পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৭৫ আসে, সে এতই ঘৃণিত যে, মরিয়া গেলে কাকেও তাহার মাংস খায় না। | রাখাল আর একটা গল্পও খুব রঙ্গ করিয়া বলিত। সর্দার হরি সিং একদিন রাত্রিতে আহার করিবার জন্য নিমন্ত্রণ করিলেন। গুরুর মত সম্মান করিয়া তাপস রাখালকে খাওয়াইতে বসাইয়াছেন, নিজেও নিকটে খাইতে বসিয়াছেন। থালা, গ্লাস সব রূপার। ঘি মাখাইয়া রুটি দেওয়া হইয়াছে এবং উভয়েই খাইতেছেন ও মাঝে মাঝে কথাবার্তা কহিতেছেন। সর্দার হরি সিং বড়ই প্রফুল্ল হইয়া উঠিয়াছেন। গুরুস্থানীয় ব্যক্তিকে খুব উৎকৃষ্ট জিনিষ খাওয়াইবেন, সেইজন্য, সর্দার সহসা ভৃত্যকে বলিলেন, “শূকরকা আচার লাও।” অর্থাৎ শূকরের মাংসের যে আচার আছে, তাহা লইয়া আইস। রাজপুতদিগের ভিতর এই আচার হইল অতি প্রিয় বস্তু। তাপস রাখাল বাঙ্গালী, শূকর মাংসের আচারের নাম শুনিয়াই ত তাহার আত্মারাম খাঁচাছাড়া হইল! তখন সে বিনীতভাবে নানা ওজর করিয়া খাওয়া ছাড়িয়া উঠিল। সর্দার হরি সিং কিরূপ মুখভঙ্গী করিয়া, এই শূকর মাংসের আচার আনিতে বলিয়াছিলেন, রাখাল বেলুড় মঠে তাহা অভিনয়ের মত করিয়া দেখাইত। রাখাল ব্যঙ্গ করিয়া বলিত, “বাবা নামেতেই প্রাণ আঁতকে উঠে, আবার সেই জিনিষ খেতে হবে।” জয়পুর হইতে রাখাল উদয়পুরের শ্রীনাথজী দর্শন করিতে