পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান । গুজরাটের কথা সম্বন্ধে বলিত, “কেউ গুজরাটে গেলে যেন কখনও যার তার বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় না লয়। বাইরে ফাকা জায়গায় পড়ে থাকবে। গুজরাটীরা এসে খাবার দিয়ে যাবে; কিন্তু কখনও যেন বাড়ীতে গিয়ে বাস না করে।” কারণ, নরেন্দ্রনাথের এইরূপ এক বিপত্তি লিম্ব ড়িতে ঘটিয়াছিল। এইজন্য তাপস রাখাল কাহারও বাড়ীতে থাকিত না। পাঞ্জাবের বিষয়ে বলিয়াছিল, “গাছের তলায় পড়ে থাকবে। গেরস্তরা খাবার-টাবার দিয়ে যাবে। কিন্তু গেরস্তের বাড়ীতে থাকতে নেই।” এ বিষয় বিশেষ করিয়া বলিবার আবশ্যক নাই, কারণ এসব বিষয় অনেকেরই জানা আছে। গুজরাটের কথাপ্রসঙ্গে তাপস রাখাল এক গৌড়ীয় স্বামীর কথা বলিত। রাখাল একদিন বেলুড় মঠে বলিল যে, সে গুজরাট পরিভ্রমণকালে একটী উপাখ্যান শুনিয়াছিল। উপাখ্যানটী এই যে, গৌড়ীয় স্বামী নামে একটী উচ্চ অবস্থার সাধু গুজরাট প্রদেশে গিয়াছিলেন। তিনি বাংলাদেশের লােক ছিলেন, এইজন্য, সকলে তাহাকে “গৌড়ীয় স্বামী” অর্থাৎ “বাঙ্গালী সাধু” বলিত। তিনি খুব বিচক্ষণ লােক ছিলেন। পূৰ্বে মুনসেফ বা সাবজজ ছিলেন। গুজরাটেতে অনেক ছােট ছােট রাজা আছে। রাজারা গৌড়ীয় স্বামীর সন্ধান পাইলেই অতি আগ্রহে তাঁহাদের দেশে তাহাকে লইয়া যাইতেন। রাজাদিগের কার্যকারণে অধিক সময় নানাপ্রকার গণ্ডগােল হইয়া থাকে। গৌড়ীয় স্বামী প্রসন্ন হইয়া এক একটা রাজার