পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৯২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্ৰহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান সংবাদপত্রে স্বামিজীর দেহত্যাগের খবর পাইলেন। ব্রহ্মানন্দের এই কাৰ্যদক্ষতা, নিপুণভাব, ধীরস্বভাব ও প্রখর বিবেচনা শক্তির জন্য কোনপ্রকার বিশৃঙ্খলতা আসিল না। এক মন, এক প্রাণ ও এক উদ্দেশ্য লইয়া সকলেই কাজ করিতে লাগিল। " এই সময় একদিন কেশববাবুর সমাজের অনেকগুলি প্রবীণ লােক মঠ দশন করিতে আসিয়াছিলেন। তাহাদের মধ্যে একজন আক্ষেপ করিয়া বলিলেন, “আপনারা কেমন এক মন, এক প্রাণ হয়ে কাজ করছেন। কেশব যাবার পর, আমাদের মধ্যে কেমন একটা বিশৃঙ্খল ভাব এসেছে, পরস্পরের সঙ্গে আর মিল নেই, কিন্তু আপনাদের স্বামিজী চলে যাওয়াতে কোন রকম বিশৃঙ্খল ভাব আসে নি, বরং যেন একটা চাপ জমাট ভাব এসেছে। এটা বিশেষ গুণ দেখছি, কেমন পরস্পরকে সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে আপনার কাজ করছেন।” স্বামিজীর প্রথম জন্মতিথি উৎসব ১৯০২ খৃষ্টাব্দের ৪ঠা জুলাই স্বামিজীর দেহত্যাগ হইয়াছিল। শীতকাল আসিলে স্বামিজীর জন্মতিথি উৎসব করিবার কথা উঠিল। ব্ৰহ্মানন্দ বলিল, “স্বামিজী দরিদ্রনারায়ণ সেবা করতে বড় ভালবাসতাে, এইজন্য দরিদ্রনারায়ণদের সেবা করাব।” ব্ৰহ্মানন্দ আহাৰ্য্য দ্রব্যের বিষয় নিজের মত প্রকাশ করিয়া বলিল, “এই শ্রেণীর লােকেরা ভাত ভালবাসে, এইজন্য ভাত,