পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান পূজায় পাঠাবলি বরানগরের মঠে নরেন্দ্রনাথ একবার কি এক পূজা করিয়াছিল। পূজা উপলক্ষে একটী পাঁঠাবলির ব্যবস্থা করিল এবং আর সকলেই তাহাতে যােগ দিল, কিন্তু রাখাল মনঃক্ষুন্ন হইয়া একটু বিষন্নভাবে রহিল, বলি দেওয়ায় তাহার ইচ্ছা ছিল না। নরেন্দ্রনাথ রাখালের এই ভাব দেখিয়া গম্ভীরভাবে বলিল, “আরে একটা পাঁঠা বলি কি, যদি একটা মানুষ বলি দিয়ে ভগবান লাভ হয় তাতেও আমি সঙ্কোচ করি ! ” রাখাল নরেন্দ্রনাথের কথার প্রত্যুত্তর করিল না, নিজে বিপ্নভাবে রহিল। বেলুড় মঠে কালীপূজাতে একটী করিয়া পাঁঠাবলি দেওয়া হইত। এইরূপ কয়েক বৎসর হইয়াছিল। কিন্তু রাখাল, টাইফয়েড অসুখ হইবার পর যখন মঠে ফিরিয়া আসিল, তখন সারদানন্দ অনেকবার জিজ্ঞাসা করিতে লাগিল যে, কালীপূজায় পাঁঠা বলি দেওয়া হইবে কি না। রাখাল যদিও মুখে স্পষ্ট কিছু বলিল না, কিন্তু বিষন্ন ও বিরক্তভাবে মৌন হইয়া রহিল, কাজটী যেন তাহার নিজের অভিপ্রেত নহে। তদবধি মঠে পাঁঠাবলি দেওয়া উঠিয়া গেল। | কে ও রাখা-ল? ১৮৮৭ খ্রীস্টাব্দে, শ্ৰাৰণ বা ভাদ্র মাসে, বরানগর মঠে, একদিন আহারের পর নরেন্দ্রনাথ কিরূপ হইয়া গেল। বেলা একটা হইতে বাহিরের দিকে বারাণ্ডাতে অনবরত পায়চারী