পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২০ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ছেলেবেলায় দুইজনের ভিতর যে পার্থক্য ছিল, সমস্ত ভবিষ্যৎ জীবনেও উহা পূর্ণ মাত্রায় বিকাশ পাইয়াছিল। জগতও দুইজনকে ঠিক সেইভাবে গ্রহণ করিয়াছে। | এইটী বড় আশ্চর্যের কথা যে, ছেলেবেলায় নরেন্দ্রনাথ ও রাখালের মধ্যে যে সম্পর্ক দেখিয়াছিলাম, জীবনের শেষকাল পৰ্য্যন্তও উভয়ের মধ্যে ঠিক সেই সম্পর্ক ছিল। রাখাল যদিও পাড়ার সকলের সঙ্গে মেলামেশা করিত, কিন্তু দেখিতাম যে নরেন্দ্রনাথের প্রতি তাহার একটা বিশেষ আকর্ষণ ছিল। কুস্তি লড়িতেই হউক, হাসিতামাসাতেই হউক, রান্না করিতেই হউক, খেলা করিতেই হউক বা বেড়াইতেই হউক রাখাল নরেন্দ্রনাথের পিছু পিছু থাকিত। নরেন্দ্রনাথের কথার উপর সে কখনও প্রতিবাদ করিত না, নিতান্ত অনুগত ও গুণগ্রাহী হইয়া থাকিত। একজন হইল অগ্রগামী-সেনা—Vanguard, আর একজন হইল পৃষ্ঠ-সেনা—Rearguard। একজনের অভাবে অপরের স্বার্থকতা থাকে না, একজন অপর হইতে বিচ্ছিন্ন থাকিতে পারে না। পরিবর্তনের পথে আমরা কেশববাবুর বক্ততা হইতে শুনিয়াছিলাম যে, দক্ষিণেশ্বরে একজন সিদ্ধপুরুষ থাকেন, তাহার নাম ‘পরমহংস। নামটা নূতন রকমের বলিয়া আমরা প্রথমে তাহার অর্থ বুঝিতে