পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৩৭। গিয়াছে। রাজপরিচ্ছদ আর কিছুই নাই, রাজ-আভরণও আর নাই, মস্তকের লম্বিত কেশ তরবারি দ্বারা কিঞ্চিৎ পরিমাণে ছিন্ন করিয়াছেন। এক কিরাতের নিকট হইতে তিনি বস্ত্রপরিবর্তন করিলেন। নদীর অপর পারে সে বিস্বারের রাজত্ব। এই নদী হইল যেন সিদ্ধার্থের জীবনের সন্ধিস্থল। উষ। আসিল। নদীতে সাঁতার দিতে জানেন না, খেয়া নৌকায় পার হইবার শুল্কও নাই। মলিন বেশপরিহিত, অর্ধকেশধারী যুবা সিদ্ধার্থ অগােমা নদীর তীরে দাঁড়াইয়া নানা চিন্তা করিতে লাগিলেন, কোথায় যাইবেন এবং যাইয়াই বা কি করিবেন ? ভবিষ্যতের কোন উদ্দেশ্য নাই, কেবলমাত্র, জগতের দুঃখ-কষ্টের জন্য চক্ষে জল আসিল, কিন্তু প্রতিকারের কোন পন্থা নাই। তাহার হৃদয় বলিয়া উঠিল— লক্ষ্যহীন ভ্রমি ধমাঝে, উত্তাল তরঙ্গরাজি গ্রাসিছে জগৎ, হাহাকার সদা উঠে রােলমৰ্ম্মভেদী, পশিছে হৃদয়মাঝে ; নাহিক নিস্তাব! কে আছে মানব ? নিবার তরঙ্গ রাজি ! অণােমা নদী পার হইয়া গোতম যখন সেন্য বিশ্বস্বারের রাজ্যে প্রবেশ করিলেন, তখন তিনি ক্ষুধার্থ। মধ্যাহ্রে নানা গৃহ হইতে মুষ্টিভিক্ষা করিয়া কিঞ্চিৎ চাউল সংগ্রহ করিলেন। সেই ভিক্ষার চাউল একটী থালিতে রন্ধন করিয়া কিছুমাত্র লবণ দিয়া আহার