পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৯১ ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করিতেছে। সকলেই যেন তাহার অনুগত ও তাহার আদেশমত চলিতেছে। পূর্ব অভ্যাস বশতঃ অপর সকলেও নিজের মত প্রকাশ করিতেছে বটে, কিন্তু ব্ৰহ্মানন্দের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও ব্যক্তিত্বের কাছে সে সকলই যেন খৰ্ব্ব হইয়া যাইতেছে। ব্রহ্মানন্দের এই ভাবটা যেন অতি ধীরে ধীরে প্রকাশ পাইতে লাগিল। কে শ্রেষ্ঠ ও কর্মকুশল হইবে— এ বিষয়ে প্রত্যেকেই যেন নিজ নিজ শক্তি বিকাশ করিতে লাগিল। অবশ্য সকলেই পরস্পরকে অতি সম্মান করিত, অতি শ্রদ্ধা-ভক্তি করিত। সারদানন্দ চিঠিপত্র লেখা ও অন্যান্য কাৰ্যে ব্যাপৃত রহিল। ব্রহ্মানন্দ সাধারণভাবে সকলদিক পৰ্যবেক্ষণ করিতে লাগিল। সৰ্ব্ববিষয়েই পরস্পর পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করিয়া ও মত লইয়া কাৰ্য্য করিত। কোনরূপ বিশৃঙ্খলতা ও অশান্তির ভাব ছিল না। স্বামিজীর সময়ে সকল কাৰ্যেই প্রভূত অর্থাগম হইত ও নানাপ্রকার আহাৰ্য্য বস্তুও আসিত, কিন্তু সহসা স্বামিজীর দেহত্যাগ হওয়ায় অর্থাগম একেবারেই কমিয়া যাইল। ব্রহ্মানন্দ তখন চিন্তিত হইয়া পড়িল। কি করিয়া সবদিকে সামঞ্জস্য রাখিয়া সামান্য মাত্র আয়েতে অত বড় মঠ চালাইবে বা মঠের কাৰ্য চালাইবে সে বিষয় তাহার চিন্তার কারণ হইল। এই সময় ব্রহ্মানন্দ অদ্ভুত শক্তি দেখাইয়াছিল। শিবানন্দ তখন কাশীতে ছিল। তুরীয়ানন্দ তখন জাহাজ করিয়া আমেরিকা হইতে আসিবার পথে হংকংএ (Hongkong) কি এক