পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৬০ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান যে, সাধারণ লােকের শক্তি বিকাশ এবং প্রয়াস বাল্যকালে বিচ্ছিন্নভাবে ও অসংলগ্নভাবে হইয়া থাকে – মহাপুরুষদিগের তাহা হয় না। সাধারণ বালকেরা এইরূপ বিক্ষিপ্ত ভাবাপন্ন হওয়ায়, তাহাদিগের শক্তি ও কাৰ্য-প্রণালী নিম্নস্তরের বিষয়সমূহে বেশ পরিলক্ষিত হয়; কিন্তু উচ্চভাবের কাৰ্য আসিলে তাহাদিগের ক্রিয়ার কোন সার্থকতা থাকে না। এইজন্য, তাহারা জগতে উন্নতি করিতে পারে না এবং অপর সাধারণ হইতে কোনপ্রকার প্রাধান্য ও শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করিতে পারে না। চলিত কথায়, তাহাদের সমস্ত শ্রম পণ্ড ও ব্যর্থ হইয়া যায়। মহাপুরুষেরা শৈশবে সাধারণ বালকের ন্যায় থাকেন এবং তাহাদের ক্রিয়াকলাপও বালক বয়সের উপযােগী হইয়া থাকে, কিন্তু তাহাদের মনােভাব অন্যপ্রকার হয়। সমস্ত ক্রিয়ার ভিতর, হাস্যকেতুকের ভিতর, তাহাদের চিন্তাস্রোত - এক উদ্দেশ্য, এক কেন্দ্র, এক লক্ষ্যতে প্রধাবিত হয়। এইরূপে, পুঞ্জীভূত শক্তি একক্ষেত্রে সন্নিবেশিত হওয়ায়, ক্রমবর্ধন নিয়মে, উহার উত্তরােত্তর বৃদ্ধি হইয়া এক মহান্ রূপ ধারণ করে। এক শ্রেণীর হইল – বিক্ষিপ্ত শক্তি, অপর শ্রেণীর হইল - কেন্দ্রীভূত, সংরক্ষিত শক্তি। আরও একটা কারণ হইল যে, সাধারণ, লােকেরা তাহাদের প্রত্যেক কাৰ্যটীকে আঁকড়াইয়া ধরিয়া রাখিবার ও সফল করিবার চেষ্টা করে। এইজন্য, তাহাদের শক্তি বিক্ষিপ্ত ও হীনপ্রভ হইয়া যায়, মহৎ কার্যের উপযােগ শক্তি আর কিছুই থাকে না; কিন্তু মহাপুরুষের অপর পন্থা H