পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান সেই স্নায়ু দিয়া পরিচালন করা যাইতে পারে। এইরূপে, বহুবৎসর পূর্বে কোন এক প্রক্রিয়া যদি কোন এক বিশেষ স্নায়ু দিয়া প্রবাহিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে চিৎশক্তি সেই নির্দিষ্ট স্নায়ুতে সংযােগ করিলে, পুনরায় সেই চিত্র ও আনুষঙ্গিক ঘটনাগুলি বর্তমান কালের ঘটনার ন্যায় প্রতীয়মান হয়, অর্থাৎ অতীত কাল দেশ ইচ্ছা করিয়া বিলুপ্ত করা যাইতে পারে। আর একটা কথা – পূৰ্বস্মৃতি লােপ হইল সাধারণ মানসিক প্রক্রিয়া, উহা স্কুল-স্নায়ু দিয়া পরিচালিত হইয়া থাকে; কিন্তু চিৎশক্তি যখন স্কুল-স্নায়ুপুঞ্জ পরিত্যাগ করিয়া, সূক্ষ্ম-স্নায়ু বা কারণ-স্নায়ুতে প্রধাবিত হয় ও তথায় দৃঢ়ীভূত হইয়া অবস্থান করিতে পারে, তখন স্কুল-স্নায়ুর সম্বন্ধ একেবারে ত্যক্ত হইয়া থাকে। পূৰ্ব্বস্মৃতি বা স্থূল-স্নায়ুর সকল প্রক্রিয়াই তখন বিলুপ্ত হইয়া থাকে। চিত্তভ্রম বা উন্মাদ অবস্থা হইলে, মন স্কুল-স্নায়ুতেই অবস্থান করে ; কেবল প্রচলিত স্নায়ু দিয়া চিত্তবৃত্তি প্রবাহিত না হওয়ায়, উহা সাধারণ লােকের চিন্তাধারার বিপর্যস্ত ভাব ধারণ করে মাত্র। ইহাই হইল বাতুলের লক্ষণ। কিন্তু পূৰ্ব্বস্মৃতি লােপ’ অন্যপ্রকার। এই অবস্থায় চিৎশক্তি অতি সূক্ষ্ম-স্নায়ু বা কারণ-শরীরে চলিয়া যায়, অর্থাৎ স্কুল-স্নায়ুর প্রক্রিয়া সকল বন্ধ হইয়া যায়। আমরা স্কুল-স্নায়ু দিয়া যে সকল চিন্তা বা পরিদর্শন করি, সে সকলই হইল খণ্ড বস্তুর বিষয়। এইজন্য, সাধারণ অবস্থায় আমরা প্রচলিত খণ্ড-জ্ঞানকেই শ্রেষ্ঠ বলিয়া থাকি; কিন্তু