পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ২৭ রাখালের রূপ দেখিয়া আশ্চর্যান্বিত হইয়াছিল। এইরূপ অদ্ভুত শক্তিমান পুরুষ ও বহুমুখী প্রতিভাবান্ লােক অতি অল্পই দেখা যায়। একাধারে এত গুণ-সমষ্টি খুব কম লােকেরই হইয়া থাকে। রাখালের ভিতর যে এত গুণ ছিল তাহা শুধু পরমহংস মহাশয়ই দেখিতে পাইয়াছিলেন। তাঁহার ভবিষ্যৎ দৃষ্টিও সম্পূর্ণরূপে সফল হইয়াছিল ; কারণ, রাখাল যে ভবিষ্যতে ব্ৰহ্মানন্দরূপে কয়েক লক্ষ লােকের শক্তি একাই ধারণ করিত এবং সে যে জগতে বিশেষভাবে পূজ্য হইয়া গিয়াছে-ইহ বলিলে অত্যুক্তি হইবে না। | ইহাকে বলে পরবর্তীকালে মস্তিষ্কের বিকাশ—Late development. রাখালের জীবনে প্রথম অবস্থায় মস্তিষ্কের বিকাশ-Early development--সাধারণ লােকের চক্ষুতে প্রতীয়মান হয় নাই। দক্ষিণেশ্বরে। রাখাল প্রথমে সিমলাতে থাকিত এবং দক্ষিণেশ্বরে যাতায়াত করিত। শেষট। সে দক্ষিণেশ্বরে থাকাই স্থির করিল, তবে মাঝে মাঝে বােধ হয় সিমলাতে আসিত। এই সময়ের সকল ঘটনার প্রতি পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে দৃষ্টি রাখি নাই এবং দৃষ্টি রাখিবারও বিশেষ কিছু ছিল না। পরমহংস মহাশয়ের সহিত যুবা রাখাল অনেক স্থানে যাইত, সে সব আমার স্মরণ নাই। রাখালের নিকট বেলুড় মঠে একদিন একটা গল্প শুনিয়াছিলাম— যুবা রাখাল পরমহংস মহাশয়ের সহিত একবার কামারহাটার