পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১০৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৯৩ মাছের মুড়াে দিয়ে কলাইয়ের ডাল, মাছ-আলু-কপি দিয়ে তরকারি, রাঙা আলুর অম্বল, আর দৈ, বোঁদে হবে।” বালি হইতে হাওড়া পর্যন্ত গােপাল ঢুলি ‘চেরা দিয়া আসিল। লােকসংখ্যা খুব অধিক হইয়াছিল; কিন্তু সকলেই বেশ সন্তুষ্ট ও পরিতুষ্ট হইয়া আহার করিয়াছিল। এইরূপে স্বামিজীর তিথি পূজা প্রথম শুরু হয়। ক্রমে ইটালীতে, দক্ষিণেশ্বরে এবং পরে সালখিয়াতে ও অপর লােকের বাড়ীতেও উৎসব হইতে লাগিল। উৎসব ব্যাপারে ব্রহ্মানন্দ স্বয়ং বসিয়া সমস্ত ফর্দ করিয়া দিত। এসব বিষয়ে তাহার বিশেষ অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতা ছিল। এই উৎসব ব্যাপার ব্রহ্মানন্দ অনেকটা চালাইয়াছিল, যদিও শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের উৎসব দক্ষিণেশ্বরে বহু পূৰ্ব্ব হইতে চলিয়া আসিতেছিল। স্বামিজীর প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধা-ভক্তি বাড়ী সংক্রান্ত আমাদের যাহা কিছু আবশ্যক হইবে, স্বামিজীর ব্ৰহ্মানন্দকে বলা ছিল যে, সে আসিয়া মা’র সঙ্গে কথা কহিয়া সে-সব কার্যের ব্যবস্থা করিয়া দিবে। সেইজন্য, সামান্য কাজ হইলেও ব্রহ্মানন্দ আসিয়া সেই কাজের ব্যবস্থা করিয়া দিয়া যাইত। স্বামিজীর মা’র জগদ্ধাত্রী পূজার সময় আসিল। ব্রহ্মানন্দ স্বয়ং উপস্থিত থাকিয়া সমস্ত কাৰ্য্য পৰ্যবেক্ষণ করিয়া চলিয়া যাইল। পূজাটা স্বামিজীর মা পূর্ব হইতেই করিতেন। স্বামিজী স্বয়ং উপস্থিত থাকিয়া