পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১২১ প্রক্রিয়া হবে।” তাহার উক্তি ও নির্ধারণ সকল সত্য ও নিভুল হইত। যে সকল দার্শনিক ভাব ও সত্য উপলব্ধির বিষয়, সাধারণ গ্রন্থে যাহা পাওয়া যায় না এবং বিশিষ্ট দার্শনিক না হইলে যাহা কেহ কখনও অনুধাবন করে না - ব্ৰহ্মানন্দ কঠোর তপস্যা করিয়া সেই সকল দার্শনিক ভাব বা সত্য উপলব্ধি করিয়াছিল এবং নিজের ভাষা দিয়া তাহা প্রকাশ করিত। শক্তি কাহাকে বলে; অণু, দ্বণুক ও ত্রসরেণু ইত্যাদি কাহার কি সম্পর্ক ও তাহাদের উৎপত্তির কারণ কি - এই সকল দার্শনিক বিষয় ব্রহ্মানন্দ কখন কখন নিজের ভাষায় স্পষ্ট করিয়া বলিত। ব্রহ্মানন্দ ধ্যানী বা যােগী বলিয়াই জনসমাজে পরিচিত, কিন্তু আমি তাহাকে অনেকবার উচ্চ অবস্থার দার্শনিকের ন্যায় কথা বলিতে শুনিয়াছি। এস্থলে ইহ উল্লেখযােগ্য যে, যােগী, ধ্যানী ও দার্শনিক – তিনজনই চরম অবস্থায় এক। কারণ, সমস্ত প্রক্রিয়াই স্পন্দনবাদ বা স্ফোটবাদ হইতে উদ্ভূত হইতেছে এবং সকলই হইল প্রকম্পনের ফল। যােগী ব্ৰহ্মানন্দ একদিন বৈকালবেলা ব্ৰহ্মানন্দ গঙ্গার দিকে নীচের বারাণ্ডায় বেঞ্চিতে বসিয়া আছে, এমন সময় গুটিকতক ভক্ত শ্রদ্ধাভক্তি জ্ঞাপন করিবার জন্য তাহার পায়ে ফুল দিয়া পূজা করিতে আসিল। ব্রহ্মানন্দ প্রথমে সংযত হইয়া তাহাদিগকে পায়ে