পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| | অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১২৩ আমাকে বারম্বার নিষেধ করিতে লাগিল। আমি বলিলাম, “তুমি চুপ কর, আমি যা ক’ছি তা করবে। কারণ, আমি দেখিলাম যে বাল্যকাল হইতে যদিও একসঙ্গে মানুষ হইয়াছি, কিন্তু ব্ৰহ্মানন্দের ভিতর তখন শক্তি আসিয়াছে - শক্তির সম্মান রক্ষা করা আবশ্যক। এইজন্য, পূর্ব অভ্যাস ত্যাগ করিয়া তাহার পায়ে হাত দিয়া প্রণাম করিলাম। সে এখন মহাযােগী ব্ৰহ্মানন্দ। ক্রমে ক্রমে সারদানন্দ প্রভৃতি সকলেই ব্ৰহ্মানন্দকে সম্মান করিয়া চলিতে লাগিল। পূৰ্ব্বকার সমান সমান ভাব আর রহিল না। এখন হইতে তাহার কথার উপর কেহ দ্বিধা বা আপত্তি করিত না। দীক্ষা-দান একদিন দুইজন ব্যক্তি আসিল, তাহাদের নিবাস চট্টগ্রাম অঞ্চলে ; তাহারা ব্যবসায়ী লােক, কলিকাতা হইতে চট্টগ্রাম ও রেঙ্গুণে মাল সরবরাহ করিত। দুইজনে আসিয়া অনেক অনুনয় করিয়া দীক্ষা লইবার প্রয়াস করে। ব্রহ্মানন্দ ঠাকুরের তিথি-পূজার দিন তাহাদের আসিতে বলিল। তিথি-পূজার দিন তাহারা স্নান করিয়া, নূতন বস্ত্র পরিয়া ঠাকুর-ঘরে যাইল। ব্রহ্মানন্দ ধ্যান করিতে বসিল। অবশেষে, দুইজনের মধ্যে এক ব্যক্তিকে দীক্ষা দিল; আর এক ব্যক্তিকে দীক্ষা দিল না। যে ব্যক্তি দীক্ষা পাইল না, সে কঁদিতে দিতে নৌকা করিয়া চলিয়া গেল। যাহার