পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৪১ জমিদারের বড় ছেলে, বাপের বেশ স্বচ্ছল অবস্থা, সে-সবই ত্যাগ করিয়া সে একেবারে পথের ভিখারী হইয়াছে। একটা ভেঁড়া পটপটে মাদুর তাহার বসিবার ও শয়ন করিবার স্থান। সে আজ মুষ্টিভিক্ষার অন্ন কাপড়ে ঢালিয়া, মাত্র লঙ্কার বােল দিয়া খাইতেছে। যে লােক অতি সুখে লালিত পালিত হইয়াছিল— ভগবান লাভের জন্য সে পথের ভিখারা হইল। শ্রীচৈতন্যদেবেরও এইরূপ ভাব আসিয়াছিল-- “শূন্য বৃন্দাবন, শূত নিধুবন, কোথা রাই আমার, জীবনের জীবন, কোথা রাই আমার, কোথা রাই আমার . কোথা রাই আমার প্রাণধন।” -গিরিশচন্দ্র তিনি ভগবান লাভের জন্য সর্বত্যাগী হইয়াছিলেন, আর রাখালও সেইজন্য পথের ভিখারী হইল।। রাখাল যখন বরানগর মঠে ছিল, বিশ্বেশ্বরী তখন অনবরত খামে করিয়া চিঠি লিখিত, তখন পোষ্টকার্ড হয় নাই। রাখাল কখন চিঠি খুলিয়া পড়িত, কখন বা হাতের লেখা দেখিয়া বুঝিতে পারিয়া বালন্দা মাদুরের নীচে ও জিয়া রাখিত, কোন উত্তর দিত না। এইজন্য রাখাল বরানগর মঠে বা বলরাম বাবুর বাড়ীতে থাকিতে পারিত না। কি ভয়ঙ্কর কঠিন সমস্যা ! স্ত্রী মিনতি করিয়া বাড়ীতে ফিরিয়া যাইতে অনুরােধ করিতেছে, অন্ততঃ একটাবারও দেখা পাইবার জন্য প্রয়াস করিতেছে, বাপ কত