পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৪ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্ৰহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ক্রমে পূর্ব বৎসরের ঘটনাগুলি দেখিবার প্রয়াস করিবে। এই অন্তমুখী শক্তি বা অন্তর্গতি দৃঢ়ীভূত হইলে, বালক অবস্থায় কি হইয়াছিল তাহা প্রত্যক্ষ করা যাইতে পারে। এইরূপ অস্তমুখী শক্তি দিয়া, যিনি যতটা পূর্বতন ক্রিয়া সকল প্রত্যক্ষীভূত করিতে পারিবেন, তিনি ততটা পূৰ্ব্বস্মৃতি জাগ্রত করিতে পারিবেন। এই সকল কথা গ্রন্থে লেখা আছে, কিন্তু আমি সব করিয়া দেখি নাই – কারণ, জ্বণ অবস্থাতে স্নায়ু আছে ও স্নায়ুর প্রক্রিয়া থাকে। আমি শৈশবকালের অবস্থা অনেক অংশে জাগ্রত করিতে পারি। বুদ্ধদেব জাতকগ্রন্থে বলিয়াছেন যে, তিনি পূর্বজন্মের অনেক কথা স্মরণ করিতে পারিয়াছিলেন।” এইস্থলে স্বামিজীর জীবনের একটা ঘটনা উল্লেখ করিলে বােধ হয় অপ্রাসঙ্গিক হইবে না। স্বামিজী লণ্ডনে রাজযােগ সম্বন্ধে বক্তৃতা দিতেছিল। বক্তৃতাকালে, একটী ইংরাজ নিতান্ত অবজ্ঞাসূচক ভাষায় বিরক্ত করায়, স্বামিজী সহসা এক মহা ঐতিহাসিক হইয়া গেল। বক্তৃতা বন্ধ করিয়া, প্রায় পঁয়ত্রিশ মিনিট কাল, ঐ ইংরাজ ভদ্রলােকটীকে লক্ষ্য করিয়া, তাহাদের ইতিহাসের কাহিনী অনর্গল ভাষায় উল্লেখ করিল। পরে, মুখ ফিরাইয়া রাজঘােগের কথা বলিতে আরম্ভ করিল এবং যে স্থানে বক্তৃতা বন্ধ করিয়াছিল, পুনরায় ঠিক সেই স্থান হইতেই কথা বলিতে আরম্ভ করিল। একটাও কথা বা শব্দের ভুল হইল না। স্বামিজী মুখ ফিরাইয়া বলিল,