম করিবার বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা ও তৎপরতা আসিয়াছে। পূৰ্ব্বকার বালক রাখাল নহে, বিষন্ন তাপস রাখাল নহে—কিন্তু সে এখন কর্মী, ব্রহ্মানন্দ! স্বতন্ত্র ব্যক্তি যেন তাহার দেহের ভিতর আসিয়াছে, আর তাহার ভাব স্নিগ্ধ, কিন্তু আজ্ঞাপ্রদ। আমি খানিকক্ষণ মুখের দিকে চাহিয়া, হাসিয়া বলিলাম, “তােমার মাথা যে ‘Papal head (পােপর মত মাথা) হয়ে গেছে। পােপদের (রােম্যান