পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্ৰহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান। স্ত্রী-পুত্র আছে, সে বাড়ীতে যাক্। আর যাদের চাকরী করবার ইচ্ছে আছে, তাদের চাকরী করে দেওয়া হবে।” কেবলমাত্র তারকনাথ, বুড়াে গােপাল ও লাটু—এই তিনজনের থাকিবার কোন স্থান ছিল না। সুরেশ মিত্র বলিলেন, “এদের থাকার জন্যে একটা বাড়ী ভাড়া করে দেওয়া হােক। কিন্তু অধিকাংশ প্রবীণদের মত হইল যে, যে যাহার বাড়ীতে যাউক। রাখাল নিতান্ত ভাল মানুষ, সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইয়া কোন কিছু ঠিক করিতে পারিতেছিল না। নরেন্দ্রনাথের যে স্বভাবসিদ্ধ গণনায়কের শক্তি ছিল, তাহা এই সময়ে প্রকাশ পাইল। নরেন্দ্রনাথ মহা ওজস্বীভাবে রাখালকে বলিল, “সেই যে মাড়ােয়ারীটা তার (শ্রীরামকৃষ্ণের) কাছে আসতো, তুই তার কাছে যা, বলগে যা আমরা সাধু হয়ে থাকে, সে তার বন্দোবস্ত করুক।” তার্থাৎ যদি প্রবীণ ভক্তেরা বিমুখ হন তাহাতে কিছু আসিয়া যায় না, নরেন্দ্রনাথ নিজে একটী সঙ্ঘ বা গােষ্ঠী করিয়া লইবে। ইহাকে বলে-'The supreme power of a natural leader'— স্বভাবসিদ্ধ গণনায়কের উপস্থিত শক্তি। | এইরূপ কথাবার্তা হইতেছে এমন সময় নরেন্দ্রনাথ বাড়ীতে ফিরিয়া আসিল। তখন আমরা ৭ নং রামতনু বসু-গলির বাড়তে থাকিতাম। নরেন্দ্রনাথ আসিয়া আবার আইন পড়িতে লাগিল। আমরা দুইজন উপরকার ঘরটীতে পড়িতাম। নরেন্দ্রনাথ সিভিল প্রসিডিয়াের কোড (Civil Procedure Cotto) বইখানি পড়িত। আমি পার্শ্বে বসিয়া দেখিতাম যে