পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৫২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান পাচ শিখাইত। আমি দেখিয়া মনে মনে হাসিতাম ও ভাবিতাম, “অম্বু গুহের আখড়ায় কুস্তি লড়ার ভাবটা এখনও রহিয়াছে। আবার যেন বাল্যকালটা ফিরিয়া আসিয়াছিল। কখনও কখনও সে তাস খেলিত, “ওয়ার্ড মেকিং’এর (Wordmaking'এর) মত কি একটা খেলাও খেলিত। এ সকলই হইল মনটাকে উচ্চমার্গ হইতে নীচে নামাইবার জন্য। ছেলেবেলায় প্রতাপ মজুমদারের কাছে হােমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিখিয়াছিল, তাহাও ভুলিয়া যায় নাই; মাঝে মাঝে লােকজনকে ঔষধ দিত। অবশ্য, সাধক-জীবনে এইসব পরিত্যাগ করিয়া ক্রমাগত জপ-ধ্যান করিয়া বেড়াইয়াছিল। এই সময় বংশের গুণও তাহার মধ্যে অনেকভাবে ফিরিয়া আসিয়াছিল। গ্রাম্য জমিদার-বংশের ছেলের যেরূপ গাছপালা ও ফল-ফুলের উপর ঝোঁক থাকে, শেষকালে তাহারও সেইরূপ গাছপালার উপর বিশেষ ঝোক আসিয়াছিল। এমন কি, একটী হুঁচি কুমড়া কত বড় হইতে পারে, তাহা দেখিবার জন্য, বেলুড়ে, অপর একজনের বাড়ীতে নিত্য যাইয়া, একটী কুমড়া গাছের তত্ত্বাবধান করিত। একবার হাড়ের গুড়ার সার দিয়া গােলাপ ফুল করিয়াছিল, ফুলও খুব বড় হইয়াছিল। গাছপালা ও ফল-ফুলের বিষয় সে অনেক কথা বলিত। গ্রাম্য জমিদারেরা যেমন কাছারীতে বসিয়া সকল নালিশ মিটাইয়া দিয়া থাকে, ব্ৰহ্মানন্দও সেইরূপ বিবাদ বিসম্বাদ হইলে, সালিস হইয়া সেই সকল মিটাইয়া দিত। বৈষয়িক বুদ্ধিতে তাহার অসাধারণ

1 |