পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৩৩ চিৎশক্তি যখন অতি সূক্ষ্ম বা কারণ-স্নায়ুতে চলিয়া যায়, তখন সকল বস্তুই অখণ্ডরূপে দেখিতে পাওয়া যায়; খণ্ডত্ব-ভাব আর থাকে না, নিদ্বন্দ্ব-ভাব আসিয়া পড়ে। এইজন্য, ধ্যানী সবিকল্প অবস্থায় যাহা বলিয়া থাকেন, মুখভঙ্গী বা কণ্ঠস্বর দিয়া যাহা প্রকাশ করেন, তাহা সাধারণ লােকের বােধগম্য হয় না। এই কারণে, উচ্চ অবস্থার ধ্যানীকে সাধারণ লােক উন্মাদগ্রস্ত বলিয়া থাকে। স্বামিজী লণ্ডনে বক্তৃতাকালে বলিয়াছিল, “বর্তমান চিন্তা পরিবর্তন করিয়া, মনকে অতি দূর অতীতে লইয়া যাইতে হয়, অর্থাৎ, বর্তমান অবস্থাকে পরিবর্তন করিয়া পশ্চাদমুখী করিতে হয়। এইরূপে, চারি বৎসর, তিন বৎসর বয়সের সমস্ত সুপ্ত কথা বা ঘটনাগুলিকে স্নায়ুক্রিয়া দিয়া জাগ্রত করা যাইতে পারে। এমন কি, যদি কোন অতীব শক্তি প্রয়ােগ দ্বারা এই স্থান অতিক্রম করিয়া, মনকে গর্ভস্থিত জ্বণ অবস্থায় লইয়া যাইতে পারা যায়, তাহা হইলে পূর্বজন্মের সকল কথা স্মরণ হইতে পারে। ইহাকে ‘বিপর্যস্ত বা পশ্চাদমুখী ধ্যান’ বলে। স্বামিজী বলিয়াছিল, “ধ্যানী প্রথমে সমস্ত দিবসের কথা চিন্তা করিবে ও উহা প্রত্যক্ষ দর্শন করিতে চেষ্টা করিবে। তাহার পর অতীতের সমস্ত ঘটনাগুলির বিষয় ধীরে ধীরে চিন্তা করিবে ও সেইগুলি দর্শন করিবার চেষ্টা করিবে। এইরূপে, পশ্চাদগামী দৃষ্টি পূর্বের ঘটনাগুলিকে দেখিতে চেষ্টা করিবে। পূৰ্ব্ব দিনের ঘটনাগুলি, পূৰ্ব্ব মাসের ঘটনাগুলি এবং ক্রমে