পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্ৰহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান সেই স্থানটাতে মাঠ হইয়াছিল এবং তাহাতে ঐ জিন্যাসিয়াম ছিল। সারদানন্দও স্কুলে পড়িবার সময় নবগােপাল মিত্রের আখড়ায় কিছুদিন জিন্যাষ্টি করিয়াছিল। তখন পরস্পরের সহিত আলাপ ছিল না। পড়াশুনা যুব রাখাল দু’একটী স্কুলে পড়িয়াছিল; কিন্তু পড়াশুনায় তাহার তেমন মন ছিল না। আমরা পড়িবার ঘরে, বড় টেবিলের উপর বই রাখিয়া, দুই ধারে চেয়ার বা বেঞ্চিতে বসিয়া পড়িতাম। তখন কেরাসিন তেল উঠে নাই। একটী কাচের গেলাসে জল দিয়া তাহার উপর রেড়ীর তেল দেওয়া হইত, আর খড়কের গায়ে তুলা জড়াইয়া একটা পতে তৈয়ার করিয়া তাহার তলায় একটী বড় চাকতি দিয়া, তেল ও জলের ভিতর ফেলিয়া দেওয়া হইত। কখনও বা একটা টিনের পাত ধনুকের মত করিয়া, তাহার বাঁকা জায়গাটাতে একটী নলী দিয়া, একটা কি দুইটা পতে দেওয়া হইত। এই হইল তখনকার দিনের বৈঠকখানার আলাের ব্যবস্থা। এই তেলের গেলাসটী কেহবা কাচের রেকাবী করিয়া বা নিজের সথমত অন্য পাত্রের উপর রাখিত। সন্ধ্যার সময় যুব রাখাল আসিয়া এক ঠোঙা কচুরি, সিঙ্গাড়া, আলুহেঁচকী ও দু’একটী মিষ্টান্ন খাইত। একে জোয়ান ছেলে, তাহার উপর আবার কুস্তি লড়িয়া আসিত, এইজন্য সে আধ সের খাবার খাইত। তখন খাবারের দর ছিল হয়