পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১০৩ আসিবার পর, স্যান্ ফ্রান্সিস্কোতে (San Franciscoতে ) অন্য কাহাকেও পাঠাইবার কথা হইল। ব্রহ্মানন্দ ত্রিগুণাতীতকে সেখানে পাঠাইয়া দিল। দুই এক বৎসর পরে আর এক ব্যক্তিকে লস এঞ্জেলি’এতে (Los Angeles'এতে) পাঠাইয়া দেয়। ১৮৯৭ খৃষ্টাব্দে, শশী মহারাজ মাদ্রাজ মঠ ও মিশনের সূত্রপাত করিয়াছিল। পূর্বে মঠ বিলিগিরি আয়েঙ্গার’এর (Biligiri Aiyengarএর) সমুদ্র তটস্থ ‘ক্যাসল কার্ণান’ (Castle Kernan) নামক বাড়ীতে ছিল। নিজস্ব মঠবাড়ী স্থাপন কালে ব্রহ্মানন্দকে বিশেষভাবে সমস্ত চিন্তা করিয়া কাৰ্য্য করিতে হইয়াছিল। ১৮৯৯ খৃষ্টাব্দে, ক্যাপ্টেন সেভিয়ার ( Captain Sevier) মায়াবতীতে অদ্বৈত আশ্রম স্থাপন করেন। ১৯০০ খৃষ্টাব্দে, ক্যাপ্টেন সেভিয়ার দেহত্যাগ করিলে পর, মাদার সেভিয়ার আশ্রমের স্বত্বাধিকারিণী হন। এই সময়ে মাদার সেভিয়ার বেলুড় মঠেতে তাবু খাটাইয়া মাস কয়েক বাস করিয়াছিলেন। ব্ৰহ্মানন্দের কথা অনুযায়ী মাদার সেভিয়ার মায়াবতীর আশ্রম মঠকে লিখিয়া দেন। ১৯০৯ খৃষ্টাব্দে, মঠের কাৰ্য দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া যেন দুইটা স্রোতের মত চলিতে লাগিল। এক ভাগ হইল মঠ, অপর ভাগ হইল মিশন। মঠ ও মিশনের কাৰ্য ব্ৰহ্মানন্দের নিজ তত্ত্বাবধানে রহিল। আত্ৰাণাদি কাৰ্য্য সারদানন্দের