পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান লাগিল। অনুমান, ১৮৮৩ খৃষ্টাব্দের বর্ষাকালে মনোেমােহনদার মা মারা যান। বিশ্বেশ্বরী সেই সময় হইতেই মাতৃহীনা। বিবাহে প্রজাদের খাওয়ান তখনকার দিনে অল্প বয়সে বিবাহ হইত; বিশেষতঃ রাখাল জমিদারের জ্যেষ্ঠ পুত্র, এইজন্য অল্প বয়সেই তাহার বিবাহ হইয়াছিল। এই বিবাহের সময় অনেক প্রজাকে মাছের পােলাও ও কলিকাতা হইতে সন্দেশ লইয়া যাইয়া খাইতে দেওয়া হইয়াছিল। প্রজারা সামান্য গ্রাম্য চাষা, মাছের পােলাও কখনও খায় নাই, এইজন্য প্রথমেই একগ্লাস পােলাও মুখে দিয়া বমি তুলিবার উপক্রম করিতে লাগিল। তাহারা সকলেই হৈচৈ করিয়া উঠিয়া বলিল, “মা গাে ! কি গন্দি ভাত, পচা হলুদ দিয়ে ভাত বেঁধেছে, আবার তাতে মাছ দিয়েছে। ভাতেতে আবার কখনও কি তেল দেয় ?” এই বলিয়া বমি করিতে লাগিল। ইহা দেখিয়া গ্রামের একজন প্রবীণ লােক একটা ধামা করিয়া কাঁচা পিয়াজ লইয়া আসিল। সকলেই দুই একটী পিয়াজ চিবাইয়া একটু সুস্থ হইল এবং বমি করাও বন্ধ করিল। তখন সাদা ভাত, কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি দেওয়া হইলে তাহারা পরিতৃপ্ত হইয়া খাইতে লাগিল। পােলাওতে যে জাফরান দেওয়া হইয়াছিল তাহার গন্ধ তাহারা সহ করিতে পারিল না। তাহার পর আবার কলিকাতার সন্দেশ দেওয়া হইলে মহা হৈচৈ