পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১২৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান কি উপায়ে তাহার মঙ্গল হইতে পারে, সে বিষয়ে অনেক উপদেশ দিত। গুণগ্রাহী ভাব | ব্ৰহ্মানন্দ প্রত্যেক ব্যক্তির গুণগ্রাহী ছিল। কোন ব্যক্তির ভিতর কোন্ সদ্গুণ আছে, তাহা সে বুঝিতে পারি এবং সে বিষয় চিন্তা করিত। এই ‘কদর দান’ বা গুণগ্রাহী ভাবটী আমি শ্রদ্ধেয় গিরিশ বাবু এবং ইটালীর শ্রদ্ধেয় দেবেন বাবুর ভিতরও দেখিয়াছি। অতি কদৰ্য্য ও অভাগা লােকও এই তিন ব্যক্তির কাছে স্থান পাইত। যে সকল লােককে কেহই আশ্রয় দেয় , আসিলে বিরক্ত হইয়া তাড়াইয়া দেয় – এইরূপ লােকদিগকেও এই তিন ব্যক্তি স্থান দিতেন এবং সমানভাবে আদর যত্ন করিতেন। আমি অনেক সময় এই সব বিষয়ের জন্য মনে মনে বিরক্ত হইতাম, কিন্তু ব্রহ্মানন্দের এমনই গুণ ছিল যে, এইরূপ লােকদিগকেও আদর যত্ন করিত। সাধারণ লােকে এইরূপ লােকদিগের সংস্পর্শে আসিলে যেমন অল্পতেই চটিয়া যায় এবং বিরক্ত হয়, ব্রহ্মানন্দ তেমন চটিয়া যাইত না বা বিরক্ত হইত না ; ধীরভাবে তাহাদের কথা শুনিত, তাহাদের মঙ্গল চিন্তা করিত। দরদী পুরুষ ব্ৰহ্মানন্দ কাহারও মনে ব্যথা দিয়া কথা কহিত না। সকলকেই সে ভালবাসিত। যদি কাহারও উপর বিশেষ