পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৫৫ সে কোথা একলা বসে, নয়নজলে বয়ান ভাসে, আমাহারা দিশেহারা ডাকছে কত না জানি ! ওই যেন সে পাগল আমার, দেখছি যেন মুখখানি তার, ঘোর যামিনী, একলা আছে প্রাণের চিন্তামণি। --গিরিশচন্দ্র অথবা একথা বলা যাইতে পারে— “পতি শশাকে রতি কাঁদে, বিনাইয়া নানা ছাদে, ভাসে চক্ষু জলের ধারায়।” ‘বি’ যেন মৃত্যু প্রতীক্ষা করিয়া প্রাণ ধারণ করিতে লাগিল, জগৎ তাহার পক্ষে শূন্য হইয়া গেল, আশা-ভরসাবিহীন হইয়া গেল। কেবল তাহার একমাত্র বাসনা ছিল রাখালকে চোখে দেখিবে, কারণ, রাখাল সেই যে বাড়ী হইতে চলিয়া গিয়াছে, সম্ভবতঃ, তাহার পর আর ‘বি’র সহিত দেখা হয় নাই বা কোন চিঠিপত্রও দেয় নাই। সাধু রাখাল সাধুর মতন হইয়া গেল, পূর্বাশ্রমের পূর্ব সম্পর্ক একেবারেই বিলুপ্ত করিল! ‘বি’ এইরূপ নিতান্ত মনঃকষ্টে কয়েক বৎসর থাকিয়া, রাখাল যখন বৃন্দাবনে তখন একদিন স্বপ্নে দেখিল যে রাখালের দেহত্যাগ হইয়াছে। তাহাতে ‘বি’ একেবারে বিষন্ন হইয়া আত্মহত্যা করিল ! এইরূপে একটী শিশুসন্তান রাখিয়া ‘বি’ চলিয়া যায়। তখন আমাদের বয়স অল্প, মানুষের মনে কি কষ্ট হয় তাহা