পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ফুল দিতে নিষেধ করিল, কিন্তু তাহাদিগের আগ্রহ দেখিয়া অবশেষে কিছু বলিল না। এইরূপে, তাহারা যখন ফুল দিয়া পূজা করিতেছে, তখন তাহার সমাধি হইল। ব্রহ্মানন্দের সমাধিভাব এই প্রথম দেখিলাম। বেশ বুঝা যাইল যে, পূৰ্ব্বদেহে নূতন শক্তি প্রবেশ করিয়াছে। ভাবিলাম, আর সমানভাবে কথা বলা বা হাস্যকৌতুক করা উচিত নয় ; কারণ, ছেলেবেলা হইতে একসঙ্গে থাকায়, আমাদের পরস্পরের মধ্যে হাসিতামসা ও কৌতুক চলিত। এখন হইতে সকলের সহিত তাহার একটা পার্থক্য ও বিশেষত্ব পরিলক্ষিত হইতে লাগিল। | ক্রমে ক্রমে দেখা যাইতে লাগিল যে, ব্রহ্মানন্দ এত উচ্চ অবস্থায় চলিয়া যাইতেছে যে, তাহার বাহ্যিক আর কিছু সংজ্ঞা থাকিতেছে না। নীরব, নিস্পন্দ প্রতীকের ন্যায় বসিয়া আছে ; কেবলমাত্র চক্ষু দুইটী উন্মীলিত, কিন্তু চক্ষুর দৃষ্টি অন্তমুখী। সেই সময় তাহার মুখের ভাব এইরূপ হইত যে, কেহ তাহার সম্মুখে যাইতে সাহস করিত না। মুখটী যেন দেবভাবে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিত। কণ্ঠস্বর মধুর ও স্নেহপূর্ণ। যখন কোন বিষয়ে কথা কহিবার আবশ্যক হইত, তখন যেন কষ্ট করিয়া মনটীকে দেহতে আনিয়া কথা কহিত ; অর্থাৎ, যাহাকে বলে সবিকল্প সমাধি - সেইভাবে সে অধিক সময় থাকিত। একদিন বিজয়াদশমীর রাত্রিতে আমি তাহার পায়ে হাত দিয়া প্রণাম করিতে আইলাম। ব্রহ্মানন্দ মহা অপ্রতিভ হইয়া