পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৩৫ "Now I come to Pratyahara and Dharana" ; অর্থাৎ, এখন আমি প্রত্যাহার’ ও ‘ধারণা’র বিষয় বলিব। কিঞ্চিৎ পূৰ্বে স্বামিজীর কণ্ঠস্বর অতীব তীব্র ও কঠোর হইয়াছিল, কিন্তু পুনরায় স্বামিজী যখন বক্তৃতা দিতে আরম্ভ করিল, তখন কণ্ঠস্বর মধুর ও গম্ভীর হইল, একটী ছত্র বা পঙক্তি ও ভাষার ভুল হইল না। ‘জ্ঞান-ক্ষেত্র’ ও ‘অতীত জ্ঞান-ক্ষেত্র’ বা ‘সুষুপ্ত জ্ঞান-ক্ষেত্র হইল নীচের দিকের দুই অবস্থা ; অপরদিকে হইল ‘অতীন্দ্রিয় জ্ঞান-ক্ষেত্র। মনের শক্তি যখন অতীতের দিকে যায়, তখন এক প্রকার ক্রিয়া হইয়া থাকে, আর মনের শক্তি যখন সূক্ষ্মস্নায়ু দিয়া উদ্ব দিকে বা বহির্দিকে প্রধাবিত হয়, তখন আর একপ্রকার ক্রিয়া হইয়া থাকে। চিৎশক্তিকে অন্তর্মুখী। করিলে যেমন পূৰ্ব্বস্মৃতি জাগ্রত হয়, তদ্রুপ চিৎশক্তিকে সূক্ষ্ম-স্নায়ু বা কারণ-স্নায়ু দিয়া বহির্মুখী করিলে, ভবিষ্যতের বিষয় বলা যাইতে পারে। কারণ-স্নায়ু দিয়া চিৎশক্তি প্রধাবিত করিলে, তাহার গতি কি প্রকার হইবে, কতদূর তাহার পরিধি ও সীমা হইবে এবং কোন্‌দিক দিয়া এবং কি প্রকারে এই শক্তির গতি প্রবাহিত হইয়া পরবর্তীকালে সমাহিত হইবে, তাহা বলা যাইতে পারে। কারণ, তখন ভবিষ্যৎ বলিয়া কোন বস্তুই থাকে না, সকলই বর্তমান হইয়া যায়। ভবিষ্যতে যাহা ঘটিবে, তাহার বিষয় তখন বর্তমান কালের ঘটনার ন্যায় বলিতে পারা যায়; কারণ, এস্থলে দেশ ও কালের যে বিভাগ তাহা তিরােহিত