পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ২১ পারিতাম না। অনেকেই ‘পরমহংস’ নামটীর বিকৃত অর্থ করিত। ১৮৮২ খৃষ্টাব্দে, পরমহংস মহাশয় রামদাদার বাড়ীতে আসিলেন; আমরা অল্প সংখ্যক লােক পরমহংস মহাশয়কে দেখিতে যাইলাম। রাখাল সঙ্গে গিয়াছিল কিনা আমার স্মরণ নাই। সাধারণ লােক হইতে পরমহংস মহাশয়কে অন্যপ্রকার দেখিলাম। তাঁহার সরল প্রকৃতি ও অমায়িক ভাব দেখিয়া আমরা তাহার প্রতি আকৃষ্ট হইলাম। পরমহংস মহাশয় পরে রামদাদার বাড়ীতে মাঝে মাঝে আসিতেন। আমরা তাহাকে দেখিতে যাইতাম, যুবা রাখালও সেই সময় যাইত, কিন্তু সেই সময় তাহার ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের কোন লক্ষণ পাওয়া যাইত না। সে বিদ্যালয়ে পড়িত, নানাপ্রকার গল্প বলিত, খেলা করিত, কুস্তি লড়িত এবং পরমহংস মহাশয় আসিলে রামদাদার বাড়ীতেও যাইত। তখন পরমহংস মহাশয়ের সহিত কোন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয় নাই; কারণ আমরা তখন অল্পবয়স্ক বালক, কোন জিনিষ ভাল করিয়া বুঝিতাম । দেখিতাম, রাখাল মাবো মাঝে চোখ বুজাইয়া থাকিত ; তাহার যে একটা স্বাভাবিক ধ্যানের ভাব ছিল, তাহা আমরা বুঝিতাম না। ভাবিতাম, বােকা, ভাল মানুষ, অতিশয় ভীতু, এইজন্য হয়ত সে খানিকক্ষণ চোখ বুজাইয়া থাকে এবং কি ভাবে। আমাদের তখন বালকের বয়স, সব জিনিষই বালকের ভাবে দেখিতাম। এই সময় কলিকাতায় কেশববাবুর খুব প্রতাপ ও প্রতিপত্তি।