পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩২ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান | বাড়ীর রাখাল ও বাড়ীর নরেন্দ্রের মধ্যে যে ভাব ও যে সম্পর্ক ছিল, তাহা চলিয়া যাইতে লাগিল এবং দুইজনেই যে এক পথের পথিক, এই ভাব আসিতে লাগিল; কারণ কিছুদিন পূর্বে নরেন্দ্রনাথের প্রয়াস ছিল আইন পড়িয়া ওকালতি করিবে এবং রাখালের প্রয়াস ছিল হােমিওপ্যাথি পড়িয়া ডাক্তারী করিবে। দুইজনের উদ্দেশ্য বিভিন্ন প্রকার ছিল ; কিন্তু এই সময় হইতে ধীরে ধীরে অজ্ঞাতসারে উভয়ের উদ্দেশ্য পরিবর্তিত হইতে লাগিল। কোন নিশ্চিত গন্তব্যও নাই, উদ্দেশ্যও নাই। তবে উভয়ের মধ্যে একটা প্রগাঢ় ভালবাসা আসিয়াছিল—যে ভালবাসা জগতে অন্য ভালবাসার সহিত তুলনা করা যায় না। একটা মহাশক্তি আসিয়া অজ্ঞাতসারে তাহাদের কোথায় লইয়া যাইতে লাগিল, তাহা বুঝিবার ক্ষমতা কাহারও ছিল না। নিজের ব্যক্তিত্ব বড়, না শক্তি বড়—এই দুইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলিতে লাগিল। বরানগর মঠ স্থাপন পরমহংস মহাশয়েয় শরীর ক্রমে অতি ক্ষীণ হইয়া পড়িল এবং তাহার দেহত্যাগ হইল। কাশীপুরের বাড়ী আর অল্পদিনমাত্র ভাড়া আছে, তাহার পর বাড়ী ছাড়িয়া দিতে হইবে। রামদাদা, সুরেশ মিত্র প্রভৃতি বলিলেন, “সকলে বাড়ীতে যা। নরেন আইন পড় ক। শরৎ ও শশী কলেজে গিয়ে পড়ক। রাখালের