পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


। - অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৯ বেঁকে গেছে।” তাহার পর বলিল, “তােমার হাত দেখি?” এই বলিয়া আমার হাত দেখিল। | দেখিয়াছি যে, ব্ৰহ্মানন্দের বুদ্ধিমত্তা ও কাৰ্যদক্ষতায় যথার্থই তাহার হাত দিয়া অনেক লক্ষ টাকা আসিয়াছিল ; তাহার উক্তি সম্পূর্ণরূপে সত্য। এখানে ইহাও জানা আবশ্যক যে, যদিও স্বামিজী সমস্ত কাৰ্য-সাধনের উপায় চিন্তা করিয়া গিয়াছিল – ভবিষ্যতে কিরূপ কাৰ্য করিতে হইবে তাহার মানচিত্র অঙ্কিত করিয়া গিয়াছিল, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে স্বামিজীর সময়ে কাৰ্য্য আরম্ভ হইয়াছিল মাত্র। মঠ, মিশন, সেবাশ্রম ইত্যাদি আহা কিছু হইয়াছে — সমস্তই, ব্ৰহ্মানন্দ, স্বামিজীর ভাবে প্রণােদিত হইয়া করিয়াছে সত্য; কিন্তু এই সকল কার্যের প্রকৃত সফলতার বিষয় নির্ণয় করিতে হইলে বলিতে হইবে যে, ব্ৰহ্মানন্দই সমস্ত কাৰ্য্য করিয়াছে। কাৰ্য্যের প্রসারণ ব্ৰহ্মানন্দের সময়ই হইয়াছিল ; সারদানন্দ এই কাৰ্যে তাহার সহযােগী ও সহকৰ্মী হইয়াছিল। অপর সকলে ব্ৰহ্মানন্দের বাহু ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গাদির তুল্য হইয়াছিল। সকলের অঙ্গাঙ্গিভাব থাকায় মঠ ও মিশনের এইরূপ প্রসারণ ও পরিব্যাপ্তি হইতে পারিয়াছিল। এক মত, এক ভাব ও এক উদ্দেশ্য লইয়া সকলেই কাৰ্য্য করিয়াছিল বলিয়া, বহির্দেশে সর্ববিষয়ে মঠ ও মিশনের প্রসারণ হইয়াছিল। অপর সকলেও যে সমানভাবে কাৰ্য্য করিয়াছিল - এবিষয়ে কোন সন্দেহ নাই; তাহারা সকলেই প্রশংসনীয়, কিন্তু প্রখর ধীশক্তি থাকায়