পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ২৫ যাইলাম। দেখিলাম যে, রাজমােহন বসু ও অপর সকলে কীৰ্ত্তন করিতেছেন— “মন একবার হরি বল, হরি বল ; জলে হরি, থলে হরি, অনলে অনিলে হরি।” ইত্যাদি। কীৰ্ত্তন সমাপ্ত হইলে ঠাকুরদালান হইতে পণ্ডিত গৌরগােবিন্দ রায় ভাগবত ব্যাখ্যা করিতে লাগিলেন। শীতকাল, সেইজন্য সন্ধ্যা হইলে আমি উঠিয়া আসিলাম, রাখাল আসিল না। নরেন্দ্রনাথ সন্ধ্যার সময় যাইল, রাখাল তখন উঠানে বসিয়া রহিল। সন্ধ্যার পর কেশববাবু ও পরমহংস মহাশয় গিয়াছিলেন। এইরূপে রাখাল নরেন্দ্রনাথের অনুগামী হইয়া ব্রাহ্মসমাজ ও অপরস্থানে যাইতে লাগিল এবং দুইজনের ভিতর সৌহৃদ্য প্রবল হইয়া উঠিল। এই সময় হইতে রাখাল যেন নরেন্দ্রনাথের ভান হাত হইতে লাগিল। পরমহংস মহাশয়ের ভবিষ্যৎ দৃষ্টি মানুষের স্বভাবসিদ্ধ একটী গুণ বা কেন্দ্র থাকে, অনেক সময় বাহিক অবস্থা বা কারণ আসিয়া সেই গুণ বা কেন্দ্রকে আবৃত করে ; কিন্তু অনুকূল সহায়ক আসিলে ব্যক্তিগত গুণ পরিস্ফুট হইয়া উঠে। রাখালেরও ঠিক সেইরূপ হইয়াছিল। কেবলমাত্র পরমহংস মহাশয় তাহার আভ্যন্তরিক গুণ উপলব্ধি