পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান আনা সের। তিন আনা সের খাবারের কথা আমার স্মরণ নাই। আমি এক গেলাস জল ও পান আনিয়া দিতাম, তাহার পর টেবিলে পড়িতে বসতাম। যুবা রাখাল একে কুস্তি লড়িয়া আসিত, তাহার উপর আবার একপেট খাবার খাইত, সেইজন্য সে টেবিলে বসিতে পারিত না। আমাকে বলিত, “ভাই, টেবিলে বসে কাজ নেই।” ঘরের পূর্বদিকে বড় তক্তাপােষ পাতা ছিল, তাহাতে বড় একখানা মাদুর পাতা থাকিত। নরেন্দ্রনাথ রাত্রিতে সেখানে শয়ন করিত এয় তাহার বিছানাটা উত্তরদিকে মাথার শিয়রে গুটান থাকিত। আমার টেবিলে বসিয়া পড়া অভ্যাস ছিল, কিন্তু যুবা রাখাল জিদ করিতে থাকায় তেলের গেলাসটী ও তার নিম্নকার চীনা মাটির রেকাবীখানি তক্তপােষের উপর রাখিয়া দুইজনে মুখােমুখী হইয়া পড়িতে বসিতাম। রাখাল প্রথমে খানিকক্ষণ বসিয়া বসিয়া পড়িত, তাহার পর ওজর পরিত, “শুয়ে পড়লে পড়া ভাল হয়।” সে একটা তাকিয়া লইয়া তাহার উপর মাথা রাখিয়া বই পড়িতে থাকিত। খানিকক্ষণ পরে দেখি যে, বইটা তাহার বুকের উপর রহিয়াছে, আর সে দিব্বি নাক ডাকাইতেছে। আমি ত বেগতিক দেখিয়া তেলের গেলাসটা পুনরায় টেবিলের উপর রাখিয়া দিতাম এবং বইখানা তাহার হাত হইতে লইয়া, মুড়িয়া টেবিলের উপর তাহার বই রাখিবার জায়গায় রাখিয়া দিতাম; কারণ, টেবিলের উপর যে যাহার নিজের জায়গায় বই রাখিত। রাখাল প্রত্যহ একই বিষয় পাঠ