পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৫ তিনি হৃদয়ে অপার শান্তি অনুভব করেন। পূৰ্ব্বকার অবসন্ন ও বিষাদময় ভাব তখন সমুন্নত ও প্রশান্ত ভাব ধারণ করে। শক্তি-বিকীরক-কেন্দ্রস্বরূপ হইয়া, অতি ভীষণ ও প্রবলাকায় মানসিক তেজঃসঞ্চারণ করিয়া, তিনি সমাজের সকল অঙ্গকে সংযােজিত ও পুনঃসংগঠিত করিয়া তুলেন। অতি গৌরবান্বিত মুখশ্রী, অতি ধীর ও মহিমময় পদবিক্ষেপে পুনরায় তিনি সমাজ মধ্যে প্রত্যাবর্তন করিয়া থাকেন। এখন তিনি সকলের বন্ধু - সকলেও এখন তাহার বন্ধু। সমাজকে তিনি নূতন-ভাব-ভিত্তিতে স্থাপিত করিয়া নিজ উদ্দিষ্ট জীবন-কৰ্ম্ম সমাপন করিয়া থাকেন। | মহাপুরুষ - মানসিক বিপ্লবের পরিণতি, বিপ্লবকে পূর্ণতা দান করেন এবং ভবিষ্যৎ যুগের পথপ্রদর্শক। | এই উক্তিটীর সত্যতা ব্ৰহ্মানন্দ ও বিবেকানন্দের জীবনে অতি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। বিক্ষিপ্ত শক্তি ও সংরক্ষিত শক্তির প্রভাব | ছেলেবেলায় আমরা অনেক ছেলে পাড়ায় একসঙ্গে খেলা করিতাম; কিন্তু এত ছেলের মধ্যে নরেন্দ্রনাথ ও রাখাল মহৎলােক হইল, আর সকল বালকেরা নৈরাশ্যপূর্ণ জীবনে দিন অতিবাহিত করিল! ইহার কারণ নির্ণয় করিতে মাইলে এই দেখা যায় যে, সাধারণ লােকে ও মহাপুরুষেরা শৈশবে প্রায় একরকমই থাকে, সকলেই প্রত্যহ কিছু না কিছু কাজ করিতেছে ও নিজ শক্তি বিকাশ করিতেছে, কিন্তু পার্থক্য এই