পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৯ অল্পদিন থাকিবার পর রাখাল ছেলের অন্নপ্রাশনের জন্য সকলকে খাওয়াইয়াছিল। ছেলেটার নাম রাখা হইয়াছিল ‘সত্যচরণ। দিনটা ছিল রবিবার, সেদিন বড় গরম ছিল। শ্যামপুকুরের বাড়ীতে থাকার সময় সত্যের অন্নপ্রাশন হইয়াছিল ; তাহা হইলে ধরিতে হইবে যে, অন্তত ছয়মাস পূর্বে তাহার জন্ম হইয়াছিল অর্থাৎ, রাখাল দক্ষিণেশ্বরে থাকার সময় ছেলেটী ভূমিষ্ট হয়। অন্নপ্রাশনের দিনটী বিশেষ করিয়া মনে রাখা আবশ্যক। নরেন্দ্রনাথ এতাবৎকাল বাড়ীতেও থাকিত এবং পরমহংস মহাশয়ের নিকটও যাইত; কিন্তু ঐ দিন হইতে নরেন্দ্রনাথ আর বাড়ীতে ফিরিল না। ঐ দিন হইতেই নরেন্দ্রনাথ প্রকৃত গৃহত্যাগ করিল। সেইজন্য ঐ দিনটী বিশেষ উল্লেখযােগ্য। কাশীপুরে শ্যামপুকুরের বাড়ীতে অল্পদিন থাকিয়া ভক্তবৃন্দ পরমহংস মহাশয়ের জন্য কাশীপুরে মতিঝিলের সম্মুখে একটা বাগানবাড়ী ভাড়া করিলেন। পরমহংস মহাশয় উপরকার ঘরে থাকিতেন এবং শুশ্রুষাকারী যুবকেরা নীচেকার হল-ঘরে থাকিত। এই সময় হইতে ভক্তেরা দুই ভিন্ন শ্রেণীতে পরিগণিত হইতে লাগিলেন। যাঁহারা বয়ােজ্যষ্ঠ, তাহারা হইলেন— ‘গৃহী ভক্ত; সমস্ত ব্যয় তাহারাই দিতেন এবং সকল বিষয়ের তত্ত্বাবধানও তাহারাই করিতেন। আর কয়েকটী যুবক হইল— ‘ত্যাগী ভক্ত, ইহারা অন্যদিকে মন না দিয়া সর্বান্তঃকরণে