পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৬ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ফেলিবার চেষ্টা করিতেছে, অপরদিকে মনের শক্তি বা তপস্যার শক্তি বলিতেছে—জগতের সমস্ত বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করিয়া জগতকে পদানত করিব। প্রত্যেকেরই ভিতর এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞার ভাব অগ্নি্যুপের ন্যায় প্রজ্বলিত হইয়াছিল। নরেন্দ্রনাথ একদিন বলিল, “তিনি (শ্রীরামকৃষ্ণ) যে কঠোর তপস্যা করেছিলেন, তার এক আনা করতে পারলে কৃতার্থ হব।” এই বাণীতে সকলে উন্মত্তপ্রায় হইয়া কঠোর তপস্যা করিতে লাগিল। সকলের ভিতর একটী ভাব যেন সেই সময় স্পষ্ট দেখা যাইত। তাহাদের ভিতরটা ঠিক যেন বলিতেছে-- “হরি, মন মজায়ে লুকালে কোথায় ? আমি ভবে এক, দাও হে দেখা, প্রাণসখা রাখ পায়। কালশশী বাজালে বাণী, ছিলাম গৃহবাসী, করলে উদাসী, কুল ত্যজি হে অকূলে ভাসি ; বিহারী, কোথায় হরি, পিপাসী প্রাণ তােমায় চায় !” —গিরিশচন্দ্র বুদ্ধের তপস্যার সহিত বরানগর মঠের তপস্যার বহুল সৌসাদৃশ্য আছে; কিন্তু ইহা বুদ্ধের অনুকরণে হয় নাই, অজ্ঞাতসারে হইয়াছিল। সিদ্ধার্থ স্ত্রী, পুত্র, পিতা, মাতা ও পৈত্রিক সম্পত্তি ত্যাগ করিয়া অণােমা নদীর তীরে অতি প্রত্যুষে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সারথি ছন্দক ‘কান্তক’ নামে অশ্বকে লইয়া চলিয়া